
নিজস্ব প্রতিবেদক :
নারী বড়োই বিচিত্র। স্বামীর ভালবাসা, বিশ্বাস কিছু কিছু নারীদের কাছে তুচ্ছ বস্তু। তাই এরা চোখের পলকে পল্টি নিতে দ্বিতীয়বার ভাবে না। স্বামীর বিশ্বাস আর সরলতার সুযোগ নিয়ে করে বেড়ায় অনৈতিক চর্চা। লোভের বশবর্তী হয়ে কিংবা অন্যের প্ররোচনায় কিছু নারী হারিয়ে যায় অন্ধকারে। লিপ্ত হয় পরকীয়ার মত বিষাক্ত অসামাজিক কর্মকান্ডে।

এমনই এক ঘটনা ঘটেছে সাভার থানার বনগাঁও বনগ্রাম এলাকায়। কামাল রূপা দম্পতির তিন সন্তান।বড় মেয়ে জান্নাত ইসলাম মাদ্রাসায় অধ্যায়নরত। কামাল গাড়ির ড্রাইভার। স্ত্রী সন্তান নিয়ে সুখের সংসার কামালের। যেদিন কামালের সংসার পরকীয়া ভাইরাসে সংক্রমণ হয়।সেদিন থেকে পরিবারের শান্তি বিনষ্ট হতে থাকে। বলছি কামালের স্ত্রী রুপার চরিত্রের অবক্ষয়ের কথা। কামাল রূপা দম্পতির বড় মেয়ে জান্নাত ইসলামের বর্ণনায় উঠে আসে রুপার চরিত্রের অসামাজিক কর্মকান্ডের ভয়ানক চিত্র। জান্নাত বলেন, আমার মায়ের সম্পর্ক বলতে আমার বুক ফেটে যাচ্ছে। তবুও বলতে হচ্ছে আমার মায়ের সামাজিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয়। আজ থেকে তিন বছর আগে ফেসবুক থেকে নানা পুরুষের সাথে অল্প দিনে সখ্যতা গড়ে ওঠে। তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পুরুষের সাথে পরকীয়ায় আসক্ত হয়ে পড়েন। শুধু তাই না কিছু কুচক্রীমহলের পাল্লায় পড়ে নানা সময় অনিয়ন্ত্রিত জীবন যাপন চালিয়ে যাচ্ছেন। আমার বাবা আমার মাকে অনেক বিশ্বাস করে ভালোবাসে তাই সে বারবার প্রতারিত হওয়ার পরেও সংসার টিকিয়ে রাখতে আমাদের অনুরোধে সবকিছু ভুলে নতুন করে সংসার করে। গত ১৪/০৬/২০২৬ ইং তারিখ তারিখ বনগাঁও বাড়ি থেকে পুলিশ এনে বেআইনিভাবে আমার বাবাকে বেধড়ক মারধর করে। আমি ফিরাতে গেলে আমাকেও পুলিশ নির্মমভাবে আঘাত করে। এলাকার সবাই এই ঘটনার সাক্ষী। তারা সবাই পাশে দাঁড়িয়ে পুলিশের নির্মাতা দেখেছে। কাউকে কাছে যেতে দেয়নি পুলিশ । এ বিষয়ে এলাকার জনগন ফুঁসে ওঠে এবং গণমাধ্যমে অভিযোগ করে। বিস্তারিত গণমাধ্যমে তুলে ধরা হয় ১৮/০৬/২৬ তারিখে এবং এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি হয়। 
এদিকে ফাঁড়ির ইনচার্জ ইমরান ও তার সঙ্গীরা বেআইনিভাবে অত্যাচারের ঘটনা আড়াল করতে আমার মাকে দিয়ে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে ১৯/০৬/ ২০২৬ তারিখে। তড়িৎ গতিতে ক্ষমতার অপব্যবহারকারী তদন্ত কর্মকর্তা ইমরান মিথ্যা তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে এবং এজাহারে লিপিবদ্ধ করে। আমার বাবা ২২/০৬/২০২৬ তারিখে আমার মায়ের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিতে গেলে ইমরানের চক্রান্তে সাভার থানার ভিতর আমার বাবাকে আটক করা হয়। আমার মায়ের করা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট। এ বিষয় মেয়ে বাদী হয়ে মা রুপা ও তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই ইমরানের বিরুদ্ধে ঢাকা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।