1. info@www.dailybdcrimetimes.com : দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস.কম :
শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:২৬ পূর্বাহ্ন
Title :
৩১০০ কোটি টাকার নির্বাচন! বরগুনায় আন্ত: জেলা ডাকাত চক্রের ০৩ ডাকাত গ্রেপ্তার, আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, আলামত উদ্ধার ও বাদির নিকট হস্তান্তর আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে বরগুনা জেলার সকল পদ-প্রাথীর সঙ্গে পুলিশ সুপার মহোদয়ের মতবিনিময় সভা ঢাকার ধামরাইয়ে ফসলি জমির মাটি কাটার অপরাধে ভেকু জব্দ সীমানা নির্ধারণ নিয়ে আদমদীঘিতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা বাউফলে দুধ দিয়ে গোসল করে বিএনপি ছেড়ে জামায়াতে যোগদান করলেন ৩ শতাধিক নেতাকর্মী! আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষ্যে সেনাসদরে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে গণভোটের প্রচার ও ভোটারদের উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষ্যে জেলা ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত ডা. তাসনিম জারার নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬ ঢাকা-২০ (ধামরাই) সংসদীয় আসনে ধানের শীষ প্রতীকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু

নিয়োগ ও সনদ জালিয়াতি করে ২১ বছর ধরে শিক্ষকতা করে বেতন ভাতা উত্তলন

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৪০০ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গাইবান্ধার ফুলছড়িতে কঞ্চি পাড়া ডিগ্রি কলেজে নিয়োগ ও সনদ জালিয়াতি করে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে দীর্ঘ ২১ বছর ধরে বেতনভাতা উত্তলন করার অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে।

ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ডিগ্রি কলেজের শিক্ষিকার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়,১৯৯৫ সালের এমপিও নীতিমালায় কম্পিউটার শিক্ষক পদে নিয়োগ বিধিমালায় জাতীয় বহুভাষী সাঁটলিপি প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমী (নট্রামস) অথবা শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান থেকে ৬ মাস মেয়াদি কম্পিউটার সনদ থাকা বাধ্যতামুলক থাকলেও অত্র কলেজের সহকারী অধ্যাপক তৌহিদা বেগমের নিয়োগের সময় কোন কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সনদ ছিল না।পরবর্তীতে তিনি একটি ভুয়া সনদ প্রদাণ করে ২১ বছর ধরে চাকরি করে আসছেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায়,কলেজের যুক্তিবিদ্যা বিভাগের প্রভাষক কামরুল লাইলা যার ইনডেক্স নং( ৩০৯৭৫৩৯)।২০১২ সালের ১১ ই ফেব্রুয়ারী NTRCA সিরিয়াল নং ৯২৫৪৯৯ রেজি নং ৩৪৬২৫৮/২০০৯ রোল নং ৪০৭১০২০৫ মুলে একটি সার্টিফিকেট প্রদানের মাধ্যমে নিয়োগ প্রাপ্ত আছেন।এ বিষয়ে নাম না বলার স্বার্থে কয়েকজন অফিস স্টাফ জানান,২০২০ সালে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কামরুল লাইলার সার্টিফিকেটটি জাল প্রমানিত করলেও অজানা অদৃশ্য শক্তির বলে তার বিরুদ্ধে কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি আজও।বর্তমানে তিনি ২০১৮ সালের জুন থেকে ৫১০৫২৩৪১৭৮৭৯৬ নং একাউন্ট সোনালী ব্যাংক জেলা গাইবান্ধা থানা ফুলছড়ি থেকে ৫ বছর ধরে বেতন ভাতা উত্তলন করে আসছেন।

জানা যায়, ৯ নভেম্বর ২০০৩ সালে কঞ্চিপাড়া ডিগ্রি কলেজে সাচিবিক বিদ্যা প্রভাষক(উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণী) পদে শাহনাজ বেগম সম্পা নিয়োগ প্রাপ্ত হন।যার ইনডেক্স নাম্বার ( ৩০০০৬৭১)।নিয়ম অনুযায়ী নিয়োগ পরিক্ষায় ন্যূনতম তিন জন পরীক্ষার্থীর অংশ গ্রহন করার কথা থাকলেও এ ক্ষেত্রে হয়েছে ভিন্ন। নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফলের সিএস কপিতে রয়েছে শুধু মাত্র দুজনের ফলাফল সীট।

আর এ নিয়োগে কলেজের রেজুলেশন খাতায় রয়েছে ফ্রুটকালির ঘষাঘষি।নিয়ম অনুযায়ী রেজুলেশন খাতায় অধ্যক্ষর সাক্ষর থাকার কথা থাকলেও রয়েছে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে শাহীনুর আলম,সহকারী অধ্যাপক,ফ্রিন্যান্স ও ব্যাংকিং এর সাক্ষর।আর তৎকালীন সভাপতির রেজুলেশন খাতায় ভিন্ন ভিন্ন ধরনের সাক্ষর থাকলেও তার সাক্ষরটি জাল করে নিয়োগ সম্পূর্ণ করার অভিযোগও রয়েছে।

যদিও এ নিয়োগটি তৎকালীন অধ্যক্ষ ঢাকায় ট্রেনিং শেষ করে কলেজে যোগদান করার পর নিয়োগ সম্পন্ন করার কথা থাকলেও তানা করে অত্যান্ত গোপনে তরিঘড়ি করে নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়।

বর্তমানে শাহানাজ বেগম সম্পা সাচিবিক বিদ্যা বিভাগে নিয়োগ প্রাপ্ত হলেও তিনি সহকারী অধ্যাপক হিসেবে উৎপাদন বিপনন ভিভাগের সমন্বয়ের রেজুলেশন না থাকলেও ৪২৪৯ নং একাউন্ট সোনালী ব্যাংক জেলা গাইবান্ধা থানা ফুলছড়ি থেকে বেতন ভাতা উত্তলন করে আসছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকদের বক্তব্য নেয়ার জন্য বার বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

উল্লেক্ষ সর্ব নিম্ন একটি বিভাগে ২৫ জন ছাত্র-ছাত্রী থাকার নিয়ম থাকলেও অত্র কলেজের বিজ্ঞান বিভাগে রয়েছে ১৬ জন।কাম্য ছাত্র-ছাত্রী ও কাম্য ফলাফল না থাকার পরও দীর্ঘদিন যাবত ৪ জন সহকারি অধ্যাপক পদে থেকে বেতন ভাতা উত্তোলন করে আসছে। এ বছর কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাশ করেছে মাত্র ৩ জন।

এ বিষয়ে কঞ্চিপাড়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ এ টি এম রাশেদুজ্জামান বলেন,নিয়োগ সময়ে আমি ছিলাম না।নিয়োগ জালিয়াতি ও জাল সনদের বিষয়ে আমি কিছু জানি না। যদি এমন কিছু হয়ে থাকে প্রতিষ্ঠানে যদি তদন্ত আসে তাহলে এ বিষয়য়ে তাদেরকে সহযোগিতা করা হবে।

এ বিষয়ে ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কঞ্চিপাড়া ডিগ্রি কলেজের সভাপতি আনিসুর রহমান
বলেন,নিয়োগের সময় আমি এখানে ছিলাম না।নিয়োগে অনিয়ম হলে এবং সনদ জাল হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved