
বিশেষ প্রতিনিধি ঃ গিয়াস উদ্দিন আহমেদ রানা
গাজীপুর কোনাবাড়িতে কলেজ গেইট এলাকায় গত ২২ শে অক্টোবর ২০২৬ ইং তারিখে সাংবাদিক হেনস্থা ও অপপ্রচারের শিকার হন একদল স্থানীয় ফিটিংবাজদের হাতে।
অভিযোগ রয়েছে যে এক নির্যাতিত কিশোরীকে উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে দেওয়ার কারণে
সাংবাদিকের নামে সোস্যাল মিডিয়াতে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বাধ্য হয়ে সাংবাদিক মোঃ রফিকুল ইসলাম ফিটিং বাজ গ্রুপের সক্রিয় সদস্যের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়রি করেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ডিউটি অফিসার।
গাজীপুর সদর মেট্টো থানার সাধারণ ডায়রি নং -২৯২৯ তারিখ ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ইং।
সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা এ পেশার মূল ভিত্তি হল সত্য প্রকাশ বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা কিন্তু সাংবাদিকতার এই গুরুত্বপূর্ণ পেশাল পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ পেশাগত শিষ্টাচার ও দায়িত্বশীল আচরণ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরী কিন্তু বর্তমানে কিছু সাংবাদিক নিজেকে অনেক বড় মাপের সাংবাদিক মনে করেন সিনিয়র সাংবাদিকদের সম্মান শ্রদ্ধা করা তো দূরের কথা তাদেরকে নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করেন এমন একটি ঘটনা ঘটেছে গাজীপুর কোনাবাড়িতে
মোঃ রফিকুল ইসলাম তিনি একজন সিনিয়র সাংবাদিক গাজীপুরে সাংবাদিকতার অঙ্গনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের কাছে তিনি দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ
মোঃ রফিকুল ইসলামকে চেনে না গাজীপুর এমন সাংবাদিক খুব কম আছে।
বর্তমানে মোঃ রফিকুল ইসলাম দৈনিক “দুর্নীতি সংহার” পত্রিকার সম্পাদক যা সরকারি রেজিস্ট্রেশনকৃত (গভঃ রেজিঃ নং-৯৫০৭৪) এবং এশিয়ার সর্ববৃহৎ সংগঠন “জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা’র” কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সহকারী মহাসচিব ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা জেলা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ রফিকুল ইসলাম সহ অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মোঃ রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ ও সাংবাদিক মোঃ তারেক রহমান ফয়সাল এক পারিবারিক দাওয়াতে অংশগ্রহণ করতে কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর যাচ্ছিলেন। কোনাবাড়ি কলেজ গেইট সংলগ্ন সিএনজি পাম্পে গ্যাসের জন্য প্রবেশ করে তাঁরা। সরকারি ঘোষিত নিয়ম অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ করার জন্য তাদেরকে আধা ঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে বলে জানান সিএনজি পাপ্মের কর্মরত কর্মচারী লোকজন।
তখন তাঁরা প্রাইভেটকার রেখে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে আলাপ-আলোচনা করছিল এমন
সময় হঠাৎ দেখতে পায় মহা সড়কে এক যুবক এক কিশোরীকে টেনে হেঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছে সেই সাথে চড় থাপ্পড় মারছে। বিষয়টি সন্দেহ জনক মনে হলে তাদের গতিরোধ করে কিশোরীকে (তানিয়া) নির্যাতনের কারণ জানাতে উভয়কে এনে সিএনজি পাম্পে বসায়।
উভয়ের সাথে কথা বলে জানাতে পারে ঐ ছেলে কোনাবাড়ি এলাকায় চাকরি করে। তাদের গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জে ঘটনার একদিন আগে ২১ অক্টোবর ২০২৬ ইং প্রেমের সম্পর্কে পালিয়ে যুবক চাঁচা বাসায় রাত্রি যাপন করে।
পরের দিন যুবকের চাচা তাদের বিয়ে দিতে চায়, তখন ছেলে রাজি না হওয়ায় তাদেরকে ঐ বাসা থেকে বের করে দেয়।
তখন ছেলে মেয়েটিকে বাড়িতে চলে যেতে বলে কিন্তু মেয়েটা এতে রাজি হননি। কারণ বাড়ি থেকে প্রেমিকের সাথে পালিয়ে এসে রাত্রি যাপন করে এখন কি করে বাড়ি যাবে। এই নিয়ে টানাহেঁচড়া ও মারধরের ঘটনা ঘটে।
সাংবাদিক মোঃ রফিকুল ইসলাম সব কথা শোনে, উভয়ের অভিভাবকের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করে তাদের কথা বলে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হয়। পরে কোনাবাড়ি থানার অফিসার ইনচার্জের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে বিষয়টি জানালে তিনি পুলিশ পাঠানোর আশ্বাস দেন।
এদিকে, কোনাবাড়ি থানার ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এসএম আজিজুল ইসলামের ভাতিজা শুভ, ও নিষিদ্ধ ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতা সোলাইমান ও এক সময়ের সেলুন কর্মচারী (নাপিত) মেহরাব সহ ১০/১৫ জন সিএনজি পাম্পে এসে প্রমিক যুগলকে বিএনপির স্থানীয় অফিসে নিয়ে যেতে চায়।
সাংবাদিকরা বুঝতে পারে তাদের হাতে তুলে দিলে ফিটিংয়ের শিকার হয়ে ছেলে ও মেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এমন কি বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটলে সেটার দায়ভার কে নিবে। এসব চিন্তা করে তাদের স্পষ্ট বলা হয় উভয়ের অভিভাবকের সাথে কথা হয়েছে। আমরা ওসি সাহেব কে জানিয়েছি, তিনি পুলিশ পাঠিয়েছেন। পুলিশ আসছে এদের নিয়ে যাবে। এতে তাঁরা ক্ষিপ্ত হয়ে বাকবিতন্ডায় শুরু করে এবং ফোন করে আরো লোক জড়ো করে। জোর পূর্বক নিয়ে যেতে চায়। এতে বাঁধা দিলে শুভ ও সোলাইমান সাংবাদিক তারেক রহমান ফয়সাল কে মারধর শুরু করে। এসময় স্থানীয় সাংবাদিক শাহীন এসে সবাইকে বাঁধা দিয়ে বলে আমি ভাইদের চিনি রফিকুল ভাই একজন সিনিয়র সাংবাদিক ও সাংবাদিক নেতা। তাদের অসম্মান করা যাবে না। তখন তাদের সেল্টার দাদা ও অন্যতম সহযোগী এবং ধর্ষণ, ছিনতাই ও ফিটিং বাজীর জন্য একাধিক মামলায় অভিযুক্ত সেলুন কর্মচারী গ্লোবাল টিভির রিপোর্টার মোঃ মেহরাব হোসেন মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে দিকবিদিক ছুটাছুটি করতে থাকে এখন প্রশ্ন হল কে এই মোঃ মেহেরাব হোসেন তার সাংবাদিকতার বয়স কত দিন।
যাকে খুশি তাকে, যা ইচ্ছে তাই প্রশ্ন করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করে। এই ধরনের একজন সাংবাদিক কি করে একজন সিনিয়র সাংবাদিকের বিরুদ্ধে বিতর্ক মব সৃষ্টি করে।
এরই মধ্যে কোনাবাড়ি থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক (এএসআই) রাসেদ ঘটনাস্থল চলে আসে।
তিনি এসে সাংবাদিক মোঃ রফিকুল ইসলামের সাথে কথা বলে বিস্তারিত জানার পর।
ফিটিং বাজদের কোন ধরনের ঝামেলা করতে নিষেধ করেন এবং প্রেমিকা যুগলের পরিবারের সাথে কথা বলে তাদের থানায় এসে যোগাযোগ করা পরামর্শ দেন। পরে সাংবাদিকদের বিদায় দিয়ে তিনি প্রেমিক যুগলকে থানায় নিয়ে যায়।
এদিকে, ফিটিং বাজ গ্রুপ এতো বড় একটা সুযোগ হাতছাড়া হয়ে গেছে বিষয়টি মেনে নিতে না পারে। সেলুন কর্মচারী গ্লোবাল টিডি’র সাংবাদিক পরিচয় দানকারী মেহরাব কে দিয়ে সাংবাদিক মোঃ রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচার শুরু করে
তাই সত্য বস্তুনিষ্ঠতা ও পেশাগত মর্যাদা অক্ষুন্ন থাকুক এটাই গাজীপুরের সচেতন সাংবাদিক সমাজের প্রত্যাশা।