
বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন | দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মাস্টাররোল কর্মচারী শহিদ ফকিরকে ঘিরে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার আদমপুর এলাকায় পরিবারের নামে তিনতলা বাড়ি, ১৮ শতাংশ জমি, ব্যাংক আমানত, এফডিআর ও সঞ্চয়পত্রসহ বিভিন্ন সম্পদের তথ্য যাচাইয়ের দাবি উঠেছে।
অভিযোগপত্রে জমির একটি নির্দিষ্ট পরিচিতিও উল্লেখ রয়েছে। সেখানে বিএসআর খতিয়ান নম্বর ১৮১, সাবেক দাগ নম্বর ২৭৬ এবং হাল দাগ নম্বর ২৯৬-এর কথা বলা হয়েছে। অভিযোগকারীর দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট জমির পরিমাণ ১৮ শতাংশ এবং আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় এক কোটি টাকা।
তবে এসব তথ্যের সত্যতা, জমির প্রকৃত মালিকানা, বর্তমান বাজারমূল্য এবং সম্পদ অর্জনের অর্থের উৎস ভূমি অফিস, সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ও সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নথি দিয়ে যাচাই করা প্রয়োজন।
১৮ শতাংশ জমি, আনুমানিক মূল্য এক কোটি টাকা
অভিযোগে উল্লিখিত জমির তথ্য অনুযায়ী—
এলাকা: আদমপুর, মুকসুদপুর, গোপালগঞ্জ।
বিএসআর খতিয়ান: ১৮১।
সাবেক দাগ: ২৭৬।
হাল দাগ: ২৯৬।
জমির পরিমাণ: ১৮ শতাংশ।
অভিযোগকারীর দেওয়া আনুমানিক বাজারমূল্য: ১ কোটি টাকা।