1. info@www.dailybdcrimetimes.com : দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস.কম :
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০৯:০০ অপরাহ্ন
Title :
বিসিকের অসংতিপূর্ণ টেন্ডার কার্যক্রম! প্রকল্প পরিচালক হাফিজুর রহমান এর বুদ্ধিভিত্তিক অনাচার বরগুনার আমতলীতে বিশেষ অভিযানে ২ কেজি গাঁজাসহ দুই যুবক আটক বরগুনায় কৃষকের ১৪ লাখ টাকার পানের বর ধ্বংসের অভিযোগ, এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি! প্রধানমন্ত্রী বেরিয়ে দেখলেন রাস্তায় কুরবানির বর্জ্য, দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত কূটনৈতিক চাপে “ডোনাল্ড ট্রাম্প” কে দেয়া হচ্ছে না কুরবানী, রাখা হবে মিরপুর চিড়িয়াখানায় ! ধ*র্ষকদের বিরুদ্ধে বিন্দুমাত্র ছাড় নয়,গড়ে তুলতে হবে সামাজিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা – আরিফুর রহমান রাজধানীর মিরপুর কালশী বাউনিয়াবাদ বস্তিতে ভ/য়াবহ অ/গ্নি’কা’ণ্ড, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক গু*ম,খু*ন, ধ*র্ষন, মাদকাসক্ত ও স্পর্শ কাতর অন্যায় শূন্যের কোঠায় আনতে কঠোর হচ্ছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশু সন্তানের নিরাপত্তায় শটগান চেয়ে আবেদন বাবার! মাদকের ভয়াবহ আগ্রাসনে বিকৃত হচ্ছে মস্তিষ্ক, বাড়ছে খুন ও ধর্ষণ প্রবণতা !

“অমর একুশে ফেব্রুয়ারি”

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ১৯১ Time View

মুহাম্মদ ইমরান বিন অহেদ

মায়ের অনেক পীড়াপীড়িতে প্রায় এক যুগ পরে যেতেই হলো নানার বাসায়। গাড়িতে বসে ভাবলাম, অনেকদিন পরে নানার বাসায় যাচ্ছি। নানার সাথে কোন বিষয় নিয়ে আড্ডা দেয়া যায়? হঠাৎ মনে পড়ল আমার নানাতো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সৈনিক ছিলেন। এসব ভাবতে ভাবতে পৌঁছে গেলাম নানার বাসায় ।

বিকেল ৪.০০ টা বাজে। গাড়ি থেকে নামলাম। সবাই ঘর থেকে বের হয়ে অভ্যর্থনা জানাল। সবার সাথে আলাপ শেষ। বললাম, নানাজান কোথায়? উত্তরে বলা হল, তিনি প্রায় সময় ছাদে বসে থাকেন। সেখানেই আছেন হয়তো।

দেখলাম, ফুল বাগানে বসে শীতের পরম বন্ধু সূর্যের সাথে গল্প করছেন। আমাকে দেখেই মুসকি হেসে দাঁড়িয়ে গেলেন। দুষ্টুমি করে বললাম – হাউ আর ইউ ব্রো ? পরক্ষনেই মুখটা মলিন করে আবার বসে পড়লেন। ভাবলাম ব্রো বলায় মাইন্ড করেছে কিনা? কাছে গিয়ে দেখি চোখের কোণা থেকে কষ্টের পানি গড়িয়ে পড়ছে। ভীত সন্ত্রস্ত হয় জিজ্ঞেস করলাম, নানাজান! মাইন্ড করেছেন নাকি? বললেন না। তাহলে কাঁদছেন যে, দীর্ঘ একটি নিৎশ্বাস ফেলে বললেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের কথা খুব মনে পড়ছে। এ “যেন মেঘ না চাইতে বৃষ্টি”। আগ্রহীস্বরে বললাম, নানাজান! তখন কী ঘটেছিল? মনে চেপে রাখা কষ্টের কথাগুলো আমাকে শুনালেন। বললেন, আমরা বাংলা ভাষা কে মন থেকে ভালোবাসতাম। এজন্য আমরা পৃথিবীতে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছি। ভাষার জন্য প্রাণ উৎসর্গ করতে দ্বিধাবোধ করিনি। কিন্তু জীবন দিয়ে অর্জিত সেই মাতৃভাষা আজ অবহেলিত। বর্তমান সমাজে বাংলা ভাষার পরিবর্তে অন্য ভাষায় কথা বলাকে বেশি শিক্ষিত বা গৌরব মনে করা হয়। প্রকৃতপক্ষে এটাই যদি গৌরবের বিষয় হয়ে থাকে, তাহলে আমরা যে ৫২ তে মাতৃভাষার জন্য আন্দোলন করলাম, জীবন দিলাম, সেটা কি অযথা ছিল? এই সমাজে তার কি কোন মূল্য নেই? নানার হৃদয় স্পর্শী কথাগুলো হৃদয়ে দাগ কেটে গেল। মনের অজানতে চোখ থেকে গড়িয়ে পড়ল অশ্রু।

সত্যি বলতে আমরা কখনো বিষয়টি এড়িয়ে যেতে পারবো ? আমরা বাঙালী জাতি হিসেবে গর্ব করি। অথচ কাজে-কর্মে বাঙালি জাতিকে হেয় প্রতিপন্ন করে থাকি, অন্য জাতিকে অনুসরণ করার মাধ্যমে। বর্তমানে আমরা শুধুমাত্র খাতাকলমে বাংলাদেশী জাতীয়তার পরিচয় দিয়ে থাকি। অনেকে তো বাঙালি শব্দটি গালি হিসেবে ও ব্যবহার করেন। অথচ আমাদের উচিত ছিল, অন্য জাতির সংস্কৃতি কে প্রাধান্য না দিয়ে বাঙালি হিসেবে বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য আঁকড়ে-ধরা। তাহলে আমরাও একবিংশ শতাব্দীতে এসে খাঁটি দেশপ্রেমিক হতে পারব।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved