
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সাভার থানাধীন বনগ্রাম ইউনিয়নের চান্দা গ্রামে পরকীয়ার জেরে স্বামীকে বাসায় আটকে রেখে নির্মম নির্যাতন এবং তার স্ত্রীকে ভুমিদস্যু মেহেদীকে দিয়ে অনৈতিক সুবিধা বা যৌন নিপীড়নের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার বিবরণ:স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী গৃহবধূর সাথে এলাকার এক যুবকের পরকীয়া সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। গত ১৪ জুন ২০২৬ রাতে এই বিরোধ চরম আকার ধারণ করলে গৃহবধূর পরকীয়া প্রেমিক (যিনি পুলিশের প্রভাবশালী পরিচিত এবং ভূমিদস্যু মেহেদী ) স্থানীয় ফাড়ীড় কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে নিয়ে ওই বাসায় অভিযান চালান। কোনো ওয়ারেন্ট বা সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়াই গৃহবধূর স্বামীকে জোরপূর্বক আটক করে বাসায় অত্যাচার করা হয়। পরকীয়া প্রেমের জেরে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। পরকীয়ার অভিযুক্ত এক নারীকে ব্যবহার করে নিরীহ মানুষদের হয়রানির পাশাপাশি স্থানীয় সাভার থানাধীন বনগ্রাম ইউনিয়নের ভবানিপুর পুলিশ ফাড়ীর ইনচার্জ এবং তার টিম নিয়ে অভিযুক্ত নারীর স্বামীর বাসায় গিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে মেহেদী নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ক্ষমতার পালাবদলে দল পরিবর্তন করে সুবিধা নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে ওই নারীর বিরুদ্ধে। অনুসন্ধানে জানা যায়, ওই নারী আগে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকলেও, সম্প্রতি দল পরিবর্তনের পর বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। এই রাজনৈতিক পরিচয় এবং পরকীয়ার সম্পর্কের প্রভাব খাটিয়ে মেহেদী ও ওই নারী মিলে এলাকার নিরীহ মানুষদের নানাভাবে ফাঁসানোর ছক কষছেন। বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অভিযোগে পুলিশ ইনচার্জকে ব্যবহার করে বিনা তদন্তে সরাসরি রাতের আঁধারে অভিযুক্ত নারীর স্বামী মোঃ কামাল এর বাসায় গিয়ে মারধরের মতো গুরুতর ঘটনাও ঘটছে। এমন কর্মকাণ্ডে এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কোনো ধরনের আইনি নোটিশ বা সুষ্ঠু তদন্ত ছাড়া পুলিশকে দিয়ে এমন বেআইনি পদক্ষেপ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে মেহেদী এবং ওই নারী যেভাবে সাধারণ মানুষের জীবন অতিষ্ঠ করে তুলছেন, তা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে ভুক্তভোগীদের দাবি, অবিলম্বে এই চক্রটির ক্ষমতার উৎস খুঁজে বের করা হোক এবং পুলিশ ইনচার্জের এমন নিয়মবহির্ভূত আচরণের নিরপেক্ষ তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। এ বিষয় ফাঁড়ির ইনচার্জ
মো:ইমরানের সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি সাক্ষাৎকার দিতে অনীহা প্রকাশ করেন।