
*নিজস্ব প্রতিবেদক:
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মোঃ মুরাদ হাসানের বিরুদ্ধে ২ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে একটি মামলা দায়ের করা হয়। তাঁদের পরিবারের অভিযোগ, তাঁরা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার স্বীকার হয়েছেন। বর্তমানে মামলাটি ওয়ারেন্ট অবস্থায় রয়েছে বলে জানা গেছে। এ পরিস্থিতিতে মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মুরাদ হাসান ও তাঁর স্ত্রী সিরাজুম মনিরা দুজনই শিক্ষকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁরা স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করতেন। শিক্ষকতার মতো সম্মানজনক পেশায় যুক্ত থাকার পাশাপাশি মুরাদ হাসান তাঁর শ্বশুরের সঙ্গে ফার্মেসি ব্যবসা পরিচালনায় সম্পৃক্ত ছিলেন। এ ছাড়া তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতেন বলে জানা গেছে।
মুরাদ হাসানের পরিচিতজনদের দাবি, তিনি একজন ভালো স্বভাবের মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং পেশাগত ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজের অবস্থান তৈরি করেছিলেন। তাঁদের অভিযোগ, ৫ আগস্ট-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক বিরোধ ও প্রতিহিংসার কারণে তাঁকে এবং তাঁর স্ত্রীকে মামলায় জড়ানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা, মোঃ মুরাদ হাসানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার দ্রুত রাজনৈতিক প্রতিহিংসার স্বীকার বরঞ্চ এলাকায় বিভিন্ন কল্যাণমূলক কাজে নিয়োজিত ছিলেন প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
**রাজনৈতিক পরিচয় বা ব্যক্তিগত বিরোধের ঊর্ধ্বে উঠে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির স্বীকার না হন এবং প্রকৃত অপরাধী যেন আইনের আওতার বাইরে না থাকেন—এটাই প্রত্যাশা।**
উক্ত এলাকার চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনা করিয়া জানা যায় যে, মো: মুরাদ হাসান ও তাহার স্ত্রী খুবই সম্ভ্রান্ত পরিবারের ভালো লোক এবং এলাকায় তাদের যথেষ্ট সুনাম রয়েছে আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর জামায়াত বিএনপির লোকজন তাদেরকে ফাঁসানোর জন্য উক্ত মামলায় জড়িয়েছেন।