মাসুদ রানা,পলাশবাড়ী গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধা সদর উপজেলায় জমি-জমা সংক্রান্ত জেরে গাছ কর্তন এবং গাছের আমপাড়াকে কেন্দ্র করে মারপিটসহ জখমের অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে থানায় একটি এজাহার দাখিল করা হয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধা সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের বড় মহানন্দপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মমিনের ছেলে মফিজুল ইসলাম ও তার জ্যাঠাতো বোন মাহফুজা ইসলামের তপশিল বর্ণিত জমি যার জেএল-৫৩, বিআরএস খতিয়ান-৩০৭, দাগ-৩৩৫, জমি ১৩ শতাংশ এবং বিআরএস খতিয়ান-৩০৫, দাগ-৩৩৫, জমি ১৩ শতাংশ পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত। উক্ত জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা রয়েছে। মফিজুল নিজ জমিসহ জ্যাঠাতো বোনের জমির অংশ আদিয়াল হিসেবে দেখাশুনা করে আসিতেছেন। উক্ত জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বাদী মফিজুরের সাথে বিবাদী জাহাঙ্গীর গংদের দীর্ঘদিন যাবৎ শত্রুতাসহ মনোমালিন্য চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৬ জুন বিকেলে ৪টার দিকে তপশীল বর্ণিত জমিতে জাহাঙ্গীর আলম, জাকির মিয়া, আল আমিন, সোহরাব মিয়া, রাদিত মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জন সংঘবদ্ধ হয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় অনধিকার প্রবেশ করে গাছ কর্তনসহ আম পাড়া শুরু করে। ওই সময় বাদী মফিজুলের ভাতিজা আসাদুজ্জামান, ভাতিজা বউ শিল্পী বেগম, মেয়ে বেনু বেগম আগাইয়া গিয়ে বাধা দিলে বিবাদী জাহাঙ্গীরের হুকুমে অন্যান্য বিবাদীরা তাদেরকে এলোপাথারী মারপিট করিয়া শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখমসহ গুরুতর হাড়কাটা রক্তাক্ত জখম করে। বিবাদীদ্বয় মফিজুলের উপর আক্রমণ চালিয়ে তাকেও এলোপাথারী মারপিট করিয়া ফুলা জখম করে। এসময় অপর ভাতিজা হাসানুজ্জামানসহ অন্যান্যরা আসাদুজ্জামানকে উদ্ধার করে প্রথমে পলাশবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরবর্তীতে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অপরদিকে; আমার মেয়ে ও ভাতিজা বউকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। বর্তমানে জখমীরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ব্যাপারে মফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে জাহাঙ্গীর আলমসহ এজাহার নামীয় ৪ জন এবং অজ্ঞাতনাম ৩/৪ জনকে আসামী করে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি এজাহার দাখিল করেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এজাহার নামীয় মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে। বাদীপক্ষ উপরোক্ত বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিবাদী পক্ষদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানান।
সম্পাদক ও প্রকাশক : ইসমাইল হোসেন সৌরভ,
নির্বাহী সম্পাদক:মো:শাহাবুদ্দিন খান
বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ শাহ্ কামাল,
কপিরাইট © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত