1. info@www.dailybdcrimetimes.com : দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস.কম :
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৭ পূর্বাহ্ন
Title :
নীলফামারীতে ৮৯০ টি দূর্গামন্দিরে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত অটোরিকশাচালক বাবলুর মৃত্যু, বদরখালীতে শোকের ছায়া বাউফলে ১২৪ পিচ ইয়াবাসহ মাদক কারবারি খলিল সরদার গ্রেপ্তার বাউফলে ধুলিয়া স্কুল এন্ড কলেজে শিক্ষক ও এডহক কমিটিতে অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগ ! নীলফামারীতে হাইড্রোলিক হর্ণবিরোধী অভিযানে ৩ যানবাহনকে জরিমানা মহিপুরে ৫১ পিস ইয়াবাসহ সাবেক ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার, সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবি জলঢাকায় হাট ইজারা ঘিরে পে-অর্ডার ও নগদ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ বরগুনার গৌরীচন্নায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ১ ঢাকায় হত্যার শিকার রাকিবের লাশ নীলফামারীর ডিমলার বসতবাড়ি থেকে উদ্ধার! বরগুনায় হাই স্কুলে হঠাৎ শ্বাসকষ্টে হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ১০ শিক্ষার্থী!

চুয়াল্লিশটি রাজনৈতিক দল বনাম বিভাজন রাজনীতি- অথই নূরুল আমিন

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৪৪৪ Time View

মোহাম্মদ রুস্তম আলী, কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

সাবেক ভারতবর্ষে রাজনীতির জন্ম হয়েছে প্রায় চারশত বছর এরকম হবে। তবে সেদিনের প্রতিটা রাজনীতি দলের একেকটা বিষয় ছিল। আর এই বিষয় গুলো ছিলো। মূলত একেকটা প্রথা বিরোধী। আর এই ধরনের বেশ কিছু প্রথা ছিল ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির। কিছু প্রথা ছিল রাজা বাদশাহ এবং নবাব আমলের। এছাড়া কিছু প্রথা ছিল সমাজের সমাজ পতিদের মন গড়া।
তাই যুগে যুগে ঐসকল প্রথা গুলো বিলুপ্তি করতে গিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের মধ‍্যে একটি করে জোট করা হয়েছিল। আর তারা ঐক‍্য ভাবে যুগে যুগে বিভিন্ন অসামাজিক বা ব‍্যক্তি স্বার্থ প্রথা গুলো আন্দোলনের মাধ‍্যমে রক্ত ক্ষয়ের বিনিময়ে বিজয়ী হয়েছিল। ইতিহাসে এখনো সেই সকল আন্দোলনের নেতানেত্রীদের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে।

আজকের লেখার মুল উদ‍্যেশ‍্য হলো বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন স্বীকৃত চুয়াল্লিশটি রাজনৈতিক দল রয়েছে। এটা ভালো কথা নয়। পনেরো জনে মিলে যদি একটি রাজনৈতিক দল করে। আর এই দল করার পর তারা বিভিন্ন জোটে যাওয়ার চেষ্টা করে। এখানে শর্ত থাকে দলের সভাপতি সেক্রেটারি এই দুইজনকে দুইটা আসন দিতে হবে।
প্রিয় পাঠক পাঠিকাগণ সবসময় আমি রসিকতা করে কিছু লিখি আসলে এমনটাই নয়।
এই যে চুয়াল্লিশটি রাজনৈতিক দল তার মধ‍্যে চল্লিশটি দলই তারা কোনো না কোনো জোটে আছে। ছোট দলগুলার চাওয়া কিন্তু খুব বেশি নয়। দুইটা চারটা অথবা ছয়টা সংসদীয় আসন চায়। তাদের দলের যেন দুই চারজন এমপি সংসদে থাকে। ওদের খুব সামান্য অদক্ষ কিছু কর্মী আছে। যেমন ধরুন জাতীয় প্লেসক্লাবের যেকোনো অডিটোরিয়ামে দেড়শ লোক হলেই রুমটা অনেকটাই ভর্তি দেখা যায়। আমার প্রশ্ন হলো এই ধরনের ছোট রাজনৈতিক দলগুলার জন্ম হয়েছে আসলে কার স্বার্থে?
জনগণের স্বার্থে? নিশ্চয়ই না।
জনগণের স্বার্থের দলগুলো জনগণের কাছে যাবে জনগণের কথা বলবে। সেটা কৃষক শ্রমিক এমনকি আমজনতা হতে পারে।
আমাদের দেশের ছোট চল্লিশটি রাজনৈতিক দল নিয়ে যদি বলি তাহলে বলব সারা বাংলাদেশ নয়। জনগণের দাবি নিয়ে সেটা, তিন দফা, পাঁচ দফা, সাত দফা হতে পারে।
এই ধরনের একটি পোষ্টার করে সমগ্র ঢাকা সিটিতে ওয়ালে দেয়ালে লাগিয়ে প্রচার করতে যে পরিমাণ টাকার দরকার। শুধুমাত্র সেই পরিমাণ টাকাও কিন্তু তাদের নেই।
অনেকের অফিস পযর্ন্ত নেই। তারা আট দল বারো দল পনেরো দল বাইশ দল এরকম লিয়াজোঁ করে একটি করে জোট রয়েছে। আসলে এটা কি ধরনের রাজনৈতিক দল। ওরা কার স্বার্থে করছে এগুলো যা এই লেখকের জানা নেই।
দেখা যাক আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কার কি ভূমিকা কে কত আসন পাবে খুব শিঘ্রই জাতি জানতে পারবে।
অথই নূরুল আমিন
কবি কলামিষ্ট ও রাজনীতি বিশেষজ্ঞ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved