1. info@www.dailybdcrimetimes.com : দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস.কম :
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ০৫:১৩ অপরাহ্ন
Title :
প্রধানমন্ত্রী বেরিয়ে দেখলেন রাস্তায় কুরবানির বর্জ্য, দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত কূটনৈতিক চাপে “ডোনাল্ড ট্রাম্প” কে দেয়া হচ্ছে না কুরবানী, রাখা হবে মিরপুর চিড়িয়াখানায় ! ধ*র্ষকদের বিরুদ্ধে বিন্দুমাত্র ছাড় নয়,গড়ে তুলতে হবে সামাজিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা – আরিফুর রহমান রাজধানীর মিরপুর কালশী বাউনিয়াবাদ বস্তিতে ভ/য়াবহ অ/গ্নি’কা’ণ্ড, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক গু*ম,খু*ন, ধ*র্ষন, মাদকাসক্ত ও স্পর্শ কাতর অন্যায় শূন্যের কোঠায় আনতে কঠোর হচ্ছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশু সন্তানের নিরাপত্তায় শটগান চেয়ে আবেদন বাবার! মাদকের ভয়াবহ আগ্রাসনে বিকৃত হচ্ছে মস্তিষ্ক, বাড়ছে খুন ও ধর্ষণ প্রবণতা ! বজ্রপাতে সাহেব আলী মাঝির ৫টা গরুর মর্মান্তিক মৃত্যু! যমুনা সেতুর পূর্বপাড়ে ট্রাক উল্টে ১৭ জন নি’হ’ত! বরগুনায় ৭৫০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

নারী সাজে নিজেকে নিবেদন করার এক নীরব ইচ্ছা থেকে

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৭৪ Time View

বিনোদন ডেক্স:

সোহাগি এক নারী ধীরে ধীরে নিজেকে সাজায়—কাউকে দেখানোর জন্য না, বরং কারো কাছে নিজেকে নিবেদন করার এক নীরব ইচ্ছা থেকে। একান্ত পুরুষের এনে দেওয়া লাল শাড়িটা পরতে গিয়ে তার মনে এক অদ্ভুত কম্পন জেগে ওঠে। শাড়ির প্রতিটা ভাঁজ যেন আলাদা করে কথা বলে—মায়া, ভালোবাসা আর অদৃশ্য এক টানের গল্প।

হাতে লাল চুড়ি পরার সময় তার আঙুলগুলো একটু থমকে যায়, যেন প্রতিটা শব্দ, প্রতিটা ঝংকারে সেই মানুষের উপস্থিতি খুঁজে পায়। পায়ে আলতার নরম ছোঁয়া, খোপায় গুঁজে দেওয়া ফুল—সবকিছু মিলিয়ে সে যেন নিজের ভেতরের সৌন্দর্যটাকে ধীরে ধীরে ফুটিয়ে তোলে। সিঁথিতে সিঁদুরের লাল রেখা টেনে নেওয়ার সময় তার চোখে এক ধরনের নীরব শান্তি ভেসে ওঠে—যেন এই সাজ শুধু বাহ্যিক না, বরং গভীর এক অনুভূতির প্রকাশ।

সব প্রস্তুতি শেষে সে ধীরে ধীরে গিয়ে দাঁড়ায় তার একান্ত মানুষের সামনে। চারপাশে কোনো শব্দ নেই, তবুও মুহূর্তটা ভরে থাকে অদ্ভুত এক উষ্ণতায়। তার চোখে লাজুক মায়া, ঠোঁটে অল্প এক হাসি—যেখানে অনেক না বলা কথা লুকিয়ে থাকে।

তারপর খুব স্বাভাবিক ভঙ্গিতে, হালকা স্বরে বলে—
“সেফটিপিনটা লাগিয়ে দিবে?”

এই ছোট্ট কথাটার ভেতরেই যেন লুকিয়ে থাকে গভীর এক ঘনিষ্ঠতা। এটা শুধু একটা অনুরোধ না—এটা কাছে আসার এক নীরব আহ্বান, একটা বিশ্বাসের স্পর্শ। সেই মুহূর্তে দুজনের দূরত্বটুকু মিলিয়ে যায় খুব সহজে, খুব স্বাভাবিকভাবে।

এভাবেই শুরু হয় সোহাগ—বড় কোনো আয়োজন দিয়ে না, বরং ছোট ছোট স্পর্শ, নরম ইশারা আর আন্তরিক উপস্থিতির ভেতর দিয়ে। যেখানে ভালোবাসা শব্দে প্রকাশ পায় না, কিন্তু অনুভবে স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
সোহাগের নারী আর তার একান্ত পুরুষ—দুজনেই তখন একে অপরের ভেতরে জায়গা করে নেয়, নিঃশব্দে, কিন্তু গভীরভাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved