মোঃ শফিয়ার রহমান পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি
খুলনার পাইকগাছা সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিসি ক্যামেরা এবং শিক্ষক শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে ও থানার অফিসার ইনচার্জ রিয়াদ মাহমুদের সার্বিক দিকনির্দেশনায় থানার এস আই শামিম রেজা ও এস আই সুমন আহমেদসহ সঙ্গীয় ফোর্সের প্রচেষ্টায় এবং শিশু চোরের স্বীকারোক্তিতে পুলিশ-সাংবাদিকের ছেলেদের চুরি হওয়া বাইসাইকেল সহ অন্যদের ৯টি বাইসাইকেল উদ্ধার করেছে পাইকগাছা থানা পুলিশ। এ ঘটনা জানাজানির পর রীতিমতো কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে গোটা উপজেলায়। ধৃত চোর জাওয়াদ (১৪) পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা হেলালের ছেলে। এ দিকে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে চোর জাওয়াদের তথ্য মতে পুলিশ পাইকগাছা হাসপাতাল রোডের সরলের বাসিন্দা স্বজল দাশের ভাঙাড়ি দোকানের ভেতর থেকে ৫টি চোরাই সাইকেল উদ্ধার করে এবং স্বজল দাশকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে স্বজলের অন্য পাটনারের কাছ থেকে আরও ২টি পরে আরও ১টি চোরাই সাইকেল উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এছাড়াও পাশ্ববর্তী দোকানের মালিকের কাছে আরও একটি সাইকেল উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
এ নিয়ে মোট ৯টি বাই সাইকেল উদ্ধার হয়েছে এবং সেগুলো জব্দ তালিকার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন থানার এসআই শামীম রেজা।
থানা পুলিশ ও সাইকেল মালিকরা বলছেন, ইতোমধ্যে উপজেলার পৌর সভা ও বিভিন্ন এলাকার প্রতিনিয়ত বাই সাইকেলসহ অনন্য সামগ্রী চুরির ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় ক'দিন পুর্বে এক ব্যক্তি অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করলে পুলিশী অনুসন্ধান শুরু হয়।
অনুসন্ধানের এক পর্যায়ে সোমবার সকালে পুলিশ অভিযান চালিয়ে পাইকগাছা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে জাওয়াদকে আটক করে থানা হেফাজতে নেয়।
পুলিশের তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শামিম জানান, জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত জাওয়াদের তথ্যমতে হাসপাতাল রোডের স্বজলের ভাঙাড়ি দোকান থেকে প্রথমে ৫টি পরে ২টা তারপরও ১টা ও অন্য স্থান থেকে আরোও ১টি মোট ৯টি সাইকেল উদ্ধার করা হয়। চোরসহ ক্রেতাদের আটক করা হয়েছে।ে
এ বিষয়ে পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটি'র সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক ফসিয়ার রহমান জানান, স্বজল দাসের ভাঙাড়ী দোকান থেকে প্রথমে ৫টি পরে তার পাটনারের কাছ থেকে প্রথমে ২টা এবং পরবর্তীতে আরও ১টি নতুন সাইকেল উদ্ধার হয় এবং পাশ্ববর্তী দোকানের মালিকের কাছে আরও ১টি সাইকেল উদ্ধার হয়। যার মধ্যে দু'টি সাইকেল পুরাতন অন্যান্যগুলো প্রায় নতুন রয়েছে।এর মধ্যে আমার ছেলের ১টি ও এএসআই গোপাল চন্দ্র সাহার ছেলে গৌর সাহার ১টি, টিপু সাহেব ১টি এবং মামলার এজাহারকারীর ১টি সহ অন্যান্যদের।তিনি আরও অভিযোগ করেন চোর জাওয়াদ এসব সাইকেলগুলো সর্বনিম্নতম দামে ঐ ভাঙাড়ী দোকানে বিক্রি করে দেয়।
এ বিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ রিয়াদ মাহমুদ বলেন, মামলা হয়েছে চোর ও বাইসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। চোরাই সিন্ডিকেটের সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এবং এর সাথে জড়িতদের খুব দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : ইসমাইল হোসেন সৌরভ,
নির্বাহী সম্পাদক:মো:শাহাবুদ্দিন খান
বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ শাহ্ কামাল,
কপিরাইট © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত