1. info@www.dailybdcrimetimes.com : দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস.কম :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৫ অপরাহ্ন
Title :
বরগুনায় হাই স্কুলে হঠাৎ শ্বাসকষ্টে হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ১০ শিক্ষার্থী! সাংবাদিককে পিছ মোড়ে হ্যান্ডকাফ,এসআই প্রত্যাহার! বরগুনায় দুর্গাপূজা-২০২৬ উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভাশান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপনে প্রশাসনের প্রস্তুতি মিলন বাজার থেকে শশি বাজার সড়ক পুনঃনির্মাণের দাবিতে মানববন্ধনে এলাকাবাসী গাইবান্ধার গৌরব ‘এক টাকার মাস্টার’—৫০ বছর ধরে ১ টাকায় পড়িয়ে পেলেন বিশেষ সম্মাননা “জুলাই যোদ্ধা”পরিচয়ে মব সৃষ্টি, পুলিশকে আসামি ধরতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ বাউফলে ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের প্রতিবাদে কাউন্সিলর প্রার্থী নাজিম সিকদারের সংবাদ সম্মেলন বাউফলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জামায়াতের সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান বাউফলে নওমালায় বেড়িবাঁধ নির্মাণকাজের উদ্বোধন করলেন ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি বাউফলে বসতঘরের পেছনে গাঁজার চাষ! আটক চাষি ইউসুফ খান

বাউফলে তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল, সুপার বললেন— ‘তকদির খারাপ’

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৩ মে, ২০২৪
  • ৩০৭ Time View

এম জাফরান হারুন, পটুয়াখালী::

এ বছরের দাখিল পরীক্ষায় বাউফলের তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া ২৯ জন পরীক্ষার্থী সবাই ফেল করেছে। গত রোববার ১২ই মে- ২০২৪ ইং প্রকাশ হওয়া ফলে এমন চিত্র দেখা যায়। কোনো শিক্ষার্থী পাস না করা তিনটি মাদ্রাসার মধ্যে একটি উপজেলার উত্তর দাসপাড়া দাখিল মাদ্রাসা। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ১৫ জন দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয়। কিন্তু তাদের একজনও পাস করতে পারেনি। অথচ তাদের পড়ানোর জন্য শিক্ষক ছিলেন ১১ জন।

সব ছাত্র ফেল করার কারণ জানতে চাইলে মাদ্রাসার সুপার (ভারপ্রাপ্ত) মাসুম বিল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, ‘তকদির খারাপ, তাই সবাই ফেল করছে। এমন রেজাল্ট হওয়ার কথা নয়।’

তবে অভিভাবকরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের অভিযোগ, মাদ্রাসায় পড়াশোনার ভালো পরিবেশ নেই। ভারপ্রাপ্ত সুপার পদ নিয়ে দুই শিক্ষকের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে। তাদের মধ্যে হাতাহাতি, এমনকি মারামারির ঘটনাও ঘটেছে। এসব কারণে মাদ্রাসায় শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হয়েছে। তা ছাড়া শিক্ষকেরা নিয়মিত মাদ্রাসায় আসেন না। আসলেও ঠিকমতো পাঠদান না করিয়ে অফিস কক্ষে বসে থাকেন। যে কারণে গত কয়েক বছর ধরেই ফলাফল ধারাবাহিক খারাপ হচ্ছে। ফলস্বরূপ এবার কেউই পাস করেনি।

কেউ পাস না করা অপর মাদ্রাসা দুটি হলো পশ্চিম কালিশুরী বালিকা দাখিল মাদ্রাসা ও উত্তর কেশবপুর বালিকা দাখিল মাদ্রাসা। জানা যায়, পশ্চিম কালিশুরী বালিকা দাখিল মাদ্রাসা থেকে এ বছর দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৩ জন ছাত্রী। আর উত্তর কেশবপুর বালিকা দাখিল মাদ্রাসা থেকে অংশ নেয় একজন। তাদের একজনও পাস করেনি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন শিক্ষক বলেন, ‘বিগত বছর পরীক্ষাকেন্দ্রে শিক্ষকেরা নকল দিয়ে শিক্ষার্থীদের পাস করাতেন। এ বছর ইউএনও কঠোরভাবে পরীক্ষা নিয়েছেন, নকলবিহীন পরীক্ষা হয়েছে। তাই যারা পড়াশোনা করেছে তারাই পাস করেছে। বাকিরা সব ফেল।’

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বশির গাজী সাংবাদিকদের বলেন, ‘উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকে শোকজ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এমপিও বাতিলের জন্য শিক্ষা বোর্ড ও মাদ্রাসা অধিদপ্তর বরাবর লিখিত আবেদন করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved