1. info@www.dailybdcrimetimes.com : দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস.কম :
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ন
Title :
কালিয়াকৈরের মাটি ও মানুষের নেতা সাইজুদ্দিন আহমেদ: গরিব-অসহায় মানুষের সেবায় নিবেদিত এক মানবিক মুখ গাজীপুরের শ্রীপুরে নেসলে কারখানায় শ্রমিক সরবরাহ নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১০ পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবে অনুষ্ঠিত হলো আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল নীলফামারীতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে নিম্নমানের লাচ্ছা সেমাই অভিযানেও থামছে না অনুমোদনহীন লাচ্ছা উৎপাদন মালিক সমিতির চাঁদা দাবী,প্রতিবাদে সিএনজি চালকরা! পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় মাদকের সাম্রাজ্য: হাত বাড়ালেই মাদক ও নারী, ব্ল্যাকমেইলে আদায় হচ্ছে বিপুল অর্থ গাজীপুরে অফিস ভাঙচুরের নতুন রহস্য: নিজেকে বাঁচাতে বিভিন্ন কৌশলের অভিযোগ কোনাবাড়ী থানা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বিরল ‘ক্যারোলি সিনড্রোমে’ আক্রান্ত নীলফামারীর সিরাতুলের বাঁচার আকুতি সাকো (এন জি ও‌) এর নির্বাহী পরিচালক জোহুরুল ‘জহুরুল’ জহির গ্রেফতার

সুন্দরগঞ্জে নিলাম ছাড়াই সরকারি ব্রিজ উধাও; ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে লুটের অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২৪২ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে একটি পুরাতন লোহার ব্রিজ নিলাম ছাড়াই খুলে নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ৮নং ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মকলেছুর রহমানের বিরুদ্ধে। উপজেলার রাজিবপুর গ্রামে এলজিইডি (LGED) কর্তৃক নির্মিত এই ব্রিজটি দিনের আলোতেই শ্রমিক দিয়ে সরিয়ে ফেলা হয় বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের রাজিবপুর এলাকায় জনগুরুত্বপূর্ণ একটি পুরাতন লোহার ব্রিজ দীর্ঘদিন ধরে সেখানে ছিল। অভিযোগ রয়েছে, কোনো প্রকার দরপত্র আহ্বান বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই ইউপি চেয়ারম্যান মকলেছুর রহমান তার নিজস্ব লোক ও শ্রমিক লাগিয়ে ব্রিজটির লোহার এঙ্গেল ও অন্যান্য মূল্যবান মালামাল খুলে ফেলেন। সরকারি সম্পদ এভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে ব্যক্তিগত সম্পদ হিসেবে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, এলজিইডি-র কোনো পুরাতন কাঠামো অপসারণ করতে হলে তা প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করার বিধান রয়েছে, যার অর্থ সরাসরি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হয়। কিন্তু এই ক্ষেত্রে কোনো নিয়মের তোয়াক্কা না করায় এটি সরাসরি ‘রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাট’ হিসেবে গণ্য হচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি বিষয়টিকে হালকাভাবে এড়িয়ে যান। তবে স্থানীয় উপজেলা প্রকৌশলী অফিস সূত্রে জানা গেছে, ব্রিজটি নিলামের কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই এবং এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজিবপুর গ্রামের সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—জনপ্রতিনিধি হয়েও কিভাবে চেয়ারম্যান সরকারি সম্পদ এভাবে নিজের কবজায় নিতে পারেন? তারা এই লুটপাটের সুষ্ঠু তদন্ত এবং আত্মসাৎকৃত মালামাল উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved