নিজস্ব প্রতিবেদক:
আমাদের পটুয়াখালীর সংবাদ দাতা বাউফল উপজেলায় নাজিরপুর ইউনিয়নে আসন্ন চেয়ারম্যান নির্বাচন কেন্দ্রীক সরকার সমর্থীতি চেয়াম্যান প্রার্থী মোঃ ইব্রাহিম ফারুক এবং বিএনপি জামায়েত প্রার্থী এ্যাডঃ এনামুল হক ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর মোঃ মহসীন সরদারের মধ্যে গত ৮ই জুলাই ২০২২ইং বিকালে ভয়াবহ রক্ত ক্ষয়ী মারামারি ও দাঙ্গাফসাদ সংঘঠিত হলে ঘটনা স্থলে গুরুতর আহত মোঃ আমির হোসেন মৃধা আনুমানিক ৭০ বয়সী প্রবীন ব্যক্তি চিকিৎসরাত গত ভোরে মৃত্যু হয়। ফলে তার ছোট ভাই গুরুতর আহত মোঃ সাইদুল মৃধা বাদী হয়ে ১০ই জুলাই ২০২২ইং সন্ধায় বাউফল থানায় প্রাথমিকভাবে ২৭জনকে সন্দেহাতীত আসামী চিহ্নিত করে মামলা দায়ের করে। এই নির্মম হত্যাকান্ডের বিষয় প্রত্যক্ষদর্শী স্বাক্ষি ও গুরুতর আহতদের সাথে যোগাযোগে জানাযায় যে-আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন কেন্দ্র করে সরকারী ও বিরোধীসহ স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে নির্বাচন প্রতিক প্রাপ্তির উল্লাস ও প্রচারনা চালানোর সময় আওয়ামীলীগ ও বিএনপি সমর্থকরা স্বতন্ত্র প্রার্থীর কার্যালয় সামনে আনন্দ মিছিল নিয়ে অগ্রসর হওয়ার সময় প্রতিপক্ষ স্বতন্ত্র প্রার্থীর নেতাকর্মি ও সমর্থকরা তাহাদের বাধা দিলে ত্রিদলীয়র মধ্যে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। একপর্যায় তিন দলীয় নেতাকর্মি সমর্থকরা বিভিন্ন রকম দেশীয় অস্ত্র ও ধারালো হাতিয়ার নিয়ে একে-অপরকে হামলা চালায় এবং উভয় পক্ষে আনুমানিক ১২/১৪জন গুরুতর আহতহয়। কিন্তু প্রতিপক্ষ বিএনপি সমর্থীতি নেতা কর্মিদের প্রভাবে মৃত ব্যক্তিকে নিজেদের দলীয় সমর্থক দাবী করেন এবং আওয়ামীলীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর নেতাকর্মি সমর্থকদের আসামীকরে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানাযায়। প্রতিনিধি আসামীদের পরিচয় বিষয় জানতে চাইলে থানার ডিউটি অফিসার এজাহারে বনির্ত মোট ২৭জন আসামীর নাম পরিচয় উল্লেখ করেন এবং তাহাদের মধ্যে গ্রেফতারকৃত ১৩জন আসামীকে অদ্য সকালে আদালতে উপস্থিত ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের থানার রিমান্ডে বর্তমানে আটক করা হয়েছে। যাহাদের মধ্যে ১। আহমদ হাবিব মিন্টু (ধৃত), পিং-মৃত রওশন আলী সরদার, ২। মোঃ সোহাগ (ধৃত), পিং-আব্দুল রব মৃধা, ৩। মোঃ সাইদুর রহমান (পলাতক), পিং-মৃত বাবুল সরদার, ৪। মোঃ চান মিয়া (ধৃত), পিং-মোঃ আবুল হোসেন আকন, ৫। মোঃ রাশেদুল ইসলাম (পলাতক), পিং-মোঃ ইদ্রিস বেপাড়ী, ৬। মোঃ হাসান (পলাতক), পিং-মজিবুর রহমান, ৭। মোঃ কবির হোসেন ফরাজী (ধৃত), পিং-মৃত আজহার ফরাজী, ৮। মোঃ রাসেল(বৃত), পিং-মোঃ হেলাল আকন, ৯। মোঃ বাবুল (পলাতক), পিং-মোঃ দেলোয়ার রাড়ী ১০। মোঃ মজিবর (মৃত), পিং-মৃত জয়নাল হাওলাদার, ১১। মোঃ ইদ্রিস খান (ধৃত), পিং-মৃত আঃরশিদখান ১২। মোঃ রেজাউল (পলাতক), ১৩। মোঃরানা (ধৃত) উভয়ের, পিং-মৃত ফজলুল হক রাড়ী, ১৪। মোঃইকবাল হোসেন হাওলাদার (পলাতক), পিং-নাসির উদ্দিন হাওলাদার, ১৫। মোঃজাকির হোসেন (পলাতক), পিং- মজিবুল হক হাওলাদার, ১৬। মোঃনাসির উদ্দিন হাওলাদার (ধৃত), পিং-মৃত মোঃ আলী আকবর হাওলাদার ১৭। মোঃ শামিম (ধৃত), পিং-মোঃ সিদ্দিক মৃধা, ১৮। মোঃ রাসেল মৃধা (পলাতক), পিং-বাশার মৃধা, ১৯। মোঃ মিরাজ মৃধা (পলাতক), পিং-মোঃফোরকান মৃধা, ২০। মিজান (ধৃত), পিং-শাহবাজ মৃধা, ২১। মোঃসুমন হাওলাদার (পলাতক), পিং-জাকির মাওলানা, ২২। বশির ফরাজী (ধৃত), পিং-মৃত আজহার ফরাজী, ২৩ শাহবাজ মৃধা (মৃত), পিং-মৃত আয়নাল মৃধা, ২৪। মোঃ তানভির (পলাতক), পিং-আহসান হাবিব মিন্টু, ২৫। মোঃনুর মল্লিক (পলাতক), পিং-আঃ রশিদ মল্লিক, ২৬। মোঃ মঞ্জু (পলাতক), পিং-মৃত সুলতান আকন, ২৭। মোঃ সুমন মাঝি (পলাতক), পিং-সুবল মাঝিগং-সর্বসাকুল্য ইউ/পি নাজিরপুর অন্তর ভুক্ত রামনগর তাতের কাঠি, সর্বথানা-বাউফল নিয়ন্ত্রনাধীন স্থায়ি বান্দিা। এই অভিযোগের বিষয় এলাকার প্রত্যক্ষদর্শীদের জিজ্ঞাসা করলে অনেকে বলেন যে-ক্ষমতাশীন দলীয় নেতাকর্মিদের প্রভাবেই আইন প্রশাসন নিয়োন্ত্রীত বিধায় নিরপেক্ষ ভাবে ন্যায়ের পক্ষে অভিমত প্রকাশ করলে পরর্তিতে আমাদের উপর এই হত্যার অভিযোগ প্রতিফলিত হতে পারে। যাহার কারনে আমরা কিছু দেখেছি বা বুঝেছি এই বিষয় কোন মতামত দিতে মোটেও নিরাপদ মনে করছি না। থানার কর্মরত ইনচার্জকে এই বিষয় জিজ্ঞাসা করলে তিনি দৃঢ়তার সাথে নিশ্চিত করেন যে-অপরাধী যেই দলের হোকনা কেন সুষ্ঠ ও ন্যায় তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত অপরাধীকে আইনের আওতায় গ্রেফতার ও সাপ্তি প্রদান করাহবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : ইসমাইল হোসেন সৌরভ,
নির্বাহী সম্পাদক:মো:শাহাবুদ্দিন খান
বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ শাহ্ কামাল,
কপিরাইট © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত