
বিশেষ প্রতিনিধি মোঃ গিয়াস উদ্দিন আহমেদ রানা
গাজীপুর কাপাসিয়া উপজেলায় চরখিরাটি আব্দুল কবির ইসলামিয়া এতিমখানা ও মাদ্রাসার এতিমের টাকা আত্মসাৎ করেন। অত্র এতিমখানার কমিটির উপর অভিযোগ উঠে আসে। ঘটনাটি সত্যতা যাচাই করার জন্য আমাদের গণমাধ্যম কর্মী কাপাসিয়া উপজেলার সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন এর সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং চরখিরাটি আব্দুল কবির ইসলামিয়া এতিমখানা ও মাদ্রাসার ঘটনাটির ব্যাপারে অবগত করে চর খিরাটি আব্দুল কবীর এতিমখানা ও মাদ্রাসার তথ্য সংগ্রহ করেন। আমাদের গণমাধ্যম কর্মী অত্র চরখিরাটি গ্রামবাসিদের সাথে কথা বলে জানতে পারেন যে বিগত চার বছর ধরে এতিমখানা টি পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে আছেন গ্রামবাসীরা আরো জানান এই এতিমখানায় গ্রামের ছেলে মেয়েরা পড়াশোনা করতেন কিন্তু হঠাৎ করেই চার বছর আগে হইতে সকল ছাত্র-ছাত্রীদের বের করে দেন এবং কি গ্রামবাসী আরো জানান কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হইতে সকল সদস্য বিন্দু যারা আছেন সবাই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ছিলেন তাদের ভয়ে এই এতিমখানা নিয়ে আমরা কথা বলতে পারতাম না। তখন আমাদের গণতন্ত্র কর্মী চরখিরাটি আব্দুল কবির ইসলামিয়া এতিমখানা ও মাদ্রাসায় পরিদর্শন করেন এবং পরিদর্শন কালীন দেখা যায় একজন শিক্ষক ও চারজন ছাত্র দুইজন ছাত্রী আছে। তখন আমাদের গণমাধ্যম কর্মী ছাত্র-ছাত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা বলেন আমরা এই কয়জনই পড়ালেখা করি এবং শিক্ষকের সাথে কথা বলে জানতে পারি উনি এখানে বিগত অনেকদিন ধরে শিক্ষকতা করছেন তিনি বলেন আমার সাথে কথা না বলে প্রধান শিক্ষক জহিরুল ইসলামের সাথে কথা বলুন তখন এতিমখানায় থাকা শিক্ষক প্রধান শিক্ষককে ফোন করলে তিনি বলেন আমরা আপনাদের সাথে কোন কথা বলতে রাজি নয় যা বলার সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন এর সাথে বলুন তিনি সব জানেন। তখন আমাদের গণমাধ্যম কর্মী মুঠোফোনে সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিনের সাথে কথা বলে জানতে পারি এই এতিমখানায় মাস খানিক আগে পরিদর্শন করেছেন। তখন আমাদের গণমাধ্যম কর্মী সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন কে জিজ্ঞাসা করলেন চার বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন এই এতিমখানা টি তখন তিনি উত্তরে বলেন আমি তো এ ব্যাপারে কিছুই জানিনা তিনি আরো বলেন প্রয়োজনে আমি আবার পরিদর্শন করবোপ
কাউকে কিছু না জানিয়ে। তখন আমাদের গণমাধ্যম কর্মী এতিমখানায় থাকা শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি বলেন আমাদের এতিমখানার কমিটির সদস্য বিএনপি নেতা আশিক ভাইয়ের সাথে কথা বলতে পারেন তখন আমাদের গণমাধ্যম কর্মী মুঠো ফোনে এতিমখানা কমিটির সদস্য আশিক ভাইয়ের সাথে কথা বললে তিনি রাগান্বিত হয়ে বলেন আমরা যা মন চায় তাই করতে পারেন তাছাড়া আপনারা যে আসবেন তা আমাদের সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন সাহেব জানিয়েছেন তিনি আরো বলেন আপনাদের আমাদের এতিমখানা নিয়ে কোন বিষয়ে কথা বলবেন না তখন আমাদের গণমাধ্যম কর্মী জিজ্ঞাসা করেন বাংলাদেশ সরকার থেকে ২২ জন এতিমের অনুদান আসেন প্রতিমাসে ৪৪ হাজার টাকা বছরে দুটি কিস্তি মাধ্যমে টাকা গুলি আপনারা উত্তোলন করেন প্রথম কিস্তি জুলাই মাসে ২ লক্ষ ৬৪ হাজার টাকা ও দ্বিতীয় কিস্তি ডিসেম্বর মাসের শেষে ২ লক্ষ ৬৪ হাজার টাকা বছরে মোট ৫ লক্ষ ২৮ হাজার টাকা যেই টাকা এতিম অসহায় ছাত্র-ছাত্রীদের দেওয়া হয় নাকি আপনাদের স্বাচ্ছন্দের জন্য দেওয়া হয়। তখন এতিমখানার কমিটির সদস্য আশিক সাহেব বলেন এ ব্যাপারে আপনাদের মাথা ব্যাথা কেন আমরা বাংলাদেশ সরকার থেকে যে অনুদান পাই তা দিয়ে আমরা খাব না বাচ্চাদের খাওয়াবো সেটা আমরা বুঝবো আপনারা এ বিষয়ে নাক না গোলালে ভালো হয় এই বলে তিনি ফোনটি কেটে দেন। তখন আমাদের গণমাধ্যম কর্মী আরো জানার জন্য গ্রামবাসী ও প্রধান শিক্ষক জহিরুল ইসলামের সাথে কথা বলে জানতে পারেন বাংলাদেশ সরকার থেকে যেই অর্থ আসেন তার একটি ভাগ সরকারি তহবিলে দিতে হয় সেই তহবিলের নাম জিজ্ঞাসা করলে তিনি রাগান্বিত হইয়া চলিয়া যান এবং তাহাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি রাগান্বিত হইয়া অন্যথায় চলে যাইতে থাকেন তাহাকে ডাকলেও তিনি না শোনার ভান করে চলিয়া যান। তখন আমাদের গণমাধ্যম কর্মী চরখিরাটি গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সাথে কথা বলে আরও জানতে পারেন তারা বিগত আওয়ামী লীগের আমলে এতিম অসহায় বাচ্চাদের সাথে নির্মমভাবে অন্যায় অত্যাচার করিয়া আসতেছেন এ যেন এক মগের মুল্লুক হয়ে দাঁড়িয়েছেন এখন আবার তারা বিএনপিতে নাম দিয়ে একই কাজ করে আসিতেছেন তারা আরো বলেন আপনারা সাংবাদিক জাতির বিবেক ও জাতির দর্পণ এদের ব্যাপারে কিছু একটা করুন তা না হলে এদের মতন আরও কিছু অসাধু অর্থলোভী মানুষের জন্য একদিন হয়তো এতিম অসহায়দের পাশে দাঁড়াবার মতন আর কেউ থাকিবেন না আপনাদের বিবেক থেকে একটু এতিম অসহায়দের পাশে দাঁড়ান এ ব্যাপারে আমাদের গণমাধ্যম কর্মী গাজীপুর জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক এ টি এম তৌহিদুজ্জামান এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন প্রয়োজনে যে কোন আইনি পদক্ষেপ নিতে পারেন এ ব্যাপারে আমরা আপনাদের সহায়তা করিব যারা এতিমের টাকা আত্মসাৎ করে তাদের আইনের আওতায় আনা হোক ।। আবার আসছে দ্বিতীয় পর্ব