মোঃ-রিয়াজ উদ্দিন হেলাল,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:
বরগুনা আমতলীতে চাদাঁবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়ায় উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো:জালাল উদ্দিন ফকির কে নিয়ে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অপপ্রচারে সক্রিয় কতিপয় চাঁদাবাজি সিন্ডিকেট।
শনিবার( ৯মে) সকাল এগারোটায় জেলা পরিষদের ঢাক বাংলোয় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগ করেন সিএনজি চালকদের পক্ষে মোঃ আমিরুল ইসলাম।
লিখিত অভিযোগে জানা যায়,গত ০৭-০৫-২০২৬খ্রি. রোজ বৃহস্পতিবার, মোঃ তরিকুল ইসলাম সোহাগ ও মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু শ্রমিকদলের পরিচয়ে আমতলী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোঃ জালাল উদ্দিন ফকিরের নামে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মনগড়া, মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। কতিপয় কুচক্রী মহল তার মানহানি করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আমরা সিএনজি চালকবৃন্দ এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু পতিত ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের অন্যতম দোসর মোঃ খোকন মৃধার বিশেষ সহযোগী ছিলেন। তৎকালীন আওয়ামী শাসনামলে মাহিন্দ্র স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজির সিন্ডিকেটের একক আধিপত্য নিয়ন্ত্রণ করতেন। তার ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে ৫ আগস্টের পর কতিপয় নেতার ছত্রছায়ায় ভোল পাল্টে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জালাল উদ্দিন ফকিরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে যা দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে। মূলত জালাল উদ্দিন ফকির যখন সকল চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন, ঠিক তখনই তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের বীজ বপণ করা হয় বিভিন্ন মাধ্যমে। মো: জালাল উদ্দিন ফকির, কোন শালিসীতে আর্থিক বানিজ্যে করেছে বিগত ৪০ বছরে এমন কোন ঘটনার সত্যতা নেই। তার বিরুদ্ধে যে শালিসী বানিজ্যের অভিযোগ আনা হয়েছে তাহা সম্পূর্ন মিথ্যা বানোয়াট ও ভীত্তিহীন।
তিনি আরোও উল্লেখ করেছেন যে, গত ০২ মার্চ ২০২৬, আমতলী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জনাব মো: জালাল উদ্দিন ফকির ও সাবেক সদস্য সচিব জনাব মো: তুহিন মৃধা এবং বরগুনা ১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মো: মাও: অলিউল্লাহর মহোদয়ের উদ্যোগে আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেনের মাধ্যমে সিএনজি-মাহেন্দ্রো, অটো রিকশা মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ মোঃ সোহাগ মিয়া ও শ্রমিক ইউনিয়নের রাহাত ফকিরসহ উভয়পক্ষের উপস্থিতিতে কোনো চাঁদাবাজি হবে না মর্মে লিখিতভাবে ঘোষণা দেয়া হয়। পরবর্তীতে ০৫ মে ২০২৬খ্রি. মঙ্গলবার মোঃ মিল্টন ও তার কতিপয় সহযোগী মালিক সমিতির নেতা দাবী করে আমাদের সিএনজি চালকদের কাছ থেকে প্রতি মাসে মাশোয়ারা বাবদ ২ হাজার ৫শত টাকা এবং দৈনিক ২০ টাকা, গাড়ী প্রতি সদস্য কার্ড বাবদ ৫ শত টাকা হারে চাঁদা দাবী করেন। যা পূর্বের লিখিত ঘোষণার বিরোধী। বিষয়টি পুলিশ জানতে পেরে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে মিল্টন ও তার সহযোগীসহ হাতেনাতে আটক করে থানায় নিয়ে আসে এবং পরবর্তীতে চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে জেলহাজতে প্রেরণ করে। এই বিষয়টি আড়াল করে ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার হীন উদ্দেশ্যে বিএনপি নেতা জনাব মো: জালাল ফকিরকে জড়িয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হয়। এ সকল অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি । এছাড়া সাংবাদিকবৃন্দদের উক্ত প্রকৃত ঘটনা সংবাদে প্রকাশ করার জন্য অনুরোধ ও জানান।
এ সময় অটো,মাহিন্দ্র,সিএনজির প্রায় অর্ধ শতাধিক চালক উপস্থিত ছিলেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক : ইসমাইল হোসেন সৌরভ,
নির্বাহী সম্পাদক:মো:শাহাবুদ্দিন খান
বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ শাহ্ কামাল,
কপিরাইট © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত