1. info@www.dailybdcrimetimes.com : দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস.কম :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন
Title :
৫২ বছর বয়সে এইচএসসি পাস, শেফালীর সাফল্যে গর্বিত পরিবার ধানক্ষেতে লুকিয়েও শেষ রক্ষা হলো না আওয়ামী লীগ নেতা মজনু সরকারের পুলিশ-জনতার যৌথ সভা, মাদক ও কিশোর গ্যাং নির্মূলে জিরো টলারেন্স! বাউফলে তৃতীয় স্ত্রী ফারজানার ঘরের ইট আর মরদেহে বাধা ইটের মিল, তাহলে কি খুনি ফারজানা?  গলাচিপায় বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে গণঅধিকার পরিষদ নেতা সাবেক ইউপি সদস্য আটক মৎস্য সম্পদ উন্নয়নে গবেষণা অগ্রগতির কোনো বিকল্প নেই: সচিব নীলফামারীতে জেলা ইজতেমার আখেরি মোনাজাত আগামীকাল ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে আজ থেকে ইলিশ মাছ ধরার প্রস্তুতি সম্পন্ন বরগুনার জেলেদের নীলফামারীর নটখানায় স্পিড ব্রেকারের দাবি, দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে রোগী ও পথচারীরা আমতলীতে ৪’শত পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার!

বন সংশ্লিষ্ট দালালির অভিযোগে বিতর্কে ইসমাইল হোসেন লাল মিয়া

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬
  • ১৬৪ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গাজীপুরের বাদিয়ার চালা গ্রামের মৃত আহসান উদ্দিনের ছেলে ইসমাইল হোসেন লাল মিয়া (৫৫)-এর বিরুদ্ধে বন সংশ্লিষ্ট দালালির মাধ্যমে স্বল্প সময়ে বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তিনি রাজেন্দ্রপুর রেঞ্জের রাজেন্দ্রপুর পূর্ব বিটের আওতাধীন ৫৯ নম্বর নোয়াগাঁও মৌজার সি.এস/এস.এ দাগ নং ৩০-এর বন বিভাগের বিভিন্ন কার্যক্রমে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে জড়িত রয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, প্রভাব খাটিয়ে আর.এস দাগ নং ১১০-এ সরকারি গেজেটভুক্ত বনভূমিতে অবৈধ সুবিধা গ্রহণের মাধ্যমে তিনি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছেন।
এলাকাবাসীর দাবি, রাজেন্দ্রপুর জনকল্যাণ বাজারের অধিকাংশ ইটের দোকান উত্তোলনের পেছনেও তার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এ কাজে বন বিভাগের অসাধু কিছু কর্মচারীর সঙ্গে তার যোগসাজশ রয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ১০ তারিখ দিবাগত রাতে এ সংক্রান্ত একটি ঘটনা ঘটে, যা নিয়ে এলাকায় নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বন বিভাগের একটি সূত্র জানায়, নোয়াগাঁও গ্রামের রিপনের সঙ্গে একটি আর্থিক সমঝোতার ঘটনায় বয়লার মুরগির দোকান করে দেওয়ার বিনিময়ে লাল মিয়ার নাম উঠে এসেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্রের দাবি, ওই ঘটনার নেতৃত্বে ছিলেন তিনি।
তবে এ বিষয়ে ইসমাইল হোসেন লাল মিয়ার বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, তার এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ফলে একদিকে বনসম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষ বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তারা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
বন বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, লাল মিয়া দলীয় প্রভাব খাটিয়ে রাতের আধারে ঘর নির্মাণে নেতৃত্ব দিয়েছেন—এমন অভিযোগ পাওয়া গেলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্যের প্রেক্ষিতে ঘটনাটি বর্তমানে তদন্তের অপেক্ষায় রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved