নিজস্ব প্রতিবেদক:
২০১৫ সালের শুরুর দিকে মিশ্র ঘরানার একটি পুরনো টেলিভিশন চ্যানেলের একজন নারী প্রেজেন্টার নতুন একটি নিউজ চ্যানেলে যোগদানের অফার পান।
তবে পুরনো টিভি মালিক 'শ' আদ্যক্ষরের ওই প্রেজেন্টারকে কোনভাবেই ছাড়তে রাজি হননি। বরং নতুন স্টেশনটি যাতে প্রেজেন্টারের নিয়োগপত্র প্রত্যাহার করে সেজন্য মালিকপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ ও চাপ প্রয়োগ করেন।
যদিও নিউজ চ্যানেল কতৃপক্ষ চাপ সামলে নিয়োগ বহাল রাখেন, সংবাদ পাঠ করেন ওই প্রেজেন্টার। জনপ্রিয়তা পায় টেলিভিশন ও পরিচিতি পান প্রেজেন্টার।
দুর্ভাগ্য নারী প্রেজেন্টার আটকে রাখা মালিক নিজেই বাংলাদেশের সম্রাজ্ঞীর ফাঁদে পড়েন। সে পুরনো কথা। জুলাই গণআন্দোলনের পর আবারও টেলিভিশন মালিকদের সংগঠনে 'অ্যাটকো' নেতা হিসেবে একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করছেন নারী প্রেজেন্টার হারানো সেই টেলিভিশন চ্যানেল মালিক।
এবার পছন্দের নারী প্রেজেন্টারদের নিজের কাছে আটকে রাখার ফন্দিতে অ্যাটকো'কে ব্যবহার করে 'অনাপত্তিপত্র' নামক ন্যাক্কারজনকভাবে পুরো টেলিভিশন সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক, উপস্থাপক/প্রেজেন্টার, কলাকৌশলীদের 'জিম্মি' রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
এতে কোন সাংবাদিক চাইলেই বর্তমান কর্মস্থলের অনাপত্তিপত্র ছাড়া অন্য চ্যানেলে যোগদান করতে পারবে না। মানে বর্তমান কর্মস্থল চাইলেই বেতন আটকে রাখা সহ দাসী হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে। প্রতিবাদ করলে অনাপত্তিপত্র জিম্মি। সর্বশেষ পন্থা বাংলাদেশের টেলিভিশনগুলোতেই কাজ না করা।
অভিযোগ রয়েছে, মিশ্র ঘরানার (সংবাদ ও অনুষ্ঠান) ওই টেলিভিশনটিতে যত নারী প্রেজেন্টার নিয়োগ দেয়া হয়, তাদের সবই মালিকের পছন্দসই। তাদের মধ্যে থেকে কাউকে বিয়ে, কারও...।
ওই মালিকের চতুর্থ স্ত্রী একই টেলিভিশনের প্রেজেন্টার ছিলেন, তার বড় বোন একই স্টেশনের প্রেজেন্টার ছিলেন।
তবে বিয়ে আর... যাই ওই মালিকের প্রেজেন্টার ধরে রাখার ফন্দিতে আটকে যায় প্রায় ৪০টি টেলিভিশন। স্যোশাল মিডিয়ায় ঝড় তোলে। সর্বশেষ অ্যাটকো ওই কালো সিদ্ধান্তটি প্রত্যাহার করেছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : ইসমাইল হোসেন সৌরভ,
নির্বাহী সম্পাদক:মো:শাহাবুদ্দিন খান
বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ শাহ্ কামাল,
কপিরাইট © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত