বিশেষ প্রতিনিধি, গিয়াস উদ্দিন আহমেদ রানা
গাজীপুরের বহুল আলোচিত সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। ৭ ই আগষ্ট ২০২৬ খ্রী: এক বছর পুর্ন হতে যাচ্ছে। ৭ আগষ্ট তুহিন হত্যা দিবস উপলক্ষে
সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন সহ সারাদেশে সাংবাদিক হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ ৭ই আগষ্ট শুক্রবার সকাল ১০ টায় গাজীপুর চৌরাস্তা তুহিন চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি আহমেদ আবু জাফর। 
এবং বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাবেশে গাজীপুরসহ সারাদেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে সাংবাদিকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। সাংবাদিক হত্যার বিচার না পাওয়া পর্যন্ত সারা দেশে প্রতিবাদ সভা অব্যাহত থাকবেন এবং কি খুনিদের অতি দ্রুত ফাঁসির কাস্টে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। এবং কি দিনের পর দিন খুন ছিনতাই ধর্ষণ বেড়েই চলছে এদেশের আইনকে এখনো যদি মজবুত করা না হয় তাহলে হয়তো এ দেশের খুন ছিনতাই ধর্ষণ লুটপাট বেড়েই যাবেন বলে মনে করছেন এদেশের সাধারণ জনতা । এবং দেশের সাধারণ জনগণ মন্তব্য করেন আসাদুজ্জামান তুহিন কে যারা হত্যা করেছেন সেই খুনিরা জেলখানায় ভালো সুবিধা পাচ্ছেন এবং ভালোমন্দ খেয়ে তাদের শরীরের গঠন ভালো করেছেন এ দেশের আইন খুনিদের ভালো-মন্দ খাওয়ার ব্যবস্থা করে রেখেছেন তাই তো খুনিরা জেলখানার ভিতরে সব ধরনের নেশা পেয়ে থাকেন তারা আরো বলেন খুনি কেটু মিজান কে বাহির থেকে ভালো সাপোর্ট দিচ্ছেন এদেশের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরা তারা আরো বলেন কেটু মিজান সাংবাদিকদের সামনে দাঁড়িয়ে যেভাবে কথা বলেন তাতে মনে হয় অতি শীঘ্রই কেটু মিজান জেল থেকে বের হয়ে যাবেন কারণ এদেশের খুনিদের বিচার খুব কমই হয় এবং তারা জেলখানাকে মনে করেন তাদের নিজের বাড়ি ঘর তাই তারা খুব আনন্দের সাথে থাকেন। এছাড়া মূল্যবান বক্তব্য রাখেন বাসন মেট্রো প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ সাজ্জাকুল ইসলাম রাজ্জাক তিনি বলেন সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে যারা নৃশংসভাবে হত্যা করেছে তাদেরকে জেল হাজতে জামাই আদরে রাখা হয়েছে এবং কি তিনি আরো বলেন কেটু মিজান কে যখন আইনের আওতায় আনা হয় তখন তাহার চেহারা দেখতে অমানুষের মতন লাগছিল কিন্তু এখন তার শরীরের গঠন দেখে মনে হয় তাকে জামাই আদরে রাখা হয়েছে এবং কি এদেশের জেলখানায় বাহির থেকে আসামিদের জন্য ভালো মন্দ খাওয়া দাওয়া দেওয়ার ব্যবস্থা রাখছেন এদেশের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরা। তিনি আরো বলেন তারা মনে করেন কেটু মিজান রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দদের একটি হাতিয়ার যার কারণে কেটু মিজান কে এখনো ফাঁসির রায় শোনানো হচ্ছে না। তিনি আরো বলেন আমরা সারা বাংলাদেশের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে আসাদুজ্জামান তুহিনের হত্যাকারীদের ফাঁসি না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন ও মানববন্ধন চলবে। 
তিনি বলেন জাতির বিবেক ও জাতির চেতনা জাগ্রত যারা করে থাকেন তাদের হত্যাকারীদের যদি বিচার না হয় তাহলে এদেশের অসহায় সাধারণ জনগণদের বিচার কিভাবে পাবেন তাই তিনি বলেন কেটু মিজান কে অতি দ্রুত ফাঁসি দিয়ে মৃত্যু কার্যকর করার আহ্বান জানান। আরো বক্তব্য দেন দৈনিক ভোরের আলো পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও বাসন মেট্রো প্রেস ক্লাবের সহ সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল তিনি জাতির উদ্দেশ্যে বলেন যারা জাতির চেতনা ও জাতির বিবেককে জাগ্রত করেন তারাই জাতির দর্পণ ও জাতির আয়না এই আয়না যখন এদেশে জাতি দেখেন তখন জাতির বিবেক জাগ্রত হন সেই জাতির উদ্দেশ্যে বলছি যারা সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে হত্যা করেছে তাদের ফাঁসি দেওয়ার আহবান জানিয়ে সারাদেশের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকেও জানিয়ে দিচ্ছি কেটু মিজানকে যারা সহায়তা প্রদান করিতেছেন অতি শীগ্রই তাদের মুখোশ জাতির সামনে তুলে ধরা হবে একজন খুনিকে ও জাতির শত্রুকে যারা সহায়তা করতেছেন তাদের উদ্দেশ্যে একটি কথাই বলবো একদিন এই দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার রাস্তা খুঁজেও পাবেন না। কারণ জাতির চেতনা ও জাতির বিবেক একবার জাগ্রত হলে দাবানলের মতন দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতেই থাকবে সেই আগুন থেকে নিস্তার পাবেন না খুনিদের যারা সহায়তা করছেন তাদেরকেও পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়া হবে তাই বলতে চাই জাতির বিবেককে নাড়া দিবেন না। আর কেটু মিজান কে সহায়তা করার চিন্তা মাথায় আনবেন না। আমরা এদেশে বিবেক ও জাতির দর্পণ।।
সম্পাদক ও প্রকাশক : ইসমাইল হোসেন সৌরভ,
নির্বাহী সম্পাদক:মো:শাহাবুদ্দিন খান
বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ শাহ্ কামাল,
কপিরাইট © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত