
নিজস্ব প্রতিবেদক
মাদ্রাসাশিক্ষার্থী ও স্থানীয় একটি ধর্মীয় সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতাকে জড়িয়ে মামলা দায়েরকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, মোঃ হাফিজুর রাহমান খালেদ নামে এক আলিম মাদ্রাসার ছাত্র এলাকায় “হাতিধর ইসলামী যুব সংঘ” নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন এবং তিনি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন এবং উক্ত সংগঠনের মাধ্যমে বিভিন্ন সেবামূলক কাজ করিতেন অর্থাৎ এলাকায় বৃক্ষরোপণ, শীত বস্ত্র বিতরণ এবং গরিবদের বিবাহের উপঢৌকন এর ব্যবস্থা করিতেন।
সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার পর ২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে ২/৩ টি গ্রামের মধ্যে প্রথমবারের মতো একটি সুন্নি ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
পরবর্তীতে করোনা পরিস্থিতির পর ২০১৯ সালে সংগঠনের উদ্যোগে পুনরায় বড় পরিসরে বার্ষিক সুন্নি মহাসম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এ আয়োজনকে কেন্দ্র করে এলাকায় সুন্নি ও ওহাবী মতাবলম্বীদের মধ্যে মতবিরোধ ও মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালে উভয় পক্ষের মধ্যে একটি ধর্মীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। অভিযোগ রয়েছে, হাফিজুর রহমান খালেদ দুষ্টামি করার জন্য স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল হকের ছেলে আব্দুস সালামকে একটি পরিত্যক্ত কক্ষে নিয়ে কিছু সময়ের জন্য আটকে রাখেন।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আব্দুল হক ১৮/১২/২০২২ ইংরেজি তারিখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ ও বলাৎকারের একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। এলাকাবাসীর দাবি, কোনো অপরাধমূলক উদ্দেশ্য ছিল না এবং মামলাটি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক।
উক্ত এলাকার চেয়ারম্যান আতিয়ার রহমানের সাথে যোগাযোগ করিয়া জানা যায় যে, সুন্নি ও ওয়াহাবি মতবাদের মনোমালিন্যের জের ধরে তাহার বিরুদ্ধে সিলেট চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করিয়াছেন এবং এলাকার সবাই মিলে তাহার ভাইয়ের ওষুধের ফার্মেসিতে আগুন ধরিয়ে দেয় এতে তাহার বড় ভাই ও অগ্নিদগ্ধ হয়।
একই এলাকার বাসিন্দা কাউসার সাহেবের সাথে আলোচনা করিয়া আরো জানা যায় যে, মোঃ হাফিজুর রাহমান খালেদ খুবই ভালো ছেলে এবং তার বাবা একজন স্বনামধন্য স্কুল শিক্ষক। সে এলাকার বিভিন্ন সেবামূলক কাজ করিতেন বিধায় তার পেছনে অনেক শত্রু ছিল।