শরিফা বেগম শিউলী,স্টাফ রিপোর্টার রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় দীর্ঘ ৩০ বছরধরে ব্যবহৃত চলাচলের রাস্তা জোরপূর্বক বন্ধকরে দিয়ে গাছ লাগিয়ে, গোবরের পানি ছেড়ে চলাচলে বিঘ্ন ঘটানোর প্রতিবাদ করায় প্রতিবেশীদের ওপর হামলা, গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পীরগাছা উপজেলার পারুল ইউনিয়নের দেউতি গ্রামের মোছাঃ নীলুফা আক্তার (৪৩) বাদী হয়ে একই এলাকার সাতজন বিবাদীর বিরুদ্ধে পীরগাছা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দেউতি গ্রামের মোছাঃ নীলুফা আক্তার ও তার পরিবারের লোকজন ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি জমার যাতায়াতের জন্য প্রায় ৩০ বছর ধরে প্রতিবেশীদের বাড়ির পেছনের একটি রাস্তা ব্যবহার করে আসছিলেন। বিবাদীগণ সম্পর্কে বাদীর জ্যাঠাতো ভাই ও ভাতিজা।দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের এই রাস্তাটি নিয়ে বিবাদীদের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছিল।অভিযোগ রয়েছে, বিবাদীগণ জোরপূর্বক রাস্তাটি বন্ধ করার চেষ্টা চালায় এবং রাস্তায় গরুর প্রস্রাবের পানি ছেড়ে চলাচল বিঘ্নিত করে আসছিল। সর্বশেষ গত ২১ অক্টোবর ২০২৬ (বুধবার) দুপুরে বিবাদীগণ লাঠি-সোঠা, দা, কুড়াল, ছোরা ও বাঁশের খুঁটি নিয়ে উক্ত রাস্তায় নেমে মাটি খনন করে ও বাঁশের খুঁটি পুঁতে রাস্তাটি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়। এ সময় নীলুফা আক্তার, তার বৃদ্ধ ও অসুস্থ বাবা-মা এবং পরিবারের লোকজন বাধা দিলে বিবাদীগণ ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং মারপিট করার জন্য উদ্যত হয়। ভুক্তভোগীদের চিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দা মোছাঃ কহিনুর বেগম (২৮), মোছাঃ মাজেদা বেগম (৫০)-সহ আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে এগিয়ে এলে বিবাদীগণ বাড়িঘর উচ্ছেদ, ঘরবাড়িতে আগুন দেওয়া এবং হাত-পা ভেঙে ফেলাসহ প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে স্থান ত্যাগ করে। ভুক্তভোগী নীলুফা আক্তার জানান, “আমাদের চলাচলের বিকল্প কোনো রাস্তা নেই। আমার বাবা-মা অসুস্থ ব্যক্তি। রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় আমরা মারাত্মক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি এবং চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছি। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের পরামর্শে আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি।”
read more