
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঢাকা ওয়াসার উত্তরা জোনে SCADA Operation Engineer পদে কর্মরত থাকাকালে পানি শোধনাগারে ব্যবহৃত বিভিন্ন মেডিসিন ও রাসায়নিক সামগ্রী সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ব্রাদার এন্টারপ্রাইজ-এর কার্যক্রমে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলায় প্রতিহিংসামূলকভাবে তার বিরুদ্ধে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে একটি মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মোঃ তৌহিদুল ইসলাম।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি দীর্ঘদিন ধরে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে ঢাকা ওয়াসার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি পানি শোধনাগারে ব্যবহৃত বিভিন্ন মেডিসিন ও রাসায়নিক দ্রব্য সরবরাহ সংক্রান্ত নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয় সংশ্লিষ্ট মহলের নজরে আনেন এবং জনস্বার্থে এ বিষয়ে কথা বলেন এবং কি পানি শোধনাগার মেডিসিন প্রোভাইডার ব্রাদার এন্টারপ্রাইজ এর লোকজন তাকে অপহরণের চেষ্টা করেছিলেন।
এর পর থেকেই একটি স্বার্থান্বেষী চক্র রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী হওয়ার কারণে তার বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং তাকে সামাজিক, পেশাগত ও মানসিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার লক্ষ্যে পরিকল্পিতভাবে আইনি হয়রানির পথ বেছে নেয়।
তিনি অভিযোগ করেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ এবং অনিয়মের প্রতিবাদ করাই তার বিরুদ্ধে প্রতিহিংসামূলক পদক্ষেপ গ্রহণের মূল কারণ। এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকার সিএমএম আদালতে তার বিরুদ্ধে একটি ভিত্তিহীন ও মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে, যার মাধ্যমে তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ব্যক্তিদের নিরুৎসাহিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
মোঃ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, “জনস্বার্থে এবং নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার স্বার্থে আমি আমার পেশাগত ও নৈতিক দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়গুলো তুলে ধরেছিলাম। কিন্তু এর ফলস্বরূপ আমাকে মিথ্যা মামলার মাধ্যমে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। আমি বিশ্বাস করি, সত্য ও ন্যায়বিচার শেষ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠিত হবে।”
তিনি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঘটনাটির নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা হোক এবং মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলার আড়ালে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলা ব্যক্তিদের কণ্ঠরোধের অপচেষ্টার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
ঢাকা ওয়াসার বিল্লাল হোসেন নামের এক কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জানা যায় যে, মো: তৌহিদুল ইসলাম খুবই ভালো এবং সচেতন লোক ছিলেন পানি শোধনাগার মেডিসিন প্রোভাইডার ব্রাদার এন্টারপ্রাইজ এর দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলায় ষড়যন্ত্রের শিকার।