1. info@www.dailybdcrimetimes.com : দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস.কম :
শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ০১:২০ অপরাহ্ন
Title :
বরগুনায় যথাযথ সম্মান ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে মহান স্বাধীনতা দিবস পালন বরগুনা জেলার সরিষামুড়ী ও গৌরীচন্নার সংযোগ সেতুটি এক যুগ ধরে অকেজো, চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তরুণ সাংবাদিকের নির্মম হত্যা: (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি আইনের তোয়াক্কা করেন না মাগুরা মোহাম্মদপুর থানার ওসি নীলফামারীতে জমিজমা বিরোধের জের ধরে মায়ের বয়সী নারীকে প্রতিবেশী পেটোয়া বাহিনীর, রট লাঠি সোটার আঘাতে হাসপাতালে কাতরাচ্ছে জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম এমপি, মাননীয় চীফ হুইপ, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ মহোদয়ের বরগুনা সফরে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান এসপি ও ডিসি রূপগঞ্জে পথচারী ও চালকদের মাঝে ইফতার বিতরণ পোরশা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে টেন্ডার ছাড়াই সরকারি বই বিক্রির অভিযোগ, হাতেনাতে আটক মহিমান্বিত লাইলাতুল কদরের রাতে দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেছেন ১১ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আরিফুর রহমান বরগুনায় সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের দোয়া ও ইফতার পার্টি অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালী জেলায় ৪ স্কুলের সবাই ফেল, জেলায় গড়ে পাসের হার ৫৫.৭২ শতাংশ

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫
  • ২৮০ Time View

এম জাফরান হারুন::

২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় পটুয়াখালী জেলার চারটি স্কুলের এক শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। এসব বিদ্যালয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ১২ জন শিক্ষার্থীর সবাই ফেল করেছে।

জানা যায়, পটুয়াখালী সদর উপজেলার মিয়াবাড়ি মডেল হাই স্কুল থেকে ১ জন, মির্জাগঞ্জ কিসমতপুর গার্লস স্কুল থেকে ২ জন, দশমিনার পূর্ব আলীপুর হাই স্কুল থেকে ৮ জন এবং দুমকি জলিশা গার্লস স্কুল থেকে ১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। কিন্তু তাদের কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। ফলে পাসের হার দাঁড়িয়েছে শতভাগ শূন্যতে।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) বরিশাল শিক্ষা বোর্ড প্রকাশিত এসএসসি ফলাফলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

এবার পটুয়াখালী জেলায় গড় পাসের হার ৫৫.৭২ শতাংশ, যা বরিশাল বোর্ডের সামগ্রিক গড় ৫৫.১৮ শতাংশের চেয়ে কিছুটা বেশি। তবে চারটি বিদ্যালয়ের এমন করুণ ফলাফল এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো সামগ্রিক মানকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

সরকারি বেতন ভাতা নিয়ে কমসংখ্যক শিক্ষার্থীও পাস না করায় জেলায় হাস্যরসে পরিণত হয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলো। ওইসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক যারা রয়েছেন, তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ করে রেখেছেন। তাই তাদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

শিক্ষা অফিস সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদ্যালয়গুলোর প্রশাসনিক অবস্থা, পাঠদানের পরিবেশ ও শিক্ষকদের দায়বদ্ধতা খতিয়ে দেখা হবে। তবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কোনো প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মু. মুজিবুর রহমান বলেন, নীতিমালা অনুযায়ী বোর্ড এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেবে, আমরা সে অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করবো বলে প্রতিবেদককে জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved