
এম জাফরান হারুন::
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া বন্দরে দুটি মসজিদ, একটি ব্যাংক, গার্মেন্টস ও কাপড়িয়া পট্টি সহ হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় শালা এলাকার গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ সরকারি রাস্তা দখল করে কালাইয়া হায়াতুন্নেছা বালিকা বিদ্যালয় কর্তৃক পাকা দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগের ঘটনায় সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সোহাগ মিলু। পরিদর্শন উপস্থিত জনস্বার্থে সার্ভেয়ার এনামুল হক কে নির্দেশ দিয়ে মাপজোপ পূর্বক কালাইয়া হায়াতুন্নেছা বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কে রাস্তার নির্ধারিত জায়গা ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন।
রোববার (২ আগস্ট) বেলা সাড়ে এগারোটা দিকে এলাকার গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে স্থায়ী পাকা দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে চেয়ারম্যান প্রার্থী ও উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গাজী গিয়াস উদ্দিনের হস্তক্ষেপে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সালেহ আহমেদের নির্দেশনায় সরেজমিন পরিদর্শন করে এ ব্যবস্থা নেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সোহাগ মিলু।
এ সময় কালাইয়া হায়াতুন্নেছা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনসাধারণের চলাচলের স্বার্থে রাস্তার নির্ধারিত জায়গা ছেড়ে দিয়ে প্রবেশপথ উন্মুক্ত রাখার নির্দেশ দেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, প্রবেশপথ সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় প্রতিদিন মসজিদে মুসল্লিদের যাতায়াত, ব্যাংকের গ্রাহক, গার্মেন্টসকর্মী, কাপড়িয়া পট্টির ব্যবসায়ী এবং সাধারণ পথচারীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তারা দ্রুত সমস্যাটির স্থায়ী সমাধানের দাবি জানান।
চেয়ারম্যান প্রার্থী ও উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গাজী গিয়াস উদ্দিন বলেন- এখানে আমার কোনো জায়গা জমি নেই। তবে স্থানীয়রা ও ব্যবসায়ীরা বিষয়টি আমাকে জানালে আমি জনস্বার্থে সবাই কে সাথে নিয়ে হস্তক্ষেপ করি। যাহার দরুন সত্যের বিজয় হয়েছে। যদিও আমাকে থেমে যাওয়ার জন্য মোটা অংকের টাকার প্রলোভন দেখানো হয়েছিল।
এবিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সোহাগ মিলু বলেন, জনস্বার্থ ও আইন অনুযায়ী রাস্তার জায়গা অবমুক্ত রাখতে হবে। বিষয়টি প্রয়োজনীয় বিধি-বিধান অনুসরণ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।