1. info@www.dailybdcrimetimes.com : দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস.কম :
শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৩ অপরাহ্ন
Title :
বাউফলে ধুলিয়া রক্ষা ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে হাজার হাজার মানুষের মানববন্ধন সিরাত প্রতিযোগীতা ২০২৬ প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো আব্দুস সাত্তার জামে মসজিদ গাজিপুরে নীলফামারীতে সাপের কামড়ে যুবক নিহত! মিথ্যা মামলা দায়ের অভিযোগ ,বাদির ২০ দিনের কারাদণ্ড! কেন্দুয়ায় আওয়ামী লীগের অসীম কুমার উকিল ও অপু উকিলের (দালাল)এজেন্ট সমরেন্দ্র বিশ্বশর্মা এখন বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচির সঞ্চালক বাংলাদেশের দুঃসময়ে আগ্রাসী ভারত! আমাসুফ মৌলভীবাজার জেলা কমিটি গঠন- সভাপতি এ্যাডভোকেট জগদীশ দাশ সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম সবুজ খেলাপি ঋণে বিশ্বের দরবারে প্রথম অবস্থানে বাংলাদেশ! বাউফলে হাত বাড়ালেই মিলছে যত্রতত্র মাদক, মাদক নিয়ন্ত্রণ নয় নির্মূলের দাবি সবার বিমানবন্দরে ২০ কোটি টাকার স্বর্ণের বার উদ্ধার!

কেন্দুয়ায় আওয়ামী লীগের অসীম কুমার উকিল ও অপু উকিলের (দালাল)এজেন্ট সমরেন্দ্র বিশ্বশর্মা এখন বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচির সঞ্চালক

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২২ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলা জাসাসের উদ্যোগে নজরুল বর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানে বিতর্কিত ব্যক্তিকে সঞ্চালকের দায়িত্ব দেওয়ার প্রতিবাদ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন–জাসাস।

এটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ সহযোগী সংগঠন। মহান স্বাধীনতার ঘোষক, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর আদর্শ ও জাতীয়তাবাদী চেতনায় গড়ে ওঠা এই সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে জাতীয়তাবাদী মূল্যবোধকে ধারণ ও লালন করে আসছে। জাসাসকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, তাঁর সহধর্মিণী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের অসংখ্য নেতাকর্মীকে দীর্ঘ সংগ্রাম ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে হয়েছে। দলের দুঃসময়ে যারা রাজপথে ছিলেন, জেল-জুলুম, মামলা-হামলা, নির্যাতন ও নানা প্রতিকূলতা সহ্য করে সংগঠনকে টিকিয়ে রেখেছেন–তাদের ত্যাগের কারণেই আজ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলো একটি শক্তিশালী অবস্থানে দাঁড়াতে পেরেছে।

সেই দীর্ঘ সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলা জাসাসকে প্রতিষ্ঠিত ও সংগঠিত করার কাজে আমিও একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে দীর্ঘদিন (১০ বছর) দায়িত্ব পালন করেছি। নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও (কেন্দুয়া-আটপাড়া) আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী মহোদয়, সাবেক জাসাস এর আহবায়ক ও সভাপতি কবি তানভীর জাহান চৌধুরী, কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান ভূইয়া মজনু, জহিরুল হক স্বপন, মাসুদুর রহমান ভূইয়া রুবেল, আবুল বাশার তালুকদার, অলি উল্লাহসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের অসংখ্য নেতাকর্মীর সহযোগিতা ও ত্যাগের মধ্য দিয়ে আমরা কেন্দুয়া উপজেলা জাসাসকে গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করেছি। সেই সময় বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ছিল না। রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত কঠিন ও প্রতিকূল পরিবেশে থেকেও আমরা সংগঠনের কার্যক্রম চালিয়ে গেছি।
২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ দশ বছরে দুইবার আহ্বায়ক এবং দুইবার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি।
এই সময়ের প্রতিটি দিন, প্রতিটি কর্মসূচি এবং প্রতিটি সাংগঠনিক অর্জনের সঙ্গে আমার ও আমার সহযোদ্ধাদের ত্যাগ, শ্রম, সময় ও অর্থ জড়িয়ে আছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ ও ক্ষোভের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কেন্দুয়া উপজেলা জাসাসের আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে।
অথচ সংগঠনের দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের ভূমিকা, সাংগঠনিক ইতিহাস ও অবদান যথাযথভাবে মূল্যায়নের পরিবর্তে এমন কিছু কর্মকাণ্ড পরিলক্ষিত হচ্ছে, যা সংগঠনের ভাবমূর্তি ও রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।
নজরুল বর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানে বিতর্কিত ব্যক্তিকে সঞ্চালকের দায়িত্বে কেন?সম্প্রতি কেন্দুয়া উপজেলা জাসাসের উদ্যোগে নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে “বিদ্রোহী ও মানবতার কবি নজরুল” শীর্ষক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপজেলা পরিষদের হলরুমে আজ অনুষ্ঠিত হয়। বাংলার বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে এমন একটি অনুষ্ঠান নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় উদ্যোগ।
জাতীয়তাবাদী চেতনার সাংস্কৃতিক সংগঠন হিসেবে জাসাসের পক্ষ থেকে কবি নজরুলের সাহিত্য, মানবতা, সাম্য, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং স্বাধীনতা চেতনা মানসিকতা নিয়ে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে।
অনুষ্ঠানে নেত্রকোনা জেলা জাসাসের আহ্বায়ক সাদমন পাপ্পু, সদস্য সচিব গজনবী চয়ন, কেন্দুয়া উপজেলা জাসাসের সাবেক সভাপতি হিসেবে আমি এবং আমার দীর্ঘদিনের সহযোদ্ধাসহ জাসাসের অনেক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলাম। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো–এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ও দলীয় ভাবমূর্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত অনুষ্ঠানের সঞ্চালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সমরেন্দ্র বিশ্ব শর্মাকে।
আমার বক্তব্য ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থেকে বলতে চাই, এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত দুঃখজনক, অনাকাঙ্ক্ষিত এবং সাংগঠনিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।
আমার প্রশ্ন–দলের দুঃসময়ের ত্যাগী নেতাকর্মীরা কোথায়? যারা বিএনপির দুঃসময়ে মাঠে ছিলেন, যারা বছরের পর বছর মামলা-মোকদ্দমা, হামলা, নির্যাতন, গ্রেপ্তার ও রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও সংগঠনের পাশে ছিলেন–তাদের বাদ দিয়ে এমন একজন ব্যক্তিকে কেন একটি দলীয় অঙ্গসংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানের সঞ্চালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ?
আমার অভিযোগ অনুযায়ী, সমরেন্দ্র বিশ্ব শর্মা দীর্ঘ সময় আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক মহলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে চলাফেরা করেছেন এবং তৎকালীন আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য অসীম কুমার উকিল ও তাঁর সহধর্মিণী অপু উকিলের সঙ্গে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত ছিলেন। আমি কারও ব্যক্তিগত রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে অযথা বিতর্ক সৃষ্টি করতে চাই না। কিন্তু যে ব্যক্তি দীর্ঘ সময় একটি রাজনৈতিক বলয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন বলে আমরা স্থানীয়ভাবে দেখে এসেছি, তাঁকে বিএনপির একটি অঙ্গসংগঠনের অনুষ্ঠানের মঞ্চ পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার আগে তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা ও অতীত কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সাংগঠনিকভাবে যথাযথ যাচাই-বাছাই করা হয়েছে কি না–সেটিই আমার প্রশ্ন। কারণ বিএনপি শুধু ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য একটি রাজনৈতিক দল নয়; এটি দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম, ত্যাগ ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা একটি রাজনৈতিক পরিবার। এই দলের অঙ্গসংগঠনের প্রতিটি পদ, প্রতিটি মঞ্চ এবং প্রতিটি কর্মসূচির সঙ্গে দলের ভাবমূর্তি ও মর্যাদা জড়িত। ক্ষমতার পালাবদলের সঙ্গে অবস্থান পরিবর্তন কি গ্রহণযোগ্য? রাজনীতিতে মত পরিবর্তনের অধিকার অবশ্যই প্রত্যেক নাগরিকের রয়েছে।
কেউ যদি অতীতের রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তন করে নতুন রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাস স্থাপন করেন, সেটিও তাঁর সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক অধিকার।কিন্তু রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তন আর দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতাকর্মীদের পাশ কাটিয়ে হঠাৎ করে দলীয় কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে স্থান পাওয়া–দুটি বিষয় এক নয়। আজ যারা বিএনপির সঙ্গে সম্পৃক্ত হচ্ছেন, তাদের মধ্যে অনেকেই হয়তো সত্যিকার অর্থে জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী এবং ভবিষ্যতে দলের জন্য কাজ করবেন। তাদের আমরা স্বাগত জানাই। কিন্তু একই সঙ্গে দলের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের সম্মান, সাংগঠনিক মর্যাদা এবং রাজনৈতিক ইতিহাসকে উপেক্ষা করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। বিএনপি ও জাসাসের মঞ্চ যেন সুবিধাবাদীদের পুনর্বাসনের জায়গায় পরিণত না হয়–
এটাই আমার আকুল আবেদন– জাসাসের সাংস্কৃতিক মঞ্চের মর্যাদা রক্ষা করতে হবে জাসাস শুধু একটি সাংস্কৃতিক সংগঠনের নাম নয়।
এর সঙ্গে বিএনপির রাজনৈতিক আদর্শ, জাতীয়তাবাদী চেতনা এবং সাংস্কৃতিক আন্দোলনের একটি দীর্ঘ ইতিহাস জড়িত। একটি দলীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেকে বক্তব্য দেবেন, কে সঞ্চালনা করবেন, কারা মঞ্চে থাকবেন–এসব বিষয়কে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। কারণ একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে পুরো সংগঠন এবং দলের একটি ধারণা তৈরি হয়। সুতরাং কোনো বিতর্কিত ব্যক্তি যদি দলীয় কর্মসূচির মঞ্চে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়। দলের ত্যাগী কর্মীদের মনেও হতাশা সৃষ্টি হয়। আমার প্রশ্ন খুবই পরিষ্কার–যারা বিএনপির দুঃসময়ে রাজপথে ছিলেন, তাদের কি কোনো মূল্য নেই? যারা জেল-জুলুম ও নির্যাতন সহ্য করেছেন, তাদের কি কোনো সাংগঠনিক মর্যাদা নেই?
যারা বছরের পর বছর নিজেদের অর্থ, শ্রম ও সময় দিয়ে জাসাসকে গড়ে তুলেছেন, তাদের বাদ দিয়ে হঠাৎ করে অন্যদের দিয়ে দলের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি পরিচালনা করার প্রয়োজন কেন? আমি কোনো ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার কথা বলছি না, আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই–আমার এই বক্তব্য কোনো ব্যক্তিগত আক্রোশ, পদ-পদবি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা কিংবা ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা থেকে নয়। আমি একজন নগণ্য বিএনপি কর্মী। দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী আদর্শের সঙ্গে থেকে রাজনীতি করেছি এবং কেন্দুয়া উপজেলা জাসাসকে নিজের শ্রম, সময় ও সামর্থ্য দিয়ে সংগঠিত করার চেষ্টা করেছি। আজও কোনো পদ-পদবির লোভে নয়, দলের আদর্শ ও সংগঠনের মর্যাদার প্রশ্নেই কথা বলছি। আমার মতো অসংখ্য ত্যাগী নেতাকর্মীর একটাই প্রত্যাশা–বিএনপির মঞ্চে ত্যাগীদের মূল্যায়ন হোক, পরীক্ষিত নেতাকর্মীরা সম্মানিত হোক এবং সংগঠনের প্রতিটি সিদ্ধান্তে রাজনৈতিক সততা ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় থাকুক।কোনো ব্যক্তিকে অপমান করা আমার উদ্দেশ্য নয়। কিন্তু দলের স্বার্থে প্রশ্ন তোলা, প্রতিবাদ করা এবং ভুল সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কথা বলা একজন কর্মীর দায়িত্ব বলেই আমি মনে করি। তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ। তাই কেন্দুয়া উপজেলা জাসাসের উদ্যোগে আয়োজিত নজরুল বর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানে সমরেন্দ্র বিশ্ব শর্মাকে সঞ্চালকের দায়িত্ব দেওয়ার ঘটনায় আমি একজন জাতীয়তাবাদী কর্মী হিসেবে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি–ভবিষ্যতে দলীয় ও অঙ্গসংগঠনের যেকোনো কর্মসূচিতে দায়িত্ব বণ্টনের ক্ষেত্রে ব্যক্তির রাজনৈতিক অতীত, সাংগঠনিক ভূমিকা, দলের প্রতি আনুগত্য, ত্যাগ এবং বর্তমান অবস্থান যথাযথভাবে বিবেচনা করা হোক।বিএনপির দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন করে যদি সুবিধাবাদী ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের দিয়ে দলীয় মঞ্চ সাজানো হয়, তাহলে তা শুধু একজন কর্মীর মনোবল ভাঙবে না; বরং ধীরে ধীরে সংগঠনের ভিত দুর্বল করবে এবং সাধারণ মানুষের কাছে দলের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ করবে।আমরা এমন বিএনপি চাই না, যেখানে ক্ষমতার সময় নতুন মুখের ভিড়ে দুঃসময়ের পরীক্ষিত কর্মীরা হারিয়ে যাবেন। আমরা এমন জাসাস চাই, যেখানে শহীদ জিয়ার আদর্শ, জাতীয়তাবাদী চেতনা, সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ এবং ত্যাগী নেতাকর্মীদের সম্মান সবার আগে থাকবে।পরিশেষে বলতে চাই–দলের দুঃসময়ে যারা পাশে ছিলেন, সুসময়ে তাদের ভুলে যাওয়া চলবে না।বিএনপির মঞ্চ হবে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের সম্মানের জায়গা–সুবিধাবাদীদের পুনর্বাসনের জায়গা নয়। আমি আশা করি, বিএনপির জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন এবং ভবিষ্যতে দলীয় কর্মসূচিতে এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন, যাতে দলের ভাবমূর্তি, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ থাকে। জিয়া পরিবারের আদর্শের প্রতি অবিচল আস্থা রেখে, জাতীয়তাবাদী শক্তির ঐক্য ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা অটুট থাকুক–এই প্রত্যাশাই করি।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–বিএনপি জিন্দাবাদ।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ অমর হোক। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধা।
তারেক রহমানের নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী শক্তি আরও সুসংগঠিত হোক।

মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন সালাম
সাবেক আহবায়ক ও সভাপতি
জাসাস কেন্দুয়া উপজেলা শাখা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved