1. info@www.dailybdcrimetimes.com : দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস.কম :
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন
Title :
বরগুনায় প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে জেলা প্রশাসকের উন্নয়ন শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত আমতলী রহমানিয়া ফিলিং স্টেশনে ফের জরিমানা! নামজারিতে সরকারি ফি ১,১৭০ টাকা কিন্তু ভূমি অফিসে ৭০ হাজার দাবি, দর কষাকষিতে গিয়ে ঠেকলো ২০ হাজারে ! বাসন থানায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করতঃ নিম্ন লিখিত আসামীদেরকে গ্রেফতার করিয়া বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয় চট্টগ্রাম ফায়ারিং রেঞ্জে ফিন্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় আ/হ/ত সেনা কর্মকর্তাকে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে নীলফামারীর একমাত্র বৌদ্ধ বিহার সংস্কারে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা বিহার সভাপতির সাইবার অপরাধ মোকাবেলায় পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই- আইজিপি পোরশায় ট্রান্সফরমার পুড়ে যাওয়ার পর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আদায় ও মামলা দেওয়ার হুমকি,ক্ষোভ গ্রাহকদের ছাত্রদলের কমিটি পে স্কেলের মতোই ঝুলছে! বরগুনায় নারী মাদক ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম!

নামজারিতে সরকারি ফি ১,১৭০ টাকা কিন্তু ভূমি অফিসে ৭০ হাজার দাবি, দর কষাকষিতে গিয়ে ঠেকলো ২০ হাজারে !

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২৮ Time View

এম জাফরান হারুন::

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা ভূমি অফিসে নামজারি করতে সরকারি ফি- এর বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দাবির অভিযোগ উঠেছে।

এক ব্যক্তির অভিযোগ, চারটি নামজারির জন্য তাঁর কাছে প্রথমে ৭০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে দর-কষাকষির মাধ্যমে ২০ হাজার টাকায় সমঝোতা হয়। এ সময় নগদ টাকা গ্রহণ ও গোনার একটি ভিডিও পাওয়া গেছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা আব্দুস সোবাহান।

অভিযোগকারী মহিউদ্দিন খন্দকার রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের নয়াচর চর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি জানান, গত ২০ মে ভূমি মেলার সময় ছয়টি দলিলের নামজারির বিষয়ে রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা আব্দুস সোবাহানের কাছে যান। তাঁর অভিযোগ, শুরুতেই ছয়টি নামজারির জন্য ৭০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে দর-কষাকষির একপর্যায়ে দুটি দলিল বাদ দিয়ে চারটি নামজারির জন্য ২০ হাজার টাকায় সমঝোতা হয়।

মহিউদ্দিনের দাবি, সমঝোতা অনুযায়ী তিনি প্রথমে ১০ হাজার টাকা নগদ দেন। বাকি ১০ হাজার টাকা কাজ শেষ হওয়ার পর দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও চারটি আবেদন নিষ্পত্তি হয়নি। এর মধ্যে একটি নামজারি সম্পন্ন হলেও বাকি আবেদনগুলো ঝুলে আছে বলে অভিযোগ তাঁর।

প্রতিবেদকের হাতে আসা ভিডিওতে দেখা যায়, এক ব্যক্তির হাতে নগদ টাকা তুলে দেওয়া হচ্ছে। পরে ওই ব্যক্তি টাকা গুনে নিজের কাছে রাখছেন। ভিডিওতে নামজারি ও অতিরিক্ত অর্থ দেওয়ার বিষয়ে কথোপকথনও শোনা যায়।

সরকারি নির্ধারিত হিসাবে একটি নামজারির ফি ১ হাজার ১৭০ টাকা। অভিযোগটি সত্য হলে চারটি নামজারির জন্য সরকারি ফি- এর বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দাবির বিষয়টি প্রশ্নের মুখে পড়ে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রাঙ্গাবালী ভূমি অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা সোবাহান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মহিউদ্দিন খন্দকার তাঁর কাছে আসেননি এবং সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রও তাঁর কাছে জমা দেওয়া হয়নি। অভিযোগের বিষয়টিও তাঁর জানা নেই বলে এড়িয়ে যান তিনি, তবে আমতা আমতা করে সরে যান।

নামজারির মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সেবা পেতে অতিরিক্ত অর্থ দাবির অভিযোগের সত্যতা তদন্তেই স্পষ্ট হবে। অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved