1. info@www.dailybdcrimetimes.com : দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস.কম :
শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ১২:২০ অপরাহ্ন
Title :
বরগুনায় জামিনে বেরিয়ে বাদী পরিবারকে এলাকা ছাড়ার হুমকি, মারধরের অভিযোগ ঢাকার পর এবার চট্টগ্রামে ৫ বছরের শিশুকে ধ/র্ষ/ণ! এবার লিচু খাওয়ানোর কথা বলে ৬ বছরের শি’শুকে ধ’র্ষ’ণ! শ্রেণিকক্ষে অশ্লীলতার অভিযোগে দুই শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করলো প্রশাসন! অনুমোদনহীন নির্মাণে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ! মসজিদুল আকবর কমপ্লেক্সের ছাঁদ ধসে উঠছে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ! (পর্ব -২) মিরপুর বাউনিয়াবাদ বস্তিতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করতে এসে বেহাল অবস্থা পুলিশের সমাজের চরম অবক্ষয়ের কারণে খু*ন, ধ*র্ষন, সন্ত্রাস,পরকীয়া ও ডিভোর্স মহামারী আকার ধারণ করছে – শাহাবুদ্দিন খান, নির্বাহী সম্পাদক ঘরে সুন্দরী স্ত্রী রেখে শ্বাশুড়ি সাথে আপত্তিকর অবস্থায় আটক জামাই! নওগাঁর পোরশায় তিনদিনব্যাপী ভূমিসেবা মেলা উপলক্ষে ভূমিসেবা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বাউফলে স্কুল মাঠে কোরবানির গরুর হাট না বসাতে জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ 

“অমর একুশে ফেব্রুয়ারি”

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ১৮১ Time View

মুহাম্মদ ইমরান বিন অহেদ

মায়ের অনেক পীড়াপীড়িতে প্রায় এক যুগ পরে যেতেই হলো নানার বাসায়। গাড়িতে বসে ভাবলাম, অনেকদিন পরে নানার বাসায় যাচ্ছি। নানার সাথে কোন বিষয় নিয়ে আড্ডা দেয়া যায়? হঠাৎ মনে পড়ল আমার নানাতো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সৈনিক ছিলেন। এসব ভাবতে ভাবতে পৌঁছে গেলাম নানার বাসায় ।

বিকেল ৪.০০ টা বাজে। গাড়ি থেকে নামলাম। সবাই ঘর থেকে বের হয়ে অভ্যর্থনা জানাল। সবার সাথে আলাপ শেষ। বললাম, নানাজান কোথায়? উত্তরে বলা হল, তিনি প্রায় সময় ছাদে বসে থাকেন। সেখানেই আছেন হয়তো।

দেখলাম, ফুল বাগানে বসে শীতের পরম বন্ধু সূর্যের সাথে গল্প করছেন। আমাকে দেখেই মুসকি হেসে দাঁড়িয়ে গেলেন। দুষ্টুমি করে বললাম – হাউ আর ইউ ব্রো ? পরক্ষনেই মুখটা মলিন করে আবার বসে পড়লেন। ভাবলাম ব্রো বলায় মাইন্ড করেছে কিনা? কাছে গিয়ে দেখি চোখের কোণা থেকে কষ্টের পানি গড়িয়ে পড়ছে। ভীত সন্ত্রস্ত হয় জিজ্ঞেস করলাম, নানাজান! মাইন্ড করেছেন নাকি? বললেন না। তাহলে কাঁদছেন যে, দীর্ঘ একটি নিৎশ্বাস ফেলে বললেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের কথা খুব মনে পড়ছে। এ “যেন মেঘ না চাইতে বৃষ্টি”। আগ্রহীস্বরে বললাম, নানাজান! তখন কী ঘটেছিল? মনে চেপে রাখা কষ্টের কথাগুলো আমাকে শুনালেন। বললেন, আমরা বাংলা ভাষা কে মন থেকে ভালোবাসতাম। এজন্য আমরা পৃথিবীতে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছি। ভাষার জন্য প্রাণ উৎসর্গ করতে দ্বিধাবোধ করিনি। কিন্তু জীবন দিয়ে অর্জিত সেই মাতৃভাষা আজ অবহেলিত। বর্তমান সমাজে বাংলা ভাষার পরিবর্তে অন্য ভাষায় কথা বলাকে বেশি শিক্ষিত বা গৌরব মনে করা হয়। প্রকৃতপক্ষে এটাই যদি গৌরবের বিষয় হয়ে থাকে, তাহলে আমরা যে ৫২ তে মাতৃভাষার জন্য আন্দোলন করলাম, জীবন দিলাম, সেটা কি অযথা ছিল? এই সমাজে তার কি কোন মূল্য নেই? নানার হৃদয় স্পর্শী কথাগুলো হৃদয়ে দাগ কেটে গেল। মনের অজানতে চোখ থেকে গড়িয়ে পড়ল অশ্রু।

সত্যি বলতে আমরা কখনো বিষয়টি এড়িয়ে যেতে পারবো ? আমরা বাঙালী জাতি হিসেবে গর্ব করি। অথচ কাজে-কর্মে বাঙালি জাতিকে হেয় প্রতিপন্ন করে থাকি, অন্য জাতিকে অনুসরণ করার মাধ্যমে। বর্তমানে আমরা শুধুমাত্র খাতাকলমে বাংলাদেশী জাতীয়তার পরিচয় দিয়ে থাকি। অনেকে তো বাঙালি শব্দটি গালি হিসেবে ও ব্যবহার করেন। অথচ আমাদের উচিত ছিল, অন্য জাতির সংস্কৃতি কে প্রাধান্য না দিয়ে বাঙালি হিসেবে বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য আঁকড়ে-ধরা। তাহলে আমরাও একবিংশ শতাব্দীতে এসে খাঁটি দেশপ্রেমিক হতে পারব।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved