1. info@www.dailybdcrimetimes.com : দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস.কম :
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৫ অপরাহ্ন
Title :
বরগুনায় শিক্ষকের ওপর হামলা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ পলাশবাড়ীর দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হামিউচ্ছুন্নাহ মাদ্রাসায় কোরআনের ছবক ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সংবাদ সম্মেলন করেন কন্ঠ শিল্পী সপ্না সরকার নীলফামারীতে ৮৯০ টি দূর্গামন্দিরে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত অটোরিকশাচালক বাবলুর মৃত্যু, বদরখালীতে শোকের ছায়া বাউফলে ১২৪ পিচ ইয়াবাসহ মাদক কারবারি খলিল সরদার গ্রেপ্তার বাউফলে ধুলিয়া স্কুল এন্ড কলেজে শিক্ষক ও এডহক কমিটিতে অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগ ! নীলফামারীতে হাইড্রোলিক হর্ণবিরোধী অভিযানে ৩ যানবাহনকে জরিমানা মহিপুরে ৫১ পিস ইয়াবাসহ সাবেক ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার, সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবি জলঢাকায় হাট ইজারা ঘিরে পে-অর্ডার ও নগদ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ

নিষিদ্ধ ‘চায়না জাল’, এ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে দেশি প্রজাতির মাছ, নেই প্রশাসনের তৎপরতা

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৩১৭ Time View

এম জাফরান হারুন, পটুয়াখালী::

জালের নাম “চায়না জাল”। গড়ে প্রায় ৪০ ফুট লম্বা। এক ফুট পরপর ছোট-বড় মাছ প্রবেশের পথ। প্রবেশ করলে আর বের হতে পারে না। এই জালে রেনু পোনা থেকে বড় মাছ এমনকি জলজ প্রাণি সবই আটকে যায়। বিশেষভাবে তৈরি এই জাল মাছের মরণফাঁদ। সরকারিভাবে নিষিদ্ধ হলেও উপজেলার খাল-বিল, নদী-নালা এই জালে সয়লাব। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীরা অধিক লাভের আশায় এসব জাল অবাধে বিক্রি করছেন। অপরদিকে এক শ্রেণির মানুষ এগুলো খালে-বিলে, নদী-নালায় ব্যবহার করে দেশি প্রজাতির মাছের বংশবিস্তার সংকটে ফেলছে।

সূত্র জানায়, কয়েক বছর ধরে উপজেলার বিভিন্ন খাল-বিল, ডোবা-নালা এবং নদীতে চায়না দুয়ারি জাল দিয়ে মাছ শিকার করা হচ্ছে। ঘনভাবে প্লাষ্টিকের তৈরি ৩০ থেকে ৪০ ফুট জালের দাম ২ থেকে ৩ হাজার এমনকি ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। উপজেলার ছোট-বড় বিভিন্ন হাট-বাজারে জাল-সুতার দোকান এমনকি মুদি-মনোহারী দোকানেও প্রশাসনের নজরদারি এড়িয়ে এই জাল খুচরা ও পাইকারী বিক্রি করা হচ্ছে। উপজেলার প্রায় সব এলাকায়ই এই জাল ব্যবহার করা হলেও চরাঞ্চলে এই জালের ব্যবহার বেশি হচ্ছে।

কালাইয়া এলাকার স্কুল শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান বলেন, চায়না দুয়ারি জাল মারাত্মক ধ্বংসাত্মক। এ জালে মাছের সাথে রেনু পোনাসহ বিভিন্ন প্রজাতির জলজ প্রাণিও মারা পড়ছে। এতে দিনদিন দেশীয় প্রজাতির মাছ ও জলজ প্রাণি বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। পৌর শহরের মাছ ব্যবসায়ী মো. রুবেল সিকদার জানান, এক সময় বাজারে প্রচুর দেশি মাছ পাওয়া যেত। গত কয়েক বছর ধরে আর আগের মত দেশি মাছের দেখা মিলছে না। বিভিন্ন নিষিদ্ধ জাল, মাত্রাতিরিক্ত কিটনাশক ও সার ব্যবহারের কারণে খাল-বিল, ডোবা-নালায় দেশি মাছ বিলুপ্তি হচ্ছে।

হাটে-বাজারে নিষিদ্ধ এই জাল বিক্রি করা হলেও প্রশাসনের তেমন তৎপরতা নেই বলে অভিযোগ করেছেন অনেকে। এ জালের ব্যবহার বন্ধের দাবি করে বাউফলের সুশীল সমাজের একাধিক ব্যক্তি মনে করছেন, এমনিতে দেশি মাছ বিলুপ্তির পথে, এই জাল দিয়ে দেশি মাছের রেনুপোনাসহ বিভিন্ন জলজপ্রাণি ধ্বংস করা হচ্ছে। এরফলে দেশি মাছের যে কয়কটি প্রজাতি টিকে রয়েছে তাও অরিচেই বিলুপ্ত হয়ে যাবে। তারা দাবি করেন, নিষিদ্ধ এই জাল ব্যবহারের উপর প্রশাসনের কঠোর নজরদারি করতে হবে।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, চায়না দুয়ারিসহ সকল নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে। একই সাথে অভিযান চালিয়ে এসব জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হচ্ছে। আগামিতে আরও ব্যাপক ভাবে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved