
পোরশা প্রতিনিধিঃ মোঃ তোফাজ্জল হোসেন
নওগাঁ জেলার পোরশা -সাপাহার এলাকার কয়েক কোটি টাকা নিয়ে উধাও হওয়া সাকো এন জি ও এর নির্বাহী পরিচালক মোঃ জোহুরুল ইসলাম ‘জহুরুল’ জহির (৪০), পিতা-মোঃ রফিকুল ইসলাম, স্থায়ী সাং-দুয়ারপাল, বর্তমান সাং-কাতিপুর, থানা-পোরশা, জেলা-নওগাঁ কে পুলিশ সুপারের দিক নির্দেশনায় গোপন সংবাদ এর ভিত্তিতে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থেকে নওগাঁ জেলা পুলিশের পোরশা থানার একটি বিশেষ টিম গ্রেফতার করে।
পোরশা এলাকার নিরীহ লোকজনদের টাকা আত্মসাৎ করে দীর্ঘ কয়েক বছর যাবৎ আত্মগোপন করে থাকায় বেশ কয়েকজন পাওনাদাররা বাদী হয়ে বিজ্ঞ আদালতে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
উক্ত আসামী দীর্ঘদিন পলাতক থাকায় তার নামে বিজ্ঞ আদালত হতে ০৩টি সি আর সাজা পরোয়ানা ও ০৪টি নরমাল সি আর পরোয়ানা ইস্যু করেন।
যাহা যথাক্রমে সিআর সাজাপ্রাপ্ত মামলা ১।
সিআর নং-৩১৪/২৪ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ), ২। সিআর নং-২২/২৩ (পোরশা), ৩। সিআর নং-১০৮/২৩(পোরশা), নরমাল ১। সিআর নং-১৫সি/২৪ (পোরশা), ২। সিআর নং-২২/২৫ (পোরশা), ৩। সিআর নং-১৩৫/২৩ (সাপা), ৪। সিআর নং-৫৩/২৩ (পোরশা)।
পরবর্তীতে উক্ত আসামীকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে পুলিশ সুপার, নওগাঁ জনাব মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এর দিক নির্দেশনায় পোরশা থানা পুলিশের একটি চৌকস দল গঠন করা হয়।
সহকারী পুলিশ সুপার, জনাব শ্যামলী রানী বর্মন এবং অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ জিয়াউর রহমান এর সার্বিক তত্বাবধানে ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় পোরশা থানার একটি চৌকশ টিম অভিযান পরিচালনা করে ইং-০৫/০৩/২০২৬ তারিখ দুপুর অনুমান ১৪.০০ ঘটিকার সময় রংপুর জেলার তাজহাট থানাধীন আবু সাঈদ চত্তর মোড় হইতে উক্ত আসামীকে গ্রেফতার করা হয়।
গোপন সূত্রে জানা যায় যে, প্রতারক জোহুরুল ইসলাম বিভিন্ন সময় ছদ্ম নাম ব্যবহার করে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপন করে থাকলেও সে তার নিজ এলাকায় লোকজনের কাছে প্রকাশ করে যে, সে ভারতে অবস্থান করিতেছে। তিনি সাঁকো এনজিও পরিচালনার মাধ্যমে বিভিন্ন গ্রাহকদের সাড়ে তিন থেকে চার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। প্রতারক জহুরুলকে গ্রেফতার করায় পোরশা এবং সাপাহার এলাকার জনগণ সন্তোষ প্রকাশ করেছে।
এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান নওগাঁ জেলার বড় অপরাধী এবং ওয়ারেন্টিদের গ্রেফতারের ব্যাপারে জেলা পুলিশের তৎপরতা আগের চেয়ে জোরদার করা হয়েছে।এই ধরনের অপরাধীদের গ্রেফতারে তিনি জনগণকে তথ্য প্রদানের আহ্বান জানান।