
মোঃ আল মুমিন সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টর, গাইবান্ধা
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে হাতকড়া অবস্থায় আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলাধীন বৈরাগীরহাট পুলিশ তদন্তকেন্দ্র এলাকায় ৪ জানুয়ারি দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার দুদিনে আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় বৈরাগীরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই এছাহাক আলী বাদী হয়ে পলাতক আসামিসহ হামলায় জড়িত ২০ জন নামীয় এবং অজ্ঞাতনামা ৩০ থেকে ৪০ জনকে আসামি করে গোবিন্দগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের ন্যায় মাদক উদ্ধার, গ্রেপ্তারী পরোয়ানা তামিলসহ বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে থানা এলাকায় ডেভিল হান্ট ফেস-২ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৪ জানুয়ারী রোববার দিবাগত রাতে এসআই এছাহাক আলী সঙ্গীয়ফোর্সসহ শাখাহার ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ওই ইউনিয়নের খাড়িতা গ্রামস্থ খাড়িতা নগরপাড়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার পেছনে অবস্থান করছে। এসময় আসামী সাইফুল ইসলামকে আটক করে এসআইয়ের সঙ্গীয় কনস্টেবল তৌহিদুল ইসলাম আসামির হাতে হ্যান্ডকাফ লাগিয়ে থানায় নিয়ে আসার চেষ্টা করে। সেসময় আশপাশ হতে অন্যান্য আসামীরা বেআইনী জনতায় দলবদ্ধ হয়ে হাতে লাঠিসোটা নিয়ে পুলিশের গতিরোধ পূর্বক সরকারী কাজে বাধা প্রদান করে আসামীকে ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে পুলিশের ওপর হামলা করে।
এসময় তৌহিদুল ইসলাম বাম হাতে কামড় দিয়া ফুলা জখম করে। আসামীদের কামড়ের ফলে কনস্টেবল তৌহিদুল ইসলাম তাহার বাম হাতে ধরে থাকা হ্যান্ডকাফ সহ আসামী সাইফুল ইসলামকে আটক রাখা অবস্থায় অন্যান্য আসামীরা এসে আসামীকে ছিনিয়ে নেয়। এসময় এসআই ইছাহাক আলী সঙ্গীয় ফোর্সসহ আসামীকে পুনরায় আটক করার চেষ্টা করলে আসামীরা ইছাহাক আলীসহ সঙ্গীয় এএসআই রামফল রবিদাস ও কনস্টেবল তৌহিদুল ইসলামকে এলোপাথারী মারপিট করে আসামীকে নিয়ে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় বৈরাগীরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই এছাহাক আলী বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বৈরাগীরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ নাইছুর রহমান বলেন, পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মুল আসামিসহ অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের জোর তৎপরতা অব্যাহত আছে।