1. info@www.dailybdcrimetimes.com : দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস.কম :
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:৪৪ অপরাহ্ন
Title :
বরগুনা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বর্ণনা আ/প’ত্তিকর অবস্থায় ধরা খেয়ে অ/ন্তঃস/ত্ত্বা চাচীকে বিয়ে করলো ভাতিজা! মধু খাওয়ার অপরাধে মৌমাছির কামড় খেলো এডিসি সাকলায়েন! ধরাছোঁয়ার বাইরে পরী ব্যক্তিগত সোনায় হাত দিয়েছে সরকার! নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই বিআইএমে আউটসোর্সিংয়ের নোয়া প্রদান ! প্রাণিসম্পদের প্রকল্প পরিচালক ডা. আব্দুর রহিমের হাতে কর্মকর্তারা জিম্মি ! (পর্ব-১) মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ, গাইবান্ধার ঘাগোয়া ইউনিয়নে সচেতন মহলের কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি বাউফলে আদালতের আদেশ অমান্য করে বিবাদীরা বিরোধীয় জমিতে পাকা ভবন নির্মাণে ব্যস্ত বেগম খালেদা জিয়াকে ‘কালো মানিক’ উপহার দিতে চাওয়া সোহাগ মৃধা হত্যা চেষ্টা ও পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেফতার! বরগুনায় জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

মাচায় তরমুজ চাষ,৫ লক্ষ টাকা আয়ের আশা কৃষক সোহেল মিয়ার

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৩
  • ২৯৯ Time View

সাজ্জাত হোসেন,কটিয়াদী কিশোরগঞ্জ

বাঁশ সুতার সমন্বয়ে তৈরি মাচার চারদিকে তাকালেই চোখে পড়বে সবুজ রঙের বাহারি তরমুজের সমারোহ । আবার সেসব তরমুজ মাচার সাথে বেঁধে দেওয়া আছে ভিন্ন রঙের সুতার তৈরি ব্যাগে। প্রতিটি তরমুজের ওজন ২-৪ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। উপরে থাকা সবুজ রঙের তরমুজ কাটতেই ভেতর থেকে বেরিয়ে আসবে রসালো লাল টুকটুকে তরমুজের দানা। তরমুজের ওজনে তৈরিকৃত মাচার অনেকাংশেই নুয়ে পড়ছে।

বর্ষা মৌসুমে মাচায় উন্নত জাতের তরমুজ চাষ করে আশার আলো দেখছেন কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী পৌর সদরের কৃষক সোহেল মিয়া। কটিয়াদী পৌর সদরের দড়ি চড়িয়াকোনা এলাকায় তার এক বিঘা জমিতে ব্লাক কুইন জাতের তরমুজ চাষ করে এখন তিনি স্বাবলম্বী হওয়ার আশা বুনছেন।

কৃষক সোহেল মিয়া জানিয়েছেন,ইজারা নিয়ে এক বিঘা জমিতে বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের আওতাধীন কটিয়াদী উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শ ও সহযোগিতায় তিনি বর্ষা মৌসুমে মাচায় তরমুজ চাষের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। গেল জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে তিনি জমিতে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে প্রাপ্ত ব্লাক কুইন জাতের তরমুজ বীজ রোপণ করেন। রোপনের পর নিবিড় পরিচর্যা করার পর এখন প্রতিটি গাছে ফলন এসেছে।

তিনি আরোও বলেন,তার পুরো জমিতে মালচিং শীট প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোট ৬৬০ টি তরমুজের চারা রয়েছে। গড়ে প্রতিটি গাছে ৪-৫ টি করে তরমুজের ফলন হয়েছে এবং প্রতিটি ফলের ওজন ৩-৪ কেজি পর্যন্ত হয়েছে। সবধরনের খরচ বাবদ তার জমিতে এখন পর্যন্ত ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। সোহেল মিয়া জানান,তার জমির তরমুজ পরিপক্ক হতে শুরু হয়েছে। বর্তমান বাজার অনুযায়ী ব্যাপারীরা জমিতে এসে কেজি প্রতি ৫০ টাকা করে দাম হাঁকাচ্ছেন। বাজারদর ঠিক থাকলে তিনি খরচ বাদ দিয়ে ৫ লক্ষ টাকা আয় করতে পারবেন বলে আশাবাদী তিনি।

উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মইনুল ইসলাম জানান, কটিয়াদী উপজেলা কৃষি অফিস থেকে কৃষক সোহেল মিয়াকে তরমুজ চাষে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। পরবর্তীতে বীজ,সার,জৈব বালাইনাশক ইত্যাদি সরবরাহ করা হয়। এবং তার জমির সার্বিক খোঁজখবর রাখতে তৎপর রয়েছে উপজেলা কৃষি অফিস।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved