
এম জাফরান হারুন::
পটুয়াখালীর বাউফলে ৯ম শ্রেণিতে পড়ুয়া দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তাদের বন্ধু অনিক (২০) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বাউফল থানায় এক শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে ধর্ষণ মামলা করলে অভিযুক্ত অনিকের মা মোসা. নুরজাহান বেগম (৫০) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
অনিক উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া গ্রামের খলিলুর রহমান খোকনের ছেলে। শনিবার (১০ই জানুয়ারি-২৬) রাতভর দুই শিক্ষার্থী থানা পুলিশের হেফাজতে থাকার পর রবিবার (১১ই জানুয়ারি-২৬) সকালে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি-২৬) সকালে ওই দুই বান্ধবী মাদ্রাসায় যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর সারা দিনে ওই দুই শিক্ষার্থী বাড়ি ফিরে না যাওয়ায় তাদের অভিভাবকরা মাদ্রাসায় খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন তারা মাদ্রাসায় যায়নি। এরপর বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়ে কোন সন্ধান না পেয়ে শুক্রবার (৯ জানুয়ারি-২৬) অভিভাবকরা বাউফল থানায় সাধারণ ডায়রী করেন।
আরও জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে অনিক তার এক বান্ধবীকে বাসায় ডাকে। ওই বান্ধবী তার অপর সহপাঠী বান্ধবীকে নিয়ে অনিকের বাসায় যায়। এক পর্যায়ে অনিক তার দুই বান্ধবীকে ধর্ষণ করলে একজন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তারা আর ওই দিন বাড়ি ফিরে যায়নি। পরদিন শুক্রবার রাতে বাড়ি ফিরে দুই শিক্ষার্থী তাদের অভিভাবকদের ঘটনা জানালে তারা শনিবার সন্ধায় বাউফল থানায় অভিযোগ করেন। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ঘটনার সময় অনিকের মা বাসায় থাকলে তিনি কোন প্রতিবাদ করেননি। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে তিনি সহায়তা করেছেন।
বাউফল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অতিকুল ইসলাম বলেন, দুই কিশোরীর সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী এক কিশোরীর মা মামলা করলে অনিকের মা মোসা. নুরজাহান বেগম (৫০) কে ধর্ষণে সহায়তা করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তবে এব্যাপারে সত্য ঘটনা উদঘাটনে অনুসন্ধানী প্রতিবেদক শেখ মোঃ জাফরান আল হারুন (এম জাফরান হারুন) এর অনুসন্ধান চলছে। কিন্তু একটা প্রশ্ন থেকে যায় দুই বান্ধবী মাদ্রাসায় না গিয়ে কেন যুবক বন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে তার বাসায় গেল? আবার বন্ধুকে দুই বান্ধবী কেন তাদের দেহ দিল?