নিজস্ব প্রতিবেদক:
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার উত্তর লস্করচালা গ্রামের এক নির্জন বাঁশঝাড়ের নিচে এখন গড়ে উঠেছে এক মর্মস্পর্শী জীবনের গল্প। মাত্র ১৯ দিন আগে স্বামীকে হারিয়েছেন সোনিয়া বেগম। প্রিয় মানুষটিকে হারানোর শোক এখনও কাটেনি, এর মধ্যেই নেমে এসেছে আরেক নির্মম বাস্তবতা—শ্বশুরবাড়িতে আর জায়গা হয়নি তার।
শেষ পর্যন্ত স্বামীর কবরের পাশেই ঠাঁই নিয়েছেন তিনি। ছোট্ট সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে, এক টুকরো আকাশ আর চারপাশের নীরবতাকেই এখন আঁকড়ে ধরে বেঁচে আছেন সোনিয়া। যে জায়গাটি একসময় ছিল নিস্তব্ধ জঙ্গলঘেরা বাঁশঝাড়, সেটিই আজ তাদের শেষ আশ্রয়স্থল।
দিনের আলো ফুরিয়ে রাত নামলে আরও গভীর হয় এই নিঃসঙ্গতা। চারদিকে অন্ধকার নেমে আসে, নেই বিদ্যুৎ, নেই নিরাপত্তা। একটি মোমবাতির ক্ষীণ আলোয় মা-মেয়ে বসে থাকেন, আর নীরবে গড়িয়ে পড়ে চোখের পানি। স্বামীর কবরের দিকে তাকিয়ে কাটে তাদের প্রতিটি মুহূর্ত—কখনো স্মৃতির ভারে, কখনো ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তায়।
স্থানীয়দের মতে, এমন মানবিক বিপর্যয়ের মুখে একজন অসহায় নারী ও তার সন্তানের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি। সোনিয়া বেগমের এই করুণ জীবনসংগ্রাম যেন সমাজের বিবেককে নাড়া দেয়—এই প্রত্যাশা সবার।
একদিকে স্বামীর শোক, অন্যদিকে মাথা গোঁজার ঠাঁইহীন জীবন—সব মিলিয়ে প্রতিটি দিনই যেন সোনিয়ার জন্য নতুন এক সংগ্রামের নাম। তবুও সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে বেঁচে থাকার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি—নীরবে, নিঃশব্দে
সম্পাদক ও প্রকাশক : ইসমাইল হোসেন সৌরভ,
নির্বাহী সম্পাদক:মো:শাহাবুদ্দিন খান
বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ শাহ্ কামাল,
কপিরাইট © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত