1. info@www.dailybdcrimetimes.com : দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস.কম :
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০১ অপরাহ্ন
Title :
বাউফলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকারের দায়ে নৌ পুলিশের হাতে আটক- ৫, অত:পর মামলা চাকরিতে প্রবেশে বয়স বৃদ্ধির আন্দোলনে উত্তাল মালিবাগ! নীলফামারীতে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ দুই নারী গ্রেপ্তার! নীলফামারী হাসপাতালে চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ, আ*ট*ক অ্যাম্বুলেন্স চালক পীরগাছায় নম্বর জালিয়াতি করে জমি রেজিস্ট্রির অভিযোগ উঠেছে আবেদুলের বিরুদ্ধে চাকরিতে প্রবেশে বয়স বৃদ্ধির মহাসমাবেশের তারিখ চুড়ান্ত! বাউফলে মৎস্য বিভাগ ও নৌ-পুলিশের অভিযান: ৮ জেলের কারাদণ্ড বাউফলে অন্য ঘরের মাচা ভেঙে লাকড়ির তলে পড়ে গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু ! নওগাঁয় দুই সাংবাদিকের ছবি ব্যবহার করে এআইতে ভুয়া ছবি-ভিডিও তৈরি করে অপপ্রচারের অভিযোগ; থানায় জিডি বাউফলে তেতুলিয়া নদীতে মা ইলিশ শিকার করাকালীন ৪ জন জেলে আটক, অতপর সাজা 

জীবিত থেকেও ‘মৃত’ হালিমা খাতুন

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৪২৬ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক:

হালিমা খাতুনের বয়স প্রায় নব্বই ছুঁই ছুঁই। জীবনের শেষপ্রান্তে এসে দাঁড়ালেও এখনো তিনি জীবিত। তবে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সার্ভারে তাঁকে মৃত দেখানো হয়েছে। এজন্য বয়স্ক ভাতা পাচ্ছেন না হালিমা।

বর্তমানে হালিমা ছেলেদের সঙ্গে থাকেন। সম্প্রতি ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে উপজেলা সমাজসেবা অফিসে বয়স্ক ভাতার আবেদন করতে গেলে বিষয়টি জানতে পারে তাঁর পরিবার। এনআইডি সার্ভারে মৃত হিসেবে উল্লেখ থাকায় হালিমা বঞ্চিত হচ্ছেন সরকারি সাহায্য থেকে।

হালিমাকে এনআইডি সার্ভারে তাঁকে জীবিত দেখানোর দাবি জানিয়েছে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ, যাতে তিনি বয়স্কভাতা পান।

বড় গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হালিমা খাতুনের বাড়ি শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বড় গোপালপুর ইউনিয়নের আইজউদ্দিন সিকদার কান্দি এলাকায়। স্বামীর নাম কাইয়ুম সিকদার। তাঁর জন্ম ১৯৩৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর। গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোট দিতে গিয়েছিলেন হালিমা খাতুন। তবে আঙুলের ছাপ না মেলায় ভোট না দিতে পেরে সেদিন বাড়ি ফিরে যান তিনি। তখন অবশ্য বিষয়টি আমলে নেয়নি পরিবারের সদস্যরা।

সম্প্রতি বয়স্ক ভাতার কার্ডের জন্য ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে আবেদন করলে সেখান থেকে জানানো হয় তিনি ‘মৃত’। ২০১৯ সাল থেকে অনলাইন সার্ভারের জাতীয় পরিচয়পত্রে তাঁকে মৃত দেখাচ্ছে।

হালিমার ছেলের বউ ফাতেমা বেগম বলেন, ‘আমরা পরিবারে সাতজন লোক। স্বামী ভ্যানগাড়ি চালায়। তাই বয়স্ক ভাতা করতে গেলে তারা বলে, শাশুড়ি মারা গেছেন। শাশুড়িতো জীবিত! সরকার যদি বয়স্ক ভাতা করে দেয়, তাহলে পরিবার নিয়ে আমরা ভালো থাকতে পারতাম।’

স্থানীয়রা বলেন, হালিমা এখনো জীবিত আছেন। তাঁরা গরীব পরিবার। তাঁর ছেলে ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে। তাঁকে যদি বয়স্ক ভাতা দেওয়া হয়, তাহলে সুন্দরভাবে চলতে পারবেন।

বড় গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘হালিমা জীবিত আছেন। ভুলবশত নির্বাচন অফিস লিখেছে হালিমা মৃত। তবে ইউনিয়ন পরিষদে কোনো ভুল হয়নি, হালিমা জীবিত আছেন। পরিষদে বিধবাভাতা ও বয়স্ক ভাতার জন্য আবেদন করলে অনলাইনের সার্ভারে মৃত দেখায় তাঁকে। এজন্য বয়স্ক ভাতা ক্যানসেল করা হয়েছে।

ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা এটার দ্রুত নিষ্পত্তি চাই। হালিমাকে সার্ভার থেকে জীবিত দেখানো হোক, যাতে তিনি বয়স্কভাতা পেতে পারেন।’

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আবদুল মান্নান বলেন, ‘তাঁর (হালিমা) ডেড স্ট্যাটাস রয়েছে, এটা সঠিক। তবে কি কারণে হয়েছে এটা এই মুহূর্তে বলা যাবে না। এটা তদন্তের বিষয় রয়েছে। হালিমা যদি আমাদের কাছে আসেন, তাঁর জাতীয় পরিচয়পত্র ঠিক করে দেওয়া হবে।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved