1. info@www.dailybdcrimetimes.com : দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস.কম :
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন
Title :
নীলফামারীতে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ দুই নারী গ্রেপ্তার! নীলফামারী হাসপাতালে চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ, আ*ট*ক অ্যাম্বুলেন্স চালক পীরগাছায় নম্বর জালিয়াতি করে জমি রেজিস্ট্রির অভিযোগ উঠেছে আবেদুলের বিরুদ্ধে চাকরিতে প্রবেশে বয়স বৃদ্ধির মহাসমাবেশের তারিখ চুড়ান্ত! বাউফলে মৎস্য বিভাগ ও নৌ-পুলিশের অভিযান: ৮ জেলের কারাদণ্ড বাউফলে অন্য ঘরের মাচা ভেঙে লাকড়ির তলে পড়ে গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু ! নওগাঁয় দুই সাংবাদিকের ছবি ব্যবহার করে এআইতে ভুয়া ছবি-ভিডিও তৈরি করে অপপ্রচারের অভিযোগ; থানায় জিডি বাউফলে তেতুলিয়া নদীতে মা ইলিশ শিকার করাকালীন ৪ জন জেলে আটক, অতপর সাজা  বরগুনায় শিক্ষকের ওপর হামলা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ পলাশবাড়ীর দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হামিউচ্ছুন্নাহ মাদ্রাসায় কোরআনের ছবক ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

পাইকগাছার উপজেলার পাবলিক লাইব্রেরী ও জাদুঘর অভিভাবকহীন পাঠক শুন্য অবস্থায়

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৪
  • ২২৮ Time View

মোঃ শফিয়ার রহমান খুলনা পাইকগাছা প্রতিনিধি –

খুলনার পাইকগাছা উপজেলার পাবলিক লাইব্রেরী ও জাদু ঘরের করুণ দুরাবস্থার কারণে সেটাকে জাদুঘরে পাঠানোর মত অবস্থা হয়েছে। প্রায় দেড় যুগ ধরে নেই কোন কমিটি। বর্তমানে অভিভাবকহীন অবস্থায় পড়ে আছে প্রতিষ্ঠানটি। পাইকগাছা পৌরসভার প্রাণকেন্দ্রে ১৯৮৫ সালে পাবলিক লাইব্রেরী ও জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠিত হয়। তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ স.ম. বাবর আলী এর প্রতিষ্ঠা করেন। যার আজীবন সদস্য ১৪৬ আর সাধারণ সদস্য ৯৩৮ জন। দু’শ বই নিয়ে শুরু হয় এর যাত্রা। পরবর্তীতে যার সংখ্যা ছিল ৫ হাজার। প্রতিষ্ঠানটি নামে থাকলেও বাস্তবে এর অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে পড়েছে। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে লাইব্রেরিতে নতুন কোন বই পুস্তক দেয়া হয়নি। পুরাতন যেসব বই ছিল তার মধ্যে অনেকগুলোই নষ্ট ও হারিয়ে গেছে। লাইব্রেরির ভবন ভগ্নদশায় পরিনত হয়েছে। এক সময় পাঠকের ব্যাপক উপস্থিতি থাকলেও বর্তমান তা একেবারেই পাঠকশূন্যে হয়ে পড়েছে। পাইকগাছা পৌরসভা ১৯৯৯ সালে অলিখিতভাবে উপজেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ থেকে পৌরসভা নিয়ন্ত্রণে নেয়। তবে পৌর কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতার কারণে লাইব্রেরি ও জাদুঘরটি ধ্বংস হয়ে গেছে। জাতীয় ও আঞ্চলিক ৯ টা সংবাদপত্র লাইব্রেরিতে নেয়া হতো। কিন্তু ২ বছর যাবৎ বিল পরিশোধ না করায় ৫ মাস যাবত তা বন্ধ রয়েছে। এদিকে জাদুঘরের জানালা দরজা ভাঙ্গা, ভেতরে যেসব দুর্লভ জিনিষপত্র ছিল তার কিছুই নেই। আছে ভাঙ্গা ছেড়াছুটা আলমারি, কাঠকুটো আর ময়লা আবর্জনায় ভরা কক্ষ। কতদিন যে যাদুঘরের কক্ষটি খোলা হয়নি তাও বলতে পারলো না মাষ্টার রোলে দায়িত্বে থাকা লাইব্রেরিয়ান শেখ রাকিব সিফাত। সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ স.ম. বাবর আলী জানান, তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে এটা প্রতিষ্ঠা করেছিলাম । তখন উদ্দেশ্যও সফল হলেও প্রতিষ্ঠানটি এভাবে ধ্বংস হবে ভাবতেই পারিনা।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মাহেরা নাজনীন বলেন, পাবলিক লাইব্রেরী ও যাদুঘরটি কোন অবস্থায় আছে তা আমার জানা নেই। খোঁজ খবর নিয়ে যাতে এটা সচল করা যায় সে ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়ার চেষ্টা করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved