1. info@www.dailybdcrimetimes.com : দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস.কম :
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন
Title :
সাড়ে ১২ কোটি টাকার কাজে, ঢালাই শেষ হওয়ার আগেই ধ্বস! বরগুনা জেলার সরিষামুড়ী ও গৌরীচন্নার সংযোগ সেতুটি এক যুগ ধরে অকেজো, চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী সৌদিতে ১৩৩ দেশের কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বজয়ী বাউফলের সন্তান জাকারিয়াকে সংবর্ধনা সংসদ ভবনের সামনে ছিনতাইকারীর হাতে স্কুল শিক্ষিকা খুন! আমাসুফের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহকারী পরিচালক হলেন আবেদ আহমেদ বাউফলে বেশি দামে সার বিক্রি কালাইয়া সহ উপজেলার বিভিন্ন বাজারে, বগাতে ডিলার সহ তিন জনকে জরিমানা আমতলীতে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের দুই কর্মী গ্রেপ্তার! লন্ডন থেকে এসে রফিক রিটার্নের উদ্যোগ বন্ধুদের সার্বিক সহযোগিতায় বাংলাদেশে দি ইনভিন্সিবল ৯/১১ সফল ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বরগুনায় পাঁচ জন স/ম/কা/মী মেয়ে কে গ্রে/প্তা/র করে জেল কারাগারে প্রেরণ! পোরশায় সাংবাদিকের ছবি প্রকাশ করে অপপ্রচারের অভিযোগ আমির উদ্দিন বাবুর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

বানারীপাড়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোচিং বাণিজ্যে সয়লাব! অভিভাবকগণ চায় প্রতিকার

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৫
  • ২১৪ Time View

শাহাদাত হোসেন রুবেলঃ

বরিশালের বানারিপাড়া উপজেলায় পূর্ব বালিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাহমুদা আক্তারের বিরুদ্ধে কোচিং করানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিভাবকদের অভিযোগ, মাহমুদা ম্যাডামের কাছে সন্তানদের কোচিং না করালে বা না পড়ালে ইচ্ছাকৃতভাবে পরীক্ষায় ফেল করানো হয় এবং প্রাইভেট না পড়লে বিদ্যালয়ে গিয়েও পাচ্ছেন না শিক্ষকের সুদৃষ্টি।

দেখা গেছে, বেশির ভাগ প্রাইভেট-কোচিং সেন্টারে ক্লাস কার্যক্রম শুরু হয় দুপুরের পরে অথবা সন্ধ্যায়। সারা দিন ক্লান্তির পরে কোমলমতি শিশুদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে নিয়ে যাওয়া হয় প্রাইভেট-কোচিং সেন্টারে। ব্যাগভর্তি বই-খাতা নিয়ে এসব শিশু সারাক্ষণ শারীরিক ও মানসিক দুর্বলতায় ভোগে। অনেক শিক্ষার্থীই এ চাপ সহ্য করতে না পেরে আক্রান্ত হচ্ছে নানা ধরনের মানসিক সমস্যায়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গতকাল রবিবার নিয়মিত পাঠদান শেষে অতিরিক্ত অর্থ লোভের আশায় প্রতিটি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জনপ্রতি ৫০০/- (পাঁচ শত টাকা) র বিনিময়ে কোমলমতি শিশুদেরকে বসানো হয় জোড়পূর্বক কোচিং করাতে। এতে করে প্রতিটি শিক্ষার্থীদের চেহারায় রয়েছে স্পষ্ট বিরক্তির ছাপ। যেন প্রতিটি শিক্ষার্থীই হয়ে ওঠে মাহমুদা ম্যাডামের টাকার পুতুল।

অথচ “কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা- ২০১২” স্পষ্ট বলে আছে, কোন সরকারি / বেসরকারি শিক্ষক গণ সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোন শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট / কোচিং পড়াতে পারবে না।

এ ব্যাপারে উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জনাব ছবি হালদার কে ফোন করলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।

অবাধে কোচিং বাণিজ্যের ব্যাপারে মাহমুদা আক্তারের নিকট জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমি অতিরিক্ত ক্লাস নিচ্ছি এবং শিক্ষার্থীদের থেকে কোন টাকা নেওয়া হয়না। আমি তাদের পড়াশোনার প্রতি আন্তরিক এবং এই কোচিং এর ব্যাপারে প্রধান শিক্ষিকা অবগত আছেন।

আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে বানারীপাড়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার খগো পতি রায় কে উক্ত বিষয়ে মুঠোফোনে কল করে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি সাব ক্লাস্টার ট্রেইনারের মাধ্যমে তদন্ত করে দেখব।
যদি অভিযোগের সত্যতা পাই তাহলে শোকজ করে জেলা শিক্ষা অফিসার কে অবহিত করব এবং তার অনুমতিক্রমে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করব।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved