1. info@www.dailybdcrimetimes.com : দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস.কম :
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪০ অপরাহ্ন
Title :
বরগুনায় ১৬ সাংবাদিকের মাঝে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের অনুদানের চেক বিতরণ ডিবির নাম ভাঙিয়ে গাইবান্ধায় জঘন্য চাঁদাবাজি: ভুয়া পুলিশ সেজে ঘরে ঘরে হানা, অপরাধীদের রুখতে পুলিশের কঠোর হুঁশিয়ারি দারোয়ানী রেলস্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজের দাবিতে রেলপথ অবরোধ, আটক ট্রেন নিরাপদ সড়ক চাই এর সংবাদ সম্মেলন, পাইকগাছায় সড়ক দুর্ঘটনায় গত ১ বছরে ৬৩ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত -৮ আহত-৪৯ বাউফলে গাছের ডাল মাথায় পড়ে এক ব্যক্তি নিহত! শাহ আলী থানায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার! পাইকগাছায় ১৫১ দুস্থ নারী পেলেন প্রধানমন্ত্রীর শাড়ি উপহার জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় বাউফল মাদিনাতুল উলুম হাফেজি ক্যাডেট মাদ্রাসা চ্যাম্পিয়ন বাউফলে বিভিন্ন অপরাধ অপকর্মকারী ডালিমের সহযোগী হোসেন সিকদার গ্রেপ্তার, মূল অভিযুক্তকে আটক করার দাবি গাজীপুরে বিডিএস অফিসে কোটি টাকার ঘুষ-বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির তথ্য সংগ্রহে সাংবাদিকদের হত্যাচেষ্টা, রূপ পরিবর্তনকারী সাইফুলের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ

বাউফলে তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল, সুপার বললেন— ‘তকদির খারাপ’

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৩ মে, ২০২৪
  • ৩১১ Time View

এম জাফরান হারুন, পটুয়াখালী::

এ বছরের দাখিল পরীক্ষায় বাউফলের তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া ২৯ জন পরীক্ষার্থী সবাই ফেল করেছে। গত রোববার ১২ই মে- ২০২৪ ইং প্রকাশ হওয়া ফলে এমন চিত্র দেখা যায়। কোনো শিক্ষার্থী পাস না করা তিনটি মাদ্রাসার মধ্যে একটি উপজেলার উত্তর দাসপাড়া দাখিল মাদ্রাসা। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ১৫ জন দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয়। কিন্তু তাদের একজনও পাস করতে পারেনি। অথচ তাদের পড়ানোর জন্য শিক্ষক ছিলেন ১১ জন।

সব ছাত্র ফেল করার কারণ জানতে চাইলে মাদ্রাসার সুপার (ভারপ্রাপ্ত) মাসুম বিল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, ‘তকদির খারাপ, তাই সবাই ফেল করছে। এমন রেজাল্ট হওয়ার কথা নয়।’

তবে অভিভাবকরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের অভিযোগ, মাদ্রাসায় পড়াশোনার ভালো পরিবেশ নেই। ভারপ্রাপ্ত সুপার পদ নিয়ে দুই শিক্ষকের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে। তাদের মধ্যে হাতাহাতি, এমনকি মারামারির ঘটনাও ঘটেছে। এসব কারণে মাদ্রাসায় শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হয়েছে। তা ছাড়া শিক্ষকেরা নিয়মিত মাদ্রাসায় আসেন না। আসলেও ঠিকমতো পাঠদান না করিয়ে অফিস কক্ষে বসে থাকেন। যে কারণে গত কয়েক বছর ধরেই ফলাফল ধারাবাহিক খারাপ হচ্ছে। ফলস্বরূপ এবার কেউই পাস করেনি।

কেউ পাস না করা অপর মাদ্রাসা দুটি হলো পশ্চিম কালিশুরী বালিকা দাখিল মাদ্রাসা ও উত্তর কেশবপুর বালিকা দাখিল মাদ্রাসা। জানা যায়, পশ্চিম কালিশুরী বালিকা দাখিল মাদ্রাসা থেকে এ বছর দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৩ জন ছাত্রী। আর উত্তর কেশবপুর বালিকা দাখিল মাদ্রাসা থেকে অংশ নেয় একজন। তাদের একজনও পাস করেনি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন শিক্ষক বলেন, ‘বিগত বছর পরীক্ষাকেন্দ্রে শিক্ষকেরা নকল দিয়ে শিক্ষার্থীদের পাস করাতেন। এ বছর ইউএনও কঠোরভাবে পরীক্ষা নিয়েছেন, নকলবিহীন পরীক্ষা হয়েছে। তাই যারা পড়াশোনা করেছে তারাই পাস করেছে। বাকিরা সব ফেল।’

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বশির গাজী সাংবাদিকদের বলেন, ‘উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকে শোকজ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এমপিও বাতিলের জন্য শিক্ষা বোর্ড ও মাদ্রাসা অধিদপ্তর বরাবর লিখিত আবেদন করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved