1. info@www.dailybdcrimetimes.com : দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস.কম :
সোমবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন
Title :
গোবিন্দগঞ্জে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকের উপর হামলা বাউফলে মাদ্রাসার ব্যবহৃত তালা ভেঙ্গে চেয়ার ও কাগজপত্র তছনছ সহ লাঞ্ছিতের অভিযোগ পাথরঘাটার বিএনপির সাবেক এমপির উপর হামলায় সাত আসামীর জামিন নামঞ্জুর রাখাইন জনগোষ্ঠীর প্রসারে আমার বিশেষ নজর থাকবে; আসমা আজিজ সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে আটক ৭, মুক্তি পেলেন ৬ জন—স্বামী একা কারাগারে কুয়াকাটায় গণঅধিকার পরিষদের মশাল মিছিল কপিলমুনি ব্লাড ব্যাংকের ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন  গোবিন্দগঞ্জে ৮ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার নীলফামারী গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে থাই ভিসা, লটারী ভিসা প্রতারক চক্রের ১ জন গ্রেফতার সিংড়ায় অগ্নিকাণ্ডে দুটি ঘর ও মূল্যবান সম্পদ ভস্মীভূত

আবারও ১ থেকে ১২ তম শিক্ষক নিবন্ধন ধারী আন্দোলনে নামছেন

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫
  • ৮১৩ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২২ সালে এক টানা ২০০ দিন শান্তি পূর্ণ ভাবে শাহবাগ জাতীয় গ্রন্থাগারের সামনে নিজেদের ৩ আদি নিয়ে বসেছিলেন ১ থেকে ১২ তম নিয়োগ বঞ্চিত নিবন্ধন ধারী। কিন্তু তৎকালীন ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী সরকারের শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি তাদের দুটি দাবি মেনে নিলেও নিয়োগ দেন নি।

২০২৪ সালে সালে ছাত্র জনতার বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে দেশ স্বাধীন হলে আবারো আন্দোলনে নামেন ১ম থেকে ১২ তম নিয়োগ বঞ্চিত নিবন্ধন ধারী।

গত বছর ৪ঠা সেপ্টেম্বর এনটিআরসিএ (১ম ১২তম) নিয়োগ প্রত্যাশী শিক্ষক পরিষদের ব্যানারে তারা আন্দোলন শুরু করেন। ৪ঠা সেপ্টেম্বর ২০২৪ ইং আন্দোলনের ফলে এনটিআরসি এর কর্মকর্তাগণ ১ থেকে ১২ তম নিবন্ধন ধারীদের জন্য একটি বিশেষ গণ বিজ্ঞপ্তি দিতে চেয়েছিলেন। তাদের কথার উপর ভিত্তি করে শিক্ষক পরিষদ আন্দোলন বন্ধ করেন।

দীর্ঘদিন তাদের কথার কোন বাস্তবায়ন না হলে ১৭ই অক্টোবর ২০২৪ ইং টাকার প্রাণকেন্দ্র শাহবাগ মোড়ে আন্দোলন করেন। তাদের দাবি ছিল লংমার্চ টু যমুনা। কিন্তু, রমনা জনের ডিসি মাসুদ আলম আন্দলোনরতদের তা করতে না দিয়ে আন্দোলনকারীদের কথা বলে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাতের জন ৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে পাঠান। প্রতিনিধি দল সেখানে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার পর মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেননি। সেখানে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার হিসাবে এপিএস সাব্বির আহমেদ আসেন। এপিএস সাব্বির আহমেদ প্রতিনিধি দলের সকল কথা শুনে বলেন আপনারা এক সপ্তাহ অপেক্ষা করেন আমরা আপনাদের নিয়োগের জন্য মন্ত্রণালয় একটি চিঠি দিব। এক সপ্তাহ পর মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করা হলে কোন চিঠি আসেনি বলে জানান। পরে এপিএস সাব্বির আহমে যোগাযোগ করলে তিনি একটি চিঠির সফটকপি আন্দোলন কারী শিক্ষক প্রতিনিধি মোঃ আল মুমিন কে whatsapp এর মাধ্যমে পাঠিয়ে দেন। সেখানে এপিএস সাব্বির আহমেদ শর্ত দেন এই চিঠির হার্ডকপি কাউকে দেখানো যাবে না। সে মন্ত্রণালয়ে ঘুরতে ঘুরতে তারা আর কোন হদিস পান না।

অবশেষে আবারো ২২ ডিসেম্বর ২০২৪ ইং এনটিআরসি সামনে শাটডাউট কল রিসিভ ঘোষনা করেন। ২২ তারিখ শান্তশিষ্ট ভাবে আন্দোলন করার পর ২৩ শে ডিসেম্বর ২০২৪ইং এপিএস সাব্বির আহমেদ এনটিআরসিএ এর সামননে আন্দোলনরত নিবন্ধন ধারী শিক্ষকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এপিএস সাব্বির আহমেদ এবার ও তাদেরকে কথা দেন এবং বলেন এক মাসের মধ্যে নিয়োগ কার্য সম্পন্ন হবে। সে আশায় আন্দোলনকারী শিক্ষকগণ এনটিআরসির শাটডাউন তুলে নেন। এপিএস সাব্বির আহমেদের সঙ্গে পরবর্তীতে যোগাযোগ করে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে ঘোরাঘুরি করেন নিবন্ধনধারী শিক্ষক প্রতিনিধিগণ। কিন্তু তাদের নিয়োগ হয় না।

আবারো ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ইং আন্দোলনের ডাক দেন নিবন্ধন দাড়ি নিয়োগ বঞ্চিত শিক্ষক পরিষদ। শাহবাগ মোড় বেরিকেট দিলে পুলিশের সঙ্গে তাদের মারপিট হয়। পুলিশ তাদেরকে টিয়ারসেল, কাঁদানি গ্যাস, রাবার বুলেট, সাউন্ড গ্রেনেট ও পানি নিক্ষেপ করে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। সেই দিন তারা ছত্রভঙ্গ হইলেও পরের দিন ১১ই ফেব্রুয়ারি আবারো তারা শাহবাগ মোড়ে জমা হন। এই দিনও রমনা জনের ডিসি মাসুদ আলম ৮ জনশিক্ষক প্রতিনিধিকে নিয়ে সচিবালয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

তারা সচিবালয়ে গিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব বরাদ হোসেন চৌধুরী সঙ্গে কথা বলেন। বরাদ হোসেন চৌধুরী তাদের কথা শুনে আবারো তাদেরকে আশ্বস্ত করেন এবং তিনি বলেন শিক্ষা সচিব ও শিক্ষা উপদেষ্টার পক্ষ থেকে আমি কথা বলতেছি। এনটিআরসি এর৷ (১ থেকে ১২) নিয়োগ প্রত্যাশী শিক্ষক পরিষদে নেতা আমির আসহাব, জিএম ইয়াছিন ও আল মুমিন তাকে ব্যাপার গুলো বুঝিয়ে বলায় যুগ্ম সচিব বরাদ হোসেন চৌধুরী বলেন আমি আপনাদের সকল কথা বুঝতে পেরেছি আপনারা বৈষম্যের শিকার। মাননীয় শিক্ষা উপদেষ্টা ওর শিক্ষা সচিব মহোদয়ের পক্ষ থেকে আপনাদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনাদের কাজটি দ্রুত সম্পন্ন করা হবে। কেউ বলেন আমি কোন রাজনৈতিক ব্যক্তি না যে আপনাদেরকে কথা দিয়ে কথা রাখবো না। আমি আশা করতেছি আপনাদের কাজটি ১৫ দিনের মধ্যে হয়ে যাবে।

সে আশা নিয়ে শিক্ষক পরিষদের নেতৃবৃন্দ শাহবাগ মোড়ে ঘুরে আসেন এবং আন্দোলনরত শিক্ষকদের মাঝের ব্রিফিং করেন জিএম ইয়াছিন ও আমির আসহাব । তাদের ব্রিফিংয়ে আন্দোলনরত শিক্ষকেরা শান্ত হয়ে নিজ গ্রে ফিরে যান। বড় দুঃখের বিষয় আজ প্রায় সাত মাস বিগত হলো কিন্তু তাদের কথা কেউ রক্ষা করেননি। পরিশেষে দিশা না পেয়ে তারা আবারও আন্দোলন করতে চাচ্ছেন।

এনটিআরসিএ (১ম-১২তম) নিয়োগ প্রত্যাশী শিক্ষক পরিষদের আহ্বায়ক জিএম ইয়াছিন ইয়াছিনের সাথে কথা হলে বলেন, সচিবালয়সহ সকল দপ্তর থেকে তারা নিজেরাই তাদের কথা রাখেননি। তাই আমরা আবারো এই সেপ্টেম্বর মাসে মাঝামাঝি একটি কঠোর আন্দোলনের ডাক দিব। সে আন্দোলনে মাঠে আমাদেরকে লিখিত প্রজ্ঞাপন করে দিতে হবে। যে সেটা না দেয় তাহলে আমরা শাহবাগ মোড় থেকে সরে আসবো না। যতই আমাদেরকে গ্রেনেট মারুক আর কিছু করুক। তিনি রমানা জমের ডিসি মাসুদ আলম কে উদ্দেশ্য করে বলেন, স্যার আপনি এ পর্যন্ত যা বলেছেন আমরা সেটা মেনে নিয়েছি। আমরা যেহেতু শিক্ষক সে তো আমরা বিগত দিনগুলোতে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছি। আমাদেরকে চারবার কথা দেওয়া হয়েছিল সেই কথা তারা রাখেননি। তাই আমরা মাঠে প্রজ্ঞাপন না পাওয়া পর্যন্ত মাঠ মার ছাড়বো না। দয়া করে আপনি আমাদের এই আন্দোলনে প্রশাসন দিয়ে কোন প্রকার হস্তক্ষেপ করবেন না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved