1. w2s_7c5d5e7340e7@wp2shell.local : w2s_7c5d5e7340e7 :
  2. wp2_58b7d9@wp2shell.invalid : wp2_58b7d9 :
  3. info@www.dailybdcrimetimes.com : দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস.কম :
সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০৭ অপরাহ্ন
Title :
১০০ টাকার নিচে হাত দেওয়া যাচ্ছে না সবজিতে, কাঁচা মরিচের কেজি ৪০০ টাকা! এ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন অ্যাসিস্ট্যান্ট এটার্নি জেনারেল বরগুনায় মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিং এ অতিষ্ঠ জনজীবন ছাত্রদলের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে গেলে মঞ্চে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পাবেন না-ছাত্রদল নেতা আমানউল্লাহ আমান রাজধানীতে কবরের জন্য সাড়ে তিন হাত মাটি সবার কপালে জোটে না! কর্দমাক্ত পথ,খালি পায়ে হেঁটে খাদ্য ও অর্থ সহায়তা পৌঁছে দিলেন ইউএনও! বাউফলে সেই দখল পূর্বক পাকা দোকানঘর নির্মাণ: পরিদর্শনে ভূমি কর্মকর্তা, রাস্তার জায়গা ছাড়ার নির্দেশ পোরশায় যুব উন্নয়ন দপ্তরের দুই মাস মেয়াদি কম্পিউটার অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন জমি দখলে বাঁধা – ভাই ভাবিকে কুপিয়ে আহত করল সৎ ভাই! মাদক অভিযানে,৫০পিস ইয়াবাসহ আটক-১!

মির্জাপুরে শিশুকে ধর্ষণ, দেড় লাখে গায়েব ৫৮ হাজার টাকা। মীমাংসায় স্থানীয় নেতাকর্মীরা। প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে ধর্ষক ফিরোজ মিয়া

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৭ মার্চ, ২০২৫
  • ৮৮৪ Time View

টাঙ্গাইল (মির্জাপুর) প্রতিনিধি:

বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে শুনা যায় শিশু নির্যাতন থেকে শুরু করে শিশু ধর্ষণ। তবে এর বিচার সঠিক ভাবে না পাওয়ার আক্ষেপ থাকে ভুক্তভোগী পরিবারের। অধিকাংশ এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে থাকে স্থানীয় প্রভাবশালী ও নেতাকর্মীরা । অর্থের বিনিময়ে সহজেই তা মীমাংসা হয়ে যায়। দারিদ্রতার কারণে সুষ্ঠু বিচার না পেয়ে চোখে মুখে কান্নার ছাপ দেখা যায় দশ বছরের এক ভুক্তভোগী শিশুর। স্থানীয় নেতাকর্মীরা দেড় লাখ টাকার বিনিময়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দিলেও ভুক্তভোগী পরিবার মাত্র (৯২) বিরানব্বই হাজার টাকা বুঝে পেলেও বাকী (৫৮) আটান্ন হাজার টাকা গায়েব। এমনই ঘটনা ঘটে টাঙ্গাইল মির্জাপুরে আজগনা ইউনিয়ন এর কুড়িপাড়া এলাকায়। ভুক্তভোগী শিশুকে জিজ্ঞাসা বয়সের কথা জিজ্ঞেস? করা হলে বলে, আমার বয়স দশ বছর, আমি দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ি। পরে চোখে মুখে ভয়ের ছাপ চলে আশায় আমাদেরও হৃদয় কেপে উঠে। পরে এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শিশুর মা জানান, এমন ঘটনা ২০-২২ দিন আগে ঘটছে। এলাকার সবাই জানাজানি হওয়ার আগেই তা মীমাংসা করে দিছে মাতাব্বররা। পরে ঘরোয়া ভাবে বইসা দেড় লাখ টাকা জরিমানা করে আর কয়’টা জুতার বাড়ি মারে।
মামলার কথা জানতে চাইলে? জানান, আমি মামলা করতে ভয় পাইছি কারণ আমরা গরীব মানুষ, আমার জামাই থাকে বিদেশে তাই ভাবছি মামলা করলে যদি আমাগো সাথে আবার ঝামেলা করে,তাই মাতাব্বররা যা করে তাই মেনে নেই। পরে ৯২ হাজার টাকা হাতে দিয়ে বলে আর গুলো পরে নিও। কিন্তু আজ প্রায় কতদিন হয়ে গেলো টাকাও পাইলাম না বিচারও পাইলাম না।

কে এই ধর্ষক নাম জানতে চাইলে জানান, আমাদের পাশেই বাড়ি নওসের মিয়ার ছেলে ফিরোজ মিয়া(৪৫) সিএনজি চালায়।

এ বিষয়ে স্থানীয়রা জানান, ধর্ষণ করেও পার পেয়ে গেছে। এমন ঘটনা ধামাচাপা দিছে বলেই ধর্ষণ করেও এলাকায় ঘুরে বেড়ায়। ধর্ষণ করার পর তার শাস্তি দেড় লাখ টাকা হতে পারে না,এটা অন্যায়,তাও আবার বাকী। বিষয়টা আমাদেরও খারাপ লাগছে আমাদেরও মা বইন আছে। এভাবে চলতে থাকলে আমাদেরও ভয়। সামান্য কিছু টাকার জন্য ধামাচাপা দিলে আর আমাদের কি করার। এখন ধর্ষণ করলেও সমস্যা নাই যদি ক্ষমতা আর ট্যাকা থাকে।

অন্যদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানান, ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে চেয়েছে আর ধর্ষণের বিচার করেছে ভুক্তভোগী শিশুটির প্রতিবেশী নুর ইসলাম,বিএনপির নেতা ইউনুস আলী,আলম হোসেন,খোরশেদ আলম,আব্দুল মালেক মিয়া সহ আরও কয়েকজন নেতাকর্মীরা।

এ বিষয়ে বিএনপির স্থানীয় এক নেতা বলেন , এটা এত বড় কোন বিষয় না যে এত বাড়াবাড়ি করতে হবে। তাই আপনারাও (সাংবাদিক) এটা নিয়ে আর বেশি বাড়াবাড়ি কইরেন না।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সানোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনাটি আমি পরস্পর শুনেছি। কিন্তু পরে শুনলাম ওরা নিজেরাই আপোষ মীমাংসা করেছে।

অন্যদিকে মির্জাপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা সালাহ উদ্দিন বলেন,এ বিষয়ে আমার জানা নেই। তবে অভিযোগ পেলেই আমরা দ্রুত আইন অনুযায়ী ব্যাবস্থা গ্রহণ করবো। এ সমাজে একজন ধর্ষকের শাস্তি অনিবার্য।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved