
মোঃ রাসেল মিয়া গাজীপুর
“যে মানুষটি নিজের জমি বিক্রি করে, আটবার কারাবরণ করে, তবুও মানুষের পাশে দাঁড়ানোর স্বপ্ন ছাড়েননি—তিনি আজ মেয়র হতে চান শুধুই মানুষের ভালোবাসার জন্য।”
বিগত সাড়ে ১৭ বছর যেন ছিল এক দীর্ঘ অন্ধকার অধ্যায়। নিজ বাড়িতে একাধিকবার পুলিশি হামলা ও ভাঙচুর, ব্যবসা-বাণিজ্য দখল, আর্থিকভাবে কোণঠাসা করা—একটি মানুষের জীবনকে থামিয়ে দিতে যা যা দরকার, তার সবই যেন ঘটেছে তার সঙ্গে। মোট আটবার গ্রেফতার,কিন্তু একটি মামলায় শুধু একেবারেই টানা প্রায় ১৮ মাসের নির্যাতন—তবুও ভেঙে পড়েননি তিনি।
স্বৈরাচার সরকারের দমন-পীড়নের সময় রাজপথে ছিলেন সামনের কাতারে। নির্যাতন, হামলা, গ্রেফতারকিছুই তাকে দমাতে পারেনি।
“দমনের অন্ধকারে মাথা নত নয়—রাজপথের সাহসী কণ্ঠ, নির্যাতন সহ্য করেও আপসহীন সংগ্রামের প্রতীক।
তিনি আর কেউ নন, কালিয়াকৈর উপজেলা পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জনাব সাইজুদ্দিন আহমেদ।
অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও জনগণের পক্ষে কথা বলার কারণেই তাকে বারবার টার্গেট করা হয়। নিজ প্রতীক জমি বিক্রি করে দিন পার করেছেন, পরিবার নিয়ে কাটিয়েছেন অনিশ্চয়তার দিন। কঠিন সময়গুলোতে পাশে ছিলেন শুধু তার বৃদ্ধ বাবা-মা। তাদের সহায়তা আর জনগণের ভালোবাসাই ছিল তার একমাত্র শক্তি।
নির্যাতনের প্রতিটি দাগ আজও তার জীবনের সাক্ষী। তবুও প্রতিহিংসা নয়, মানুষের সেবা করাই তার একমাত্র লক্ষ্য বলে জানান তিনি।
আগামী পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবে জনগণের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে তার একটাই আবেদন—
“আমি কষ্ট দেখেছি, মানুষের কষ্ট বুঝি। মেয়র হতে চাই ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। যতদিন বাঁচবো, জনগণের সেবক হয়ে থাকতে চাই।”
স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘ দুঃসময়ের পরও মানুষের পাশে থাকার এমন প্রত্যয় বিরল। এখন দেখার বিষয়, কালিয়াকৈরের জনগণ তাদের এই সন্তানের পাশে কিভাবে দাঁড়ায়।