
নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে নিম্নমানের লাচ্ছা সেমাই
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নীলফামারী জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য মৌসুমি সেমাই কারখানা।
বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)- এর কোনো অনুমোদন ছাড়াই এসব কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে লাচ্ছা সেমাই উৎপাদিত হচ্ছে। সরকারি বিধি-নিষেধের তোয়াক্কা না করেই এসব লাচ্ছা দেদারসে বাজারজাত করছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা।
সরেজমিনে জেলার সৈয়দপুর, ডোমার, ডিমলা, জলঢাকা এবং সদর উপজেলার কয়েকটি কারখানা ঘুরে দেখা যায়, চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে লাচ্ছা তৈরির কাজ চলছে। কারখানায় নিয়োজিত শ্রমিকেরা হ্যান্ড গ্লোবস বা কোনো সুরক্ষা সরঞ্জাম ছাড়াই কাজ করছেন। নিম্নমানের পাম্প তেলে ভাজা এসব লাচ্ছা অবাধে বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছে।
গত কয়েক দিনে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অনুমোদনহীন এসব কারখানায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে উৎপাদন ও বিএসটিআই-এর লাইসেন্স না থাকায় বেশ কয়েকটি কারখানাকে জরিমানাও করা হয়েছে। তবে প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থানের পরেও কারখানাগুলোতে উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ বন্ধ হচ্ছে না।
স্থানীয়দের বলছেন, ‘এক শ্রেণির অসাধু মৌসুমি ব্যবসায়ী ঈদুল ফিতরের চাহিদাকে পুঁজি করে বিএসটিআই-এর অনুমোদন ছাড়াই লাচ্ছা তৈরির ‘মহোৎসব’ শুরু করেছে। স্থানীয় প্রশাসন এসব কারখানায় অভিযান চালিয়ে জরিমানা আদায় করলেও, বন্ধ হচ্ছেনা উৎপাদন।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, ‘সবার জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত কল্পে পুরো রমজান মাস জুড়েই বাজার মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ আদালত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।