
এম জাফরান হারুন:
পটুয়াখালীর বাউফলের কনকদিয়া ইউনিয়নের মধ্য পশ্চিম কনকদিয়া চুনারপোল জামে মসজিদের নির্মাণকাজে বাধা দেওয়া সহ বিভিন্ন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
সোমবার (১৮ মে) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চুনারপোল বাজার এলাকায় প্রায় ৩৫টি ছোট-বড় দোকান রয়েছে। বাজারের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় মুসল্লিদের নামাজ আদায়ের সুবিধার্থে ১৯৯৩ সালে সরকারি খাস জমিতে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। পরে ২০০৪ সালে স্থানীয়রা বাজারসংলগ্ন প্রায় ১২ শতাংশ জমি মসজিদের নামে দান করেন।
স্থানীয় মুসল্লিরা জানান, মসজিদের নিজস্ব জমিতে পাকা ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলে বর্তমানে ভবনের নিচতলার বিম পর্যন্ত নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে পাশের জমির মালিক মো. শাহ আলম হাওলাদার নির্মাণকাজে বাধা সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় মুসল্লি মো. আবুল হোসেন, মো. আব্বাস উদ্দিন, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ও মো. সেলিম হাওলাদার বলেন, “মসজিদের দাগের মধ্যে শাহ আলম হাওলাদারের দশমিক ৬২ শতাংশ জমি রয়েছে। তার জমি মসজিদের দক্ষিণ পাশে রেখে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তিনি উত্তর পাশের পথের মধ্যে জমি দেওয়ার দাবি করছেন। এতে মসজিদের ভবন নির্মাণ সম্ভব হচ্ছে না।”
তারা আরও বলেন, “বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়েছিল। এমনকি রোয়েদাদও হয়েছে। এরপরও বিম নির্মাণের পর আবার বাধা দেওয়া হচ্ছে।”
স্থানীয় বাসিন্দা মোছা. ছবি তারা বেগম বলেন, “উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মসজিদের নির্মাণকাজে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। একটি পরিবার ছাড়া এলাকার সবাই মসজিদ নির্মাণের পক্ষে।”
তবে অভিযুক্ত শাহ আলম হাওলাদারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার দুই ছেলে মো. মামুন ও মো. রাসেল বলেন, “আমাদের জমি উত্তর পাশেই দিতে হবে।”
এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন, “মসজিদ সবার। খাসজমি ছেড়ে মসজিদের নিজস্ব জমিতে ভবন নির্মাণের উদ্যোগ ভালো উদ্যোগ। এতে বাধা দেওয়া ঠিক হচ্ছে না।