1. info@www.dailybdcrimetimes.com : দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস.কম :
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ন
Title :
বরগুনায় ভুয়া—চিকিৎসকদের তালিকায় মাহবুবুর রহমান গোবিন্দগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শামসুন্নাহার রুমাকে হ*ত্যা এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি দেশজুড়ে মাদকের ভয়াবহ আগ্রাসন! নেশার করাল ছোবলে আসক্ত নারীরাও! আগামীকাল রবিবার ১–১২তম নিবন্ধনধারীদের নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন কালিয়াকৈর উপজেলা পৌর বিএনপির নেতা সাইজুদ্দিন আহমেদ: নির্যাতন পেরিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার মেয়র হিসেবে নীলফামারী জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  কলাপাড়া সাংবাদিক ক্লাবের ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত নীলফামারীতে র‍্যাব-১৩’র কোম্পানি কমান্ডার মেজর মীর ইশতিয়াক আমীনকে বিদায় সংবর্ধনা কুনিয়া বড়বাড়ীতে অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে অভিযান, ৫২০ আবাসিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন শিক্ষার বেহাল দশা,মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী বরাবর খোলা চিঠি, সময় বহিয়া যায়, সকাল সন্ধ্যায়, কথায় কথায় (পর্ব -১)

আহ্ নিয়তী: আন্দোলনে চোখ হারানো স্বামীকে তালাক দিয়ে চলে গেছেন স্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৪
  • ২০৭ Time View

এম জাফরান হারুন, পটুয়াখালী::

জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে গুলির স্প্লিন্টারে চোখ হারিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন পটুয়াখালীর দশমিনার যুবক মো. সাইদুল ইসলাম। কিন্তু সেই আন্দোলনে চোখ হারানোর কারনে স্বামী সাইদুল ইসলাম কে দুইদিন আগে তালাক দিয়ে চলে গেছেন তার স্ত্রী।

সাইদুল ইসলাম উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মোহাম্মদ মৃধার ছেলে। চার ভাই ও এক বোনের মধ্যে সাইদুল সবার বড়। শরীরে অসংখ্য স্প্লিন্টার আর চোখ হারিয়ে চিকিৎসাবিহীন দিন কাটছে বর্তমান বেকার যুবক সাইদুলের। অভাব-অনটন পিছু ছাড়ছে না এই যুবকের। 

সরেজমিনে শনিবার (৩০শে নভেম্বর) দুপুরে সাইদুল জানান, তিনি অনেক কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। তার এই খারাপ মুহুর্তে দুদিন আগে তার স্ত্রী পান্না আক্তার তাকে তালাক দিয়ে দেড় বছরের একমাত্র মেয়ে সুমাইয়াকে নিয়ে চলে গেছেন। বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করার পরেও এখন পর্যন্ত তিনি কোনো আর্থিক সহায়তা পাননি। অভাবের সংসারে বেশিদূর পড়াশোনা না করতে পারা সাইদুল ঢাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

সরকারি সহায়তার দাবি করে তিনি জানান, গত ৫ই আগস্ট শেখ হাসিনার পতন আন্দোলনে সামিল হন তিনি। ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে অবস্থানের সময় চোখে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে প্রায় অর্ধশতাধিক স্প্লিন্টার বিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। ওই সময় আন্দোলনে উপস্থিত শিক্ষার্থী ও জনতা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঢাকা মেডিকেলে এক সপ্তাহ ভর্তি থাকার সময় তার চোখে ও শরীরের বিভিন্ন জায়গা থেকে স্প্লিন্টার বের করা হয়। 

তিনি আরও জানান, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালেও ভর্তি হয়ে এক সপ্তাহ চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানে তার চোখে অপারেশন করা হয়। স্প্লিন্টারের আঘাতে তার বাম চোখ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে।

সাইদুল ইসলাম জানান, এখনো তিনি চোখে দুটি ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে স্প্লিন্টার বহন করে চলছেন। মা-বাবা সঙ্গে বর্তমানে বেকার অবস্থায় মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। 

ইউএনও ইরতিজা হাসান বলেন, সাইদুল আবেদন করলে সমাজসেবার মাধ্যমে সহায়তা করা হবে। এছাড়া জেলা প্রশাসকের মাধ্যমেও সহায়তার ব্যবস্থা করে দেয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved