1. info@www.dailybdcrimetimes.com : দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস.কম :
সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০১:১১ অপরাহ্ন
Title :
বিসিকের অসংতিপূর্ণ টেন্ডার কার্যক্রম! প্রকল্প পরিচালক হাফিজুর রহমান এর বুদ্ধিভিত্তিক অনাচার বরগুনার আমতলীতে বিশেষ অভিযানে ২ কেজি গাঁজাসহ দুই যুবক আটক বরগুনায় কৃষকের ১৪ লাখ টাকার পানের বর ধ্বংসের অভিযোগ, এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি! প্রধানমন্ত্রী বেরিয়ে দেখলেন রাস্তায় কুরবানির বর্জ্য, দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত কূটনৈতিক চাপে “ডোনাল্ড ট্রাম্প” কে দেয়া হচ্ছে না কুরবানী, রাখা হবে মিরপুর চিড়িয়াখানায় ! ধ*র্ষকদের বিরুদ্ধে বিন্দুমাত্র ছাড় নয়,গড়ে তুলতে হবে সামাজিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা – আরিফুর রহমান রাজধানীর মিরপুর কালশী বাউনিয়াবাদ বস্তিতে ভ/য়াবহ অ/গ্নি’কা’ণ্ড, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক গু*ম,খু*ন, ধ*র্ষন, মাদকাসক্ত ও স্পর্শ কাতর অন্যায় শূন্যের কোঠায় আনতে কঠোর হচ্ছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশু সন্তানের নিরাপত্তায় শটগান চেয়ে আবেদন বাবার! মাদকের ভয়াবহ আগ্রাসনে বিকৃত হচ্ছে মস্তিষ্ক, বাড়ছে খুন ও ধর্ষণ প্রবণতা !

মাগুরা হানাদারমুক্ত দিবস পালিত

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ২৬১ Time View

আফসানা ইসলাম রিমা, মাগুরা প্রতিনিধি:

আজ ঐতিহাসিক ৭ ডিসেম্বর। মাগুরা হানাদারমুক্ত দিবস। দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষে ১৯৭১ সালের এই দিনে মাগুরা পাকিস্তানি বাহিনীর হাত থেকে মুক্ত হয়।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে মাগুরায় মুষলধারে বৃষ্টি হয়। তবুও হানাদারমুক্ত দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে বিভিন্ন সংগঠন। মাগুরা জেলা প্রশাসন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ নেতাকর্মী ও পৌরসভাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দিনভর এসব কর্মসূচি পালন করে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ উপেক্ষা করেও শতশত মানুষ হানাদার মুক্ত দিবসে অংশগ্রহণ করেন।

কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে– আলোচনা সভা, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সন্ধ্যায় ব্ল্যাক আউটের মাধ্যমে দাঁড়িয়ে মোমবাতি প্রজ্বলন।

মুক্তিযোদ্ধারা জানান, ৭ ডিসেম্বর মাগুরার মুক্তিযোদ্ধারা তৎকালীন মাগুরা ও ঝিনাইদহ মহকুমার বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও ফরিদপুর জেলার একটি অংশকে শত্রুমুক্ত করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখেন। এখানকার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথা তৎকালীন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত হয়েছে।

ডিসেম্বরে মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণে হানাদার বাহিনী আর তাদের দোসরদেরকে কোণঠাসা করে ফেলে। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে যশোর থেকে পাকিস্তানি সেনাদের একটি অংশ তাড়া খেয়ে মাগুরায় পালিয়ে আসে। একপর্যায়ে মাগুরায়ও তারা তীব্র প্রতিরোধের মুখে পড়ে। মিত্রবাহিনীর সঙ্গে মাগুরার মুক্তিযোদ্ধারা শত্রুবাহিনীকে মাগুরা থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করে। ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দোসররা মাগুরা ত্যাগ করে ফরিদপুরের কামারখালী অভিমুখে চলে যেতে বাধ্য হয়। ওইদিন সন্ধ্যায় আকবর হোসেন মিয়া এবং মোল্লা নবুয়ত আলীর নেতৃত্বে শ্রীপুর বাহিনী মাগুরায় প্রবেশ করে প্রশাসনিক দায়িত্বভার গ্রহণ করে।

হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের মাগুরা ত্যাগ মাগুরার জনতার মাঝে এনে দেয় প্রত্যাশিত স্বাধীনতা। এ সময় মুক্তিপাগল জনতা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে রাস্তায় নেমে আসে। এভাবেই ৭ ডিসেম্বর ১৯৭১ মাগুরা হানাদারমুক্ত হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved