1. info@www.dailybdcrimetimes.com : দৈনিক বিডি ক্রাইম টাইমস.কম :
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ন
Title :
ডোমারে নেসকোর নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ২৫ হাজার গ্রাহকের সচল মিটার বিক্রিসহ প্রি পেমেন্ট মিটার স্থাপনের টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ প্রিমিয়াম ব্যাংক আশকোনা শাখার ম্যানেজার সিরাজুল ইসলাম নামেবেনামে অঢেল সম্পদের মালিক। এক বাড়িতেই ১০ টি ফ্ল্যাট! ২০ বছর আগে বরাদ্দ পেলেও দখলে যেতে পারে নি “সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি ” – সেক্রেটারি শাহ আলম চোরাচালানের মাধ্যমে নিয়ে আসা ১৩ লক্ষ২৬ হাজার টাকা মূল‍্যের ভারতীয় শাড়িসহ তিনজন আটক! নীলফামারীতে সুবিধাবঞ্চিত ১০০ পরিবারের মাঝে টিউবওয়েল বিতরণ সাংবাদিক সমাজের অভিভাবক খন্দকার আছিফুর রহমান না ফেরার দেশে চলে গেলেন বাউফলে গ্রামীণ জিসি চক্ষু হাসপাতালের যাত্রা শুরু, মাত্র ৫০ টাকায় চোখ পরীক্ষা-চিকিৎসা আমতলী বকুলনেছা মহিলা ডিগ্রি কলেজে নবীন বরণ বাউফলে খেলাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের দুপক্ষের দ্বন্দ্ব, কারণ জানতে চাওয়ায় প্রধান শিক্ষককে মারধর মিরপুরে পলিথিনের ব্যাগে ভরে ফেলে রাখা নবজাতক উদ্ধার!

জন ভোগান্তির শীর্ষে ঝিকরগাছা পৌরসভা প্রশাসক দায়িত্বে থাকলেও সর্বদা চেয়ার শূন্য

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ২৬৮ Time View

আফজাল হোসেন চাঁদ, ঝিকরগাছা :

জন ভোগান্তির শীর্ষে যশোরের ঝিকরগাছা পৌরসভা কার্যালয়। গত ৫ আগস্ট এরপর পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব মোস্তফা আনোয়ার পাশা জামালের বিপরীতে প্রথমে সাবেক সহকারী কমিশনার (ভূমি) কেএম মামুনুর রশিদ, দ্বিতীয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভুপালী সরকার ও বর্তমানে তৃতীয় বারের মতো সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সরওয়ার প্রশাসক দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি প্রতিনিয়ত সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর দায়িত্ব পালন করলেও সপ্তাহে মাত্র দু-একদিন পৌরসভা কার্যালয়ে ঘন্টা খানিকের জন্য হাজির হন। তাবে তার স্থানে পৌর নির্বাহী কর্মকতার দায়িত্ব পালন করছেন সচিব সন্তোষ কুমার হাজরা। তিনি তার ব্যক্তিগত কাজ ও দপ্তরের মিটিংয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে পৌর সদরের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষ জন ভোগান্তির স্বিকার হচ্ছে আর পৌরসভা কার্যালয়ে প্রশাসকের চেয়ার থাকলেও সর্বদা চেয়ার শূন্য থাকতে দেখা যায়। সাধারণ মানুষ জনের এই ভোগান্তির শেষ কোথায়!
বুধবার দুপুর ১২টার সময় পৌর কার্যালয়ে নাগরিক সেবা নিতে আসা পৌরসদরের ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা শাহাবুদ্দিন মোড়ল ও শাকিল হোসেন বলেন, আমাদের নাগরিক সনদপত্রে স্বাক্ষরের জন্য প্রায় ২ঘন্টা যাবৎ দাড়িয়ে আছি। পৌর নির্বাহী কর্মকতা নাকি সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর সাথে মিটিংয়ে আছে। পৌর নির্বাহী কর্মকতাকে কোথায় পাওয়া যাবে এটা যানতে চাওয়া হলে অফিসের লোকজন একবার বলেন ইউএনও অফিসে আছে। ইউএনও অফিসে খোজ নিয়ে দেখা যায় তিনি সেখানে নেই। পরবর্তীতে আবারও পৌরসভায় খোজ নিলে বলে মিটিংয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর কার্যালয়ে রয়েছেন। সহকারী কমিশনারের কার্যালয়ে স্বাক্ষরের জন্য গেলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) তার অফিসের সামনে একাধিক ব্যক্তি লাইনে থাকলেও তারা আলাপ-আলাচনায় মহাব্যস্ত সময় পার করেন। সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর অফিস রুমে প্রবেশ করতে গেলে অফিস সহকারীরা আমাদেরকে সেবা নেওয়া থেকে বঞ্চিত করেছে।
পৌর নির্বাহী কর্মকতার দায়িত্ব পালন করছেন সচিব সন্তোষ কুমার হাজরা বলেন, আমি সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও প্রশাসক স্যারের অফিসে মিটিংয়ে ছিলাম। প্রশাসক স্যারের অফিসে আশার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ৩দিন আগে একঘন্টার জন্য এসেছিল।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক নাভিদ সরওয়ার এর অফিসিয়াল ফোন নাম্বারে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved