বিশেষ প্রতিনিধি, গিয়াস উদ্দিন আহমেদ রানা
গাজীপুরের দিনের পর দিন চলছে অবৈধভাবে ব্রয়লার মুরগির ব্যবসা যার কোন বৈধ কাগজপত্র নেই বললেই চলে । কাশিমপুর সারদাগঞ্জ ইউনাইটেড ফুট রোড, ট্রেড এগ্ৰোটেক্স লিমিটেড ব্রয়লার মুরগির ফার্ম এর মালিক ও ম্যানেজার চুরি করছেন তার একটি প্রতিফলন ঘটেছে গাজীপুর চান্দনা চৌরাস্তার কাঁচা বাজারের দোকান নাফিয়া আফিয়া ব্রয়লার হাউস পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ী মোঃ নাজমুল খান এর উপর গত ২৪/০৮/২০২৫ইং তারিখে ট্রেড এগ্ৰোটেক্স লিমিটেড থেকে ২০০০ কেজি ব্রয়লার মুরগি ক্রয় করেন নগত অর্থ দিয়ে নাফিয়া আফিয়া ব্রয়লার হাউজের ম্যানেজার সুমন মিয়া উক্ত ২০০০ কেজি ব্রয়লার মুরগি ক্রয় করে নিজস্ব প্রতিষ্ঠানে আসিয়া মালিক মোঃ নাজমুল খান ও ম্যানেজার সুমন মিয়া ওজন করিলে ২০০০ কেজি মুরগি হইতে ১৫০ কেজি মুরগি কম হওয়াতে প্রতিষ্ঠানের মালিক মোঃ নাজমুল খান ম্যানেজার সুমন মিয়াকে প্রশ্ন করলে ১৫০ কেজি মুরগি কম কেন তখন ম্যানেজার সুমন মিয়া বলে আমাকে যেভাবে মুরগি মাপঝোব করিয়া দিয়েছেন আমি তো সেভাবেই তো আমাদের প্রতিষ্ঠানে নিয়ে আসছি তখন প্রতিষ্ঠানের মালিক মোঃ নাজমুল খান পরের দিন ২৫/০৮/২০২৫ ইং তারিখে ট্রেড এগ্ৰোটেক্স লিমিটেড এর ম্যানেজারের কাজ হইতে ৪০০০ কেজি ব্রয়লার মুরগি ক্রয় করেন এবং ৫০০ কেজি মুরগি মাপ ঝোব হইলে দেখতে পায় ট্রেড এগ্ৰোটেক্স লিমিটেড এর ম্যানেজার ইচ্ছাকৃতভাবে মাপ ঝোপে দুর্নীতি করছেন তখনই মোঃ নাজমুল খান ম্যানেজারকে থামিয়ে বলেন এই ৫০০ কেজি মুরগি আবার মাপ দিন এই কথা বলার সাথে সাথে ট্রেড এগ্ৰোটেক্স লিমিটেড এর ম্যানেজার মোঃ নাজমুল খান এর উপর ক্ষিপ্ত হইয়া ধাক্কা মারে মোঃ নাজমুল খান মাটিতে পইড়া যায় তখন সাথে থাকা ডাইভারও ম্যানেজার নাজমুলকে মাটি থেকে তুলিয়া ম্যানেজারের সাথে তর্কে জড়াইয়া যান ট্রেড এগ্ৰোটেক্স লিমিটেড এর ম্যানেজার ক্ষিপ্ত হইয়া ফোন করিয়া গাজীপুর মহানগরের ৫ নং ওয়ার্ডের যুবদলের সভাপতি শাহাদাত সরকারকে তাদের কোম্পানিতে ডাকিয়ে আনেন ৫ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি শাহাদাত সরকার আসিয়া কারো মুখে কিছু না শুনিয়া মোঃ নাজমুল খান এর উপর ক্ষিপ্ত হইয়া লাঠি সোটা ও দাঁড়ালো অস্ত্র দিয়া মার ধর করতে থাকেন এক পর্যায়ে নাফিয়া আফিয়া ব্রয়লার হাউজের মালিক নাজমুল খানকে মেরে রক্তাক্ত করে ফেলেন এক পর্যায়ে নাজমুল খান জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন ওই সময় নাফিয়া আফিয়া ব্রয়লার হাউজে ম্যানেজার সুমন মিয়া ঐখান থেকে পালিয়ে আসেন এবং ৯৯৯ ফোন দিয়ে পুলিশের সহায়তা চান তখন কাশেমপুর থানা পুলিশ ঘটনার স্থলে উপস্থিত হন এবং মোঃ নাজমুল খানকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে পরবর্তীতে থানা পুলিশ দ্রুত চিকিৎসার জন্য শহীদ তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে জানা যায় শহীদ তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হসপিটালের চিকিৎসকের চিকিৎসায় কিছুটা সুস্থ হলে নাফিয়া আফিয়া ব্রয়লার হাউজের মালিক মোঃ নাজমুল খান বলেন আমার টাকার ব্যাগ কোথায় তখন নাফি আফিয়া ব্রয়লার হাউজের ম্যানেজার সুমন মিয়া বলেন আমরা শুধু আপনাকে উদ্ধার করতে পেরেছি পরবর্তীতে মোঃ নাজমুল খান গণমাধ্যম কর্মীকে ফোন করে সমস্ত ঘটনা খুলে বলেন এবং আমাদের গণমাধ্যম কর্মী শহীদ তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হসপিটালে পৌঁছে তাহার বক্তব্য নেন এবং তাহাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন আমার সাথে থাকা ২০ লক্ষ টাকার অধিক একটি ব্যাগ ও দুটি সোনার আংটি ও একটি স্মার্টফোন আমাকে মারধর করে কাড়িয়া নেয়।।।।
আবার আসছে দ্বিতীয় পর্ব