1. info@www.dailybdcrimetimes.com : দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস.কম :
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন
Title :
পলিথিনের ঝুপড়িতে মানবেতর জীবন, পুনর্বাসনের আশায় বৃদ্ধ লুৎফর রহমান যারা খেলা বোঝে তারাই ব্রাজিল করে- অপু বিশ্বাস বরগুনায় “স্বামীর ভাগ কাউকে দেওয়া যায় না” লিখে স্ত্রীর আ*ত্মহ*ত্যা! বন সংশ্লিষ্ট দালালির অভিযোগে বিতর্কে ইসমাইল হোসেন লাল মিয়া বরগুনায় আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতির কারনে দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি! বরগুনায় ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফাকে কু*পি*য়ে জ*খ*ম করায় গণধোলাইয় নি*হত সন্ত্রাসী কালু! শ্রীপুরে সাবেক পিয়নের বিরুদ্ধে নামজারি ফি আত্মসাতের অভিযোগ ০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে টালমাটাল অবস্থা অস্ট্রেলিয়ার! পার্লামেন্ট মেম্বার’স ক্লাবের “সভাপতি” নির্বাচিত হয়েছেন নুরুল ইসলাম মনি বরগুনার গৌরীচন্না ইউনিয়নে এক রাতে ১০ গরু চুরি!

স্বামী বিদেশ থাকলেও দেশে শতাধিক পুরুষের সাথে সরাসরি ও অনলাইনে অনৈতিক কর্মকান্ডের অভিযোগ উঠেছে বরিশালের কলেজ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে (পর্ব- ১)

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৮০ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক:

এক বরগুনার মিন্নী নাড়িয়ে দিয়েছিলো সারাদেশকে। এবার সব কিছুকে পিছনে ফেলে বিস্ফোরক ঘটনার জন্ম দিয়েছে বরিশাল মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী সমি। শুধু বরিশাল নয় গোটা বাংলাদেশের জন্য এক লজ্জার অভিশাপের ঘটনা।ঘটনার মুল চরিত্র সাদিয়া সিদ্দিকা সমি । বাবা মো: সিদ্দিকুর রহমান আমুয়া বন্দর মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক।তার ভাই ঢাকায় অবস্থান করেন সেও শিক্ষক বলে জানা গেছে।মূলত মোবাইল ও অনলাইন জগত এর নোংরামি ও সঙ্গদোষে এসএসসি পরীক্ষার আগেই একাধিক ছেলের সাথে প্রেম ও বাজে মেসেজ চালাচালি করতে করতে এক পর্যায়ে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে।পরে ঢাকার একজন উর্ধতন আইন কর্মকর্তার সাথে ফোনে প্রেম পরবর্তীতে পালিয়ে বিয়ে করলেও তার স্বামী ভালো পরিবারের ও পড়াশুনা ও সামাজিক অবস্থান ভালো হওয়ায় তার বাবা মা মেনে নেয়।যদিও ছেলের বাবা মা উচ্চ বংশের হওয়ায় মেয়েকে মেনে নিতে দেরি করে।বাধ্য হয়ে মেয়েকে তার জামাই বাবার বাসায় আপাতত রাখেন ও তার চাকুরি চালিয়ে যায়।এভাভে তাদের আসা যাওয়া চলতে থাকে।এরই এক পর্যায়ে তাকে
এইচ এসসি পরবর্তী বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজে বাংলা বিভাগে তার বাবা ভর্তি করে দিলে তার সামি তার খরচ দিতে থাকেন।পরবর্তীতে নিজেও আসা যাওয়া করেন।এরই ফাকে তার পুরনো বান্ধবি আমুয়া নিবাসী মাছ ব্যবসায়ী মো: শহীদের মেয়ে একই কলেজের সুমাইয়া আক্তার রীতুর সাথে এক মেসে থাকার সুবাদে অনৈতিক দেহ ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে।একাধিক সংবাদে নিশ্চিত হওয়া যায় যে,এই রীতু একাধিক ছেলেদের সাথে দৈহিক সম্পর্ক ও পরবর্তীতে দেহ ব্যবসায় জড়িত হয়ে ও ভিডিও কলে একাধিক পুরুষের সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করত।পাশাপাশি সাদিয়া সিদ্দিকা সমি তার চেয়ে আগ বাড়িয়ে আরো বেশি করে এ পেশায় জড়িয়ে পড়ে।অনুসন্ধানে উঠে আসে বরিশাল রুপাতলি এক ফ্ল্যাট বাসা ভাড়া নিয়ে এই দুজন দেহ ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে।লুকিয়ে ছেলেদের ফ্ল্যাটে গিয়ে দুই বান্ধবি সাগর ও জিহাদ নামের দুই ছেলের সাথে দুই রুমে ২-৩ দিন পর্যন্ত অবস্থান করতেন।এছাড়াও পরবর্তীতে ফেসবুক ও অনলাইনে বরিশাল শহরের কমপক্ষে ১০০ জন পুরুষের সাথে বিবিরপুকুর এর বিভিন্ন হোটেল ও কুয়াকাটার বিভিন্ন হোটেলে মাসের পর মাস রাত্রি যাপন করেছে।যার একাধিক সাক্ষ্য প্রমান পাওয়া গেছে।শুধু তাই নয় সাদিয়া সিদ্দিকা সমি তিনি আমুয়া গ্রামের একাধিক ছেলের সাথেও ঢাকা ও বরিশালের বিভিন্ন হোটেল ও মেসে যৌন সম্পর্ক অব্যহত রাখার মত প্রমান পাওয়া গেছে।এর মধ্যে একই গ্রামের সাইফুল,সোহেল রানা, শফিকুল সহ একাধিক ছেলের সাথে যৌন সম্পর্ক প্রমান পাওয়া গেছে।বরিশাল থাকা অবস্থায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ভুক্তভুগী বলেছেন সে কমপক্ষে ৮০-১০০ জন পুরুষ বা তার বেশি পুরুষের সাথে বিছানায় গিয়েছে।এদের কাছে কুয়াকাটায় রাত্রি যাপন করে বিকাশে মোটা অংকের টাকা এরা কামিয়ে নিতো। তাদের বিকাশ স্টেটম্যন্ট এ তার প্রমান পাওয়া গেছে। সাদিয়ার একাউন্টে এক মাসে ৭০,০০০ টাজার টাকা আনা নেওয়ার প্রমান পাওয়া গেছে কমপক্ষে ৩০ জন পুরুষের কাছ থেকে।একধিক যুবক নিশ্চিত করেছেন ফেসবুকে সাদিয়া নিজেই ফ্রেন্ড রিকুয়েষ্ট দিয়ে তাদেরকে যৌন সম্পর্কে প্রলুব্ধ করতেন।এরা সবাই পরে এর অস্বাভাবিক যৌন চাহিদা ও বিকৃত আচরন দেখে বলেছেন যে সাদিয়া সমি একজন সাইকো সেক্স ডিস অর্ডারের রোগি।এ রোগে বিভিন্ন পুরুষের দেহ একজন মেয়ের কাছে ভোগ করা একজন রোগী বানিয়ে দেয়।বরিশাল শহরের একজন বাবার বয়সী কাউন্সিলর মূলত সুগার ড্যাডি হিসেবে প্রায় ১বছর এই সাদিয়া সমিকে মাসের পর মাস ভোগ করে।এছাড়াও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও প্রতিটি কলেজে রাস্তা ঘাটে পুরুষ পেলেই তার সাথে সে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছে।একাধিক ভুক্তভোগী ও তার শতাধিক বয়ফ্রেন্ডের সাথে কথা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে এই সাদিয়া সমি শতাধিক বার ভিডিও কলে সারাদিন নিজের দেহ প্রদর্শন করে তাদের হোটেলে নিয়ে শারিরীক সম্পর্ক করেছে।এর মধ্যে বরিশালের একজন ফটোগ্রাফার হৃদয় খানের সাথে কুয়াকাটার হোটেলে সরাসরি যৌন সম্পর্ক হওয়ার প্রমান পাওয়া গেছে।তার হাত থেকে তার জুনিয়র থেকে ৬০ বছর বয়সী কেউই পার পায়নি।বরিশাল রুপাতলি বাসায় ধরা পড়ে এদের বিচার ও করে স্থানীয় লোকজন।পরে বাসা,বদলে আবারো হোটেল এ দেহ ব্যবসায় জড়ায়।বিবাহিত হয়েও এতবড় দেহ ব্যবসা ও পরকীয়ার ঘটনা বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল।একজন নারী বিবাহিত হয়েও এতজন পুরুষের সাথে বিছানায় যাওয়া রেকর্ড বটে যা অতীতে ইতিহাসে পাওয়া যাবেনা।বরিশাল তথা বাংলাদেশে এই ঘটনা চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved