
মিরপুর প্রতিনিধি:
বিশ্বের উন্নয়নশীল ও উন্নত রাষ্ট্রের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ন্যূনতম ৪০ পর্যন্ত বর্ধিত করতে হবে। সরকারি চাকরি ব্যতীত অন্যান্য বেসরকারি / NTRCA/প্রাইভেট এবং বিশেষায়িত ব্যাংক ব্যাংক/ NGO/প্রজেক্ট/ রিসার্চ ফার্ম/ আর্থিক প্রতিষ্ঠান / আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহ /কারিগরি /প্রাইভেট হাসপাতাল /স্বায়ত্তশাসিত / আধা – সরকারি /বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান সমূহে বয়সসীমা উন্মুক্ত করতে হবে। প্রত্যেক নিয়োগ (প্রিলি,রিটেন,ভাইভা) প্রশ্নপত্রে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সঠিক উত্তর প্রদান,একই সাথে চূড়ান্ত নিয়োগের পূর্বে প্রিলি রিটেন ও ভাইভার পূর্ণ নম্বর পত্র অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। একই দিনে একই সময়ে সম/ বিভিন্ন গ্রেডের একাধিক চাকরির নিয়োগ পরীক্ষা (এমনকি ১৭ টির অধিক) নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার এই বৈষম্য বন্ধ করতে হবে। পিএসসি কর্তৃক শুধু মাত্র রাজস্ব খাতের নিয়োগ পরীক্ষা গুলো অনুষ্ঠিত হবে এবং পিএসসি আদলে অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষা জন্য আলাদা আরেকটি কমিশন গঠন করতে হবে। উভয় কমিশনের স্বচ্ছতার জন্য আলাদা অডিট/তদন্ত কমিশন গঠন করতে হবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ত্রুটিপূর্ণ প্রহসনমূলক ৩২ বছর বয়স প্রত্যাহার করে অনতিবিলম্বে চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ন্যূনতম ৪০ বছর পর্যন্ত বর্ধিত করতে হবে। বিগত দেড় বছরে ( ২০ জানুয়ারি ২০২৫-৯ আগস্ট ২০২৬) ৩২ প্রত্যাখ্যানকারী রাজপথের নির্যাতিত বঞ্চিত মেধাবী ক্ষতিগ্রস্ত আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের দ্রুত আবেদনের সুযোগ দিতে হবে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ রূপরেখার ২৩ নং দফায় বিশেষ ভাবে উল্লেখিত আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী চাকরিতে আবেদনের বিষয়টি দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। ২০০৭-২০২৫ সাল পর্যন্ত বিগত সরকারের শাসনামলে লাগামহীন প্রশ্নফাঁস, দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ,প্রক্সি ও ডিভাইস বাণিজ্য, সেশনজট, করোনাকালীন মহামারী, রাজনৈতিক অস্থিরতায় নিয়োগ স্থবিরতা, নিয়োগ দুর্নীতি ইত্যাদি কারণে চরমভাবে পিছিয়ে পড়া ক্ষতিগ্রস্ত মেধাবীদেরকে উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে সুযোগ প্রদান করে সংবিধানের ২৮ নং ধারা অনুযায়ী উপর্যুক্ত দাবিগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।