1. info@www.dailybdcrimetimes.com : দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস.কম :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:১২ অপরাহ্ন
Title :
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর হাতে খড়ির শিক্ষক বরগুনার পাথরঘাটায় বাউফলে সেই সন্তানের স্বীকৃতির দাবিতে মা নিপার অনশন, ডিএনএ টেস্টে কবির হাওলাদারই বাবা! সরকার রাষ্ট্র চালাতে অযোগ্যতার প্রমাণ দিচ্ছে, কাজের কাজ হচ্ছে না, জামায়াত – এনসিপি মুখে মুখে একটি সরকারের বিদেশনির্ভর ভাবনা, চীন সফরও জাপান সফরের প্রতিশ্রুতি, তোলা দুধে কি পোলা বাঁচে ? আমতলীতে ডিবির অভিযানে ৪৭০০ পিস ইয়াবাসহ শ্বশুর-শাশুড়ি গ্রেফতার, জামাই পলাতক বরগুনায় চলন্ত অটো থেকে লাফ দিয়ে বখাটের হাত থেকে বাঁচলো দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী জলঢাকায় বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে ট্রলির সঙ্গে সংঘর্ষ, প্রাণ গেল শিক্ষিকার; গুরুতর আহত স্বামী আমতলীতে ইসলামী আন্দোলনের নেতার বিরুদ্ধে শতাধিক ফলজ গাছ কাটার অভিযোগ! পাইকগাছায় বিনা মূল্যে চক্ষু ক্যাম্প, চিকিৎসা পেলেন ৩৫০ জন সৈয়দপুরে একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম, আনন্দে পরিবার

বাউফলে কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা, নেপথ্যে কারা!

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ৪০৫ Time View

এম জাফরান হারুন::

পটুয়াখালীর বাউফলে ইতি দাস (২০) নামে এক কলেজ ছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। নিহত ইতি উপজেলার দাশপাড়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের দাশপাড়া গ্রামের নিরঞ্জন দাসের মেয়ে। সে বরিশাল বিএম কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিলো। সোমবার (৩রা ফেব্রুয়ারী) রাত ৯টার দিকে উপজেলার দাশপাড়া ইউনিয়নের দাশপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের পরিবার জানায়, সোমবার বেলা ১২টার দিকে ইতি দাস সরস্বতী পূজায় অঞ্জলীতে অংশ নিতে বাউফল সরকারি কলেজে যায়। সেখান থেকে অনিক নামের তার এক বন্ধুর সাথে পৌর শহরের পাবলিক মাঠ এলাকায় ঢাকাই ফাস্টফুড নামের একটি রেস্টুরেন্টে যায়। সেখানে একদল বখাটে তরুণ ইতি দাস ও তার বন্ধুকে জিম্মি করে লাঞ্চিত করে। ওই সময় হোটেলে বাউফল থানার এক পুলিশ অফিসারও ছিলেন বলে জানা গেছে। এক পর্যায়ে ওই বখাটে তরুণরা ইতি ও তার বন্ধুকে থানায় নিয়ে যায়। থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় ওই পুলিশ অফিসারও সাথে ছিলেন বলে একটি সূত্র জানান। সূত্র আরও জানায়, ইতি বা তার বন্ধুকে অফিসিয়ালি থানায় না নিয়ে থানা কমপ্লেক্সের মধ্যে একটি টোলঘরে অনেকক্ষণ বসিয়ে রাখা হয়েছিল।

এরপর বিকেল ৪টার দিকে ইতির বাবা নিরঞ্জন দাসকে একটি ফোনের মাধ্যমে ইতিকে থানা থেকে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলা হলে বাবা নিরঞ্জন দাস মেয়েকে থানা থেকে বাড়ি নিয়ে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, থানায় নেয়া এবং বখাটেদের লাঞ্চনার শিকার হওয়ার ঘটনায় সৃষ্ট আবেগে রাত ৯টার দিকে নিজ ঘরে সে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

নিহত ইতির বাবা নিরঞ্জন দাস জানান, একটি নম্বর থেকে ফোন করে তার মেয়েকে থানায় আটকে রাখার কথা জানানো হয়। পরে তিনি থানায় গিয়ে মেয়েকে বাড়ি নিয়ে যান। এতে লজ্জায় ইতি নিজের ঘরের দরজা বন্ধ করে গলায় ফাঁস দেয়। ঝুলন্ত অবস্থায় ইতিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তবে এ বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ দিবেন না বলে জানান ইতির বাবা।

এবিষয়ে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক মো. গোলাম মুস্তাহিদ জানান, হাসপাতালে আনার আগেই ইতির মৃত্যু হয়েছে। নিহতের গলায় ফাঁসের চিহৃ দেখা দেখা গেছে।

এবিষয়ে বাউফল থানার ওসি মো. কামাল হোসেন বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে ইতির পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved