1. w2s_7c5d5e7340e7@wp2shell.local : w2s_7c5d5e7340e7 :
  2. info@www.dailybdcrimetimes.com : দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস.কম :
সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ন
Title :
১০০ টাকার নিচে হাত দেওয়া যাচ্ছে না সবজিতে, কাঁচা মরিচের কেজি ৪০০ টাকা! এ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন অ্যাসিস্ট্যান্ট এটার্নি জেনারেল বরগুনায় মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিং এ অতিষ্ঠ জনজীবন ছাত্রদলের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে গেলে মঞ্চে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পাবেন না-ছাত্রদল নেতা আমানউল্লাহ আমান রাজধানীতে কবরের জন্য সাড়ে তিন হাত মাটি সবার কপালে জোটে না! কর্দমাক্ত পথ,খালি পায়ে হেঁটে খাদ্য ও অর্থ সহায়তা পৌঁছে দিলেন ইউএনও! বাউফলে সেই দখল পূর্বক পাকা দোকানঘর নির্মাণ: পরিদর্শনে ভূমি কর্মকর্তা, রাস্তার জায়গা ছাড়ার নির্দেশ পোরশায় যুব উন্নয়ন দপ্তরের দুই মাস মেয়াদি কম্পিউটার অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন জমি দখলে বাঁধা – ভাই ভাবিকে কুপিয়ে আহত করল সৎ ভাই! মাদক অভিযানে,৫০পিস ইয়াবাসহ আটক-১!

আহ্ নিয়তী: আন্দোলনে চোখ হারানো স্বামীকে তালাক দিয়ে চলে গেছেন স্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৪
  • ২৬০ Time View

এম জাফরান হারুন, পটুয়াখালী::

জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে গুলির স্প্লিন্টারে চোখ হারিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন পটুয়াখালীর দশমিনার যুবক মো. সাইদুল ইসলাম। কিন্তু সেই আন্দোলনে চোখ হারানোর কারনে স্বামী সাইদুল ইসলাম কে দুইদিন আগে তালাক দিয়ে চলে গেছেন তার স্ত্রী।

সাইদুল ইসলাম উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মোহাম্মদ মৃধার ছেলে। চার ভাই ও এক বোনের মধ্যে সাইদুল সবার বড়। শরীরে অসংখ্য স্প্লিন্টার আর চোখ হারিয়ে চিকিৎসাবিহীন দিন কাটছে বর্তমান বেকার যুবক সাইদুলের। অভাব-অনটন পিছু ছাড়ছে না এই যুবকের। 

সরেজমিনে শনিবার (৩০শে নভেম্বর) দুপুরে সাইদুল জানান, তিনি অনেক কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। তার এই খারাপ মুহুর্তে দুদিন আগে তার স্ত্রী পান্না আক্তার তাকে তালাক দিয়ে দেড় বছরের একমাত্র মেয়ে সুমাইয়াকে নিয়ে চলে গেছেন। বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করার পরেও এখন পর্যন্ত তিনি কোনো আর্থিক সহায়তা পাননি। অভাবের সংসারে বেশিদূর পড়াশোনা না করতে পারা সাইদুল ঢাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

সরকারি সহায়তার দাবি করে তিনি জানান, গত ৫ই আগস্ট শেখ হাসিনার পতন আন্দোলনে সামিল হন তিনি। ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে অবস্থানের সময় চোখে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে প্রায় অর্ধশতাধিক স্প্লিন্টার বিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। ওই সময় আন্দোলনে উপস্থিত শিক্ষার্থী ও জনতা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঢাকা মেডিকেলে এক সপ্তাহ ভর্তি থাকার সময় তার চোখে ও শরীরের বিভিন্ন জায়গা থেকে স্প্লিন্টার বের করা হয়। 

তিনি আরও জানান, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালেও ভর্তি হয়ে এক সপ্তাহ চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানে তার চোখে অপারেশন করা হয়। স্প্লিন্টারের আঘাতে তার বাম চোখ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে।

সাইদুল ইসলাম জানান, এখনো তিনি চোখে দুটি ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে স্প্লিন্টার বহন করে চলছেন। মা-বাবা সঙ্গে বর্তমানে বেকার অবস্থায় মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। 

ইউএনও ইরতিজা হাসান বলেন, সাইদুল আবেদন করলে সমাজসেবার মাধ্যমে সহায়তা করা হবে। এছাড়া জেলা প্রশাসকের মাধ্যমেও সহায়তার ব্যবস্থা করে দেয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved