1. info@www.dailybdcrimetimes.com : দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস.কম :
শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:০২ পূর্বাহ্ন
Title :
ঢাকা-২০ (ধামরাই) সংসদীয় আসনে ধানের শীষ প্রতীকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু ঢাকা–১৪ আসনে হতে যাচ্ছে ত্রিমুখী নির্বাচনী লড়াই।বিএনপির ভোট বিভক্তিতে সম্ভবনায় জামায়াত! নবম জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদন পেশ রংপুরে বিএমডিসি ছাড়াই ডেন্টিস্ট চেম্বার খুলে রমরমা বাণিজ্য সরকারি জমি দখল করে কোটি টাকার বানিজ্য! তিস্তা মহাপরিকল্পনায় টেকসই সমাধান চায় অন্তর্বর্তী সরকার, চীনের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্তের পথে বরগুনায় অবৈধ চুল্লি প্রভাবশালীদের ছত্রচ্ছায়ায় ১০টি ‘মৃত্যু কারখানা বিবাহবিচ্ছেদে মেলিন্ডাকে ৮ বিলিয়ন ডলার দিতে হলো বিল গেটসের বিজয় দিবসে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং, গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম বাংলাদেশের নীলফামারীর হাজীগঞ্জে সরকারি খাস জমি দখল, বিক্রি ও অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে মানববন্ধন, গণস্বাক্ষর ও স্মারকলিপি প্রদান

চরভদ্রাসনে হঠাৎ বেড়েছে বিভিন্ন প্রকার বাজির উপদ্রব

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল, ২০২৪
  • ৩১৫ Time View

ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি-

ঈদকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরে চরভদ্রাসনে হঠাৎ বেড়েছে বিভিন্ন প্রকার বাজির উপদ্রব। চরভদ্রাসন উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম এলাকায় উঠতি বয়সী ছেলে-মেয়েরা দেদারসে কিনছে এসব বাজি।
কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে পথে ঘাটে, বাড়ির আঙিনাসহ যেখানে সেখান ফাটানো হচ্ছে এসব বাজি। বাজির বিকট শব্দে আঁতকে উঠছে শিশু, বৃদ্ধসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
এতে হৃদরোগীসহ বিভিন্ন জটিল রোগীরা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
চরভদ্রাসনে একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা হলে তারা বলেন, এসব বাজি অচিরেই নিষিদ্ধ ঘোষণাসহ প্রশাসনের কঠোর নজরদারি দরকার।

তা না হলে এর রেশ টানা কঠিন। উঠতি বয়সী ছেলে-মেয়েরা এসব বাজিতে আসক্ত হয়ে যাচ্ছে।

তারা, বাবা-মার কাছে থেকে টাকা নিয়ে দেদারসে কিনছে এসব বাজি। বাজির শব্দে মানুষ অতিষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ঘটছে অহরহ দুর্ঘটনা।

প্রশাসনের কঠোর নজরদারির অভাবে কোনো প্রকার বাধাবিঘ্ন ছাড়াই এসব বাজি ফুটালেও কোনো প্রকার রেশ টানা যাচ্ছে না। প্রশাসন এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নিবে এমনটাই প্রত্যাশা চরভদ্রাসন বাসীর।

চরভদ্রাসন থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল ওহাব বলেন আমার স্পেশাল অফিসারদের এই বিষয়ে বলা আছে,যেহেতু বাজি তৈরির কারখানা চরভদ্রাসন উপজেলার ভেতরে নাই সেজন্য তো সেভাবে বন্ধ করতে পারতেছি না,তবে বাজি ফুটানোর বিষয়ে গার্জিয়ানদের সচেতন করতে হবে,যেহেতু বিষয়টা বললেন আমি দেখতেছি,তবে, বোমা কিংবা ককটেল ফোটানো বন্ধে স্থায়ী আইন থাকলেও পটকা বাজি ও আতশবাজি ফোটানো বন্ধে তেমন শক্ত কোনো আইন নেই। তবে, এসব বাজি ফোটানো বন্ধে পুলিশ কাজ করে থাকে।

তবে সমাজের সব শ্রেণির মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এটি কমিয়ে আনা সম্ভব বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved