
বরগুনা প্রতিনিধি :
মাদক, সন্ত্রাস, কিশোর গ্যাং, সাইবার অপরাধ, বাল্যবিবাহ ও নারী-শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে বরগুনার আমতলীতে পুলিশ-জনতার যৌথ মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মোঃ কবির ফকির
এ কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৮টায় পৌর শহরের ৩নং ওয়ার্ডের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আমতলী থানা পুলিশ এ সভার আয়োজন করে।
আমতলী উপজেলা যুবদলের সভাপতি ও পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কবির উদ্দিন ফকিরের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমতলী সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম মাসুদ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইন ও ওসি (তদন্ত) সঞ্জয় কুমার দত্ত।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, “মাদক, সন্ত্রাস, কিশোর গ্যাং, অনলাইন জুয়া, ইভটিজিং, নারী ও শিশু নির্যাতন সমাজের ব্যাধি। এই ব্যাধি নির্মূলে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সোচ্চার হতে হবে।”
এ সময় তিনি কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে সন্ধ্যার পর স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের অযথা ঘোরাফেরা নিয়ন্ত্রণে অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ওসি মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, “পুলিশ একা অপরাধ দমন করতে পারে না, জনগণই পুলিশের প্রধান শক্তি। আপনাদের এলাকায় যেকোনো অপরাধের তথ্য পেলে থানায় জানাবেন, পরিচয় গোপন রেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”পাশাপাশি চুরি-ডাকাতি রোধে বাজারে পাহারাদার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে কবির উদ্দিন ফকির বলেন, “সময়োপযোগী সভা আয়োজনের জন্য আমতলী থানা পুলিশকে ধন্যবাদ। আজ সমাজে মাদক, কিশোর গ্যাং ও অনলাইন জুয়া ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। পুলিশের একার পক্ষে এ অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। একটি সুন্দর ও নিরাপদ আমতলী গড়তে বিএনপির পক্ষ থেকে পুলিশ প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।”
এসময় তিনি আরোও বলেন,মাদকসেবী বা কারবারী যদি কেউ দলের লোক হয় তাকে কোন ছাড় দেয়া হবেনা,আমতলীতে কোন মাদকসেবী থাকতে পারবেনা!
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. জালাল, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক জালাল আহমেদ খাঁন, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ইলিয়াস খাঁন, ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন টিপু, সাবেক প্রধান শিক্ষক নাসির উদ্দিন, ব্যবসায়ী মাহাবুব, জাকারিয়া, আল-আমিন মুন্সিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাংবাদিকবৃন্দ।